ফলইফতারের জন্য কোন মৌসুমি ফলগুলো সেরা
রোজার দীর্ঘ সময় খালিপেটে থাকার পর ইফতারে কী খাবেন? এই প্রশ্নে পুষ্টিবিদরা বারবার একটি কথাই বলেন- মৌসুমি ফল রাখুন তালিকায়। কারণ মৌসুমি ফল শুধু সতেজই নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ এবং শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে।
ফলরোজার দীর্ঘ সময় খালিপেটে থাকার পর ইফতারে কী খাবেন? এই প্রশ্নে পুষ্টিবিদরা বারবার একটি কথাই বলেন- মৌসুমি ফল রাখুন তালিকায়। কারণ মৌসুমি ফল শুধু সতেজই নয়, পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ এবং শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে।
ফলরমজানকে কেন্দ্র করে পুরান ঢাকার সদরঘাট-বাদামতলী ফল বিক্রয় এলাকায় বেড়েছে খেজুরের বেচাকেনা। দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি ও খুচরা ফলের বাজার হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় আমদানিকারকদের বেশিরভাগ আড়ত অবস্থিত। তুলনামূলক কম দামে বিভিন্ন জাতের খেজুর পাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও ভিড় করছেন এখানে।
ফলশীতের মৌসুমে কুলসহ বিভিন্ন ফল বাজারে এলেও দাম বেশি হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা। ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি মাঝারি আকারের বরই বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকায়, কুল ২৫০-৩০০ টাকায়। ছোট বরই ১০০-১৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া থাই পেয়ার ১০০-১২০ টাকা এবং চালতা ও কদবেল ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফলপবিত্র রমজানে ফলের মূল্য জনগণের ক্রয়সীমার মধ্যে রাখতে তাজা ফল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক ও আগাম কর কমিয়েছে সরকার। এ শুল্ক ও কর কমানোর পর আমদানি করা ফলের দাম কমার বদলে আরও বেড়েছে। সব থেকে বেশি বেড়েছে আপেল ও কালো আঙুরের দাম।
ফলমাঠজুড়ে তরমুজের সমারোহ। কৃষকের তিন মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর মাঠ থেকে বাজারে যাচ্ছে বরগুনার তরমুজ। এ বছর বাম্পার ফলনে কৃষক লাভের স্বপ্ন দেখলেও বাস্তবতা দেখাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। হাত ঘুরলেই বেড়ে যাচ্ছে তরমুজের দাম। চার হাত ঘুরে ১৫০ টাকার তরমুজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা পর্যন্ত। এতে মৌসুমের প্রথম ফস
ফলচলছে পবিত্র সিয়াম সাধনার মাস রমজান। রমজানে ভাজাপোড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতারিতে ফল রাখতে পছন্দ করেন রোজাদাররা। ফলে এ মাসে দেশি-বিদেশি ফলের চাহিদা থাকে তুঙ্গে।
ফলপবিত্র রমজান মাসে কলকাতায় খেজুরের চাহিদা থাকলেও এ বছর দাম যেন হাতের নাগালের বাইরে। চাহিদা মেটাতে দেশীয় খেজুরের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও বিপুল খেজুর আমদানি করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আনা বিভিন্ন প্রজাতির খেজুর পাওয়া যাচ্ছে কলকাতায়। কিন্তু সব ধরনের খেজুরের দামই চড়া
ফলরমজানে অনেক বেড়ে গেছে দেশি-বিদেশি ফলের চাহিদা। সেহরি ও ইফতারে রোজাদারেরা পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ফল খেতে পছন্দ করেন। চাহিদা বাড়ায় বাজারে বিভিন্ন ফলের বিক্রিও বেড়েছে। এসময়ে বাজারে বিদেশি ফলের দাম চড়া থাকায় বাড়বাড়ন্ত চাহিদা সামাল দিচ্ছে দেশি ফল। তবে চাহিদা বাড়ায় প্রায় সব ধরনের দেশি ফলও স্বাভাবিক সময়ের চেয়
ফলমৌসুমি ফল তরমুজ কিনতে এসে দরকষাকষি করছিলেন জায়িদা খাতুন। পিস হিসেবে নিতে চাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু পিস হিসেবে বিক্রি করতে রাজি হচ্ছিলেন না বিক্রেতা। বলছিলেন কেজি হিসেবে নিতে হবে। প্রতিকেজির দাম ৯০ টাকা। এ হিসেবে সবচেয়ে কম ওজনের (৪ কেজি) তরমুজের এক পিসের দাম আসে ৩৬০ টাকা। ফলে তরমুজ না কিনেই বাড়ি ফেরেন জ
ফসলটাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রতিবন্ধী কৃষক রানা হামিদের বাগানে লেবুর বাম্পার ফলন হয়েছে। রমজান মাসে তিনি প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার লেবু বিক্রির আশা করছেন। তার লেবুর বাগান দেখতে প্রতিদিন অনেকেই ছুটে আসছেন। রানা হামিদের সফলতা দেখে এলাকার বেকার তরুণরাও লেবু চাষ করছেন। রানা উপজেলার প্রতিমা বঙ্কি পূর্ব পাড়া গ্রামে
ফলবাঙ্গির পুষ্টিগুণ অনেক। স্বাদে ততটা মিষ্টি না হলেও, এটি শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি পানিশূন্যতা দূর করে। বাঙ্গতে আছে ভিটামিন সি, শর্করা ও ক্যারোটিন। যা উচ্চ রক্তচাপ থেকে শুরু করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। এছাড়া নিয়মিত বাঙ্গির শরবত খেলে খাবারে অরুচি, নিদ্রাহীনতা, আলসার ও অ্যাসিডিটি দূর হয়।
ফসলপবিত্র রমজান মাসজুড়েই ইফতারে সবাই বাহারি খাবার রাখেন। তার মধ্যে সব খাবারই কিন্তু স্বাস্থ্যকর নয়। অনেক সময় দেখা যায়, খারাপ খাবারের মাধ্যমে ভালো খাবারের পুষ্টিগুণ আপনার শরীর পায় না। সারাদিন রোজা রাখার পর অনেকেই মনে করেন, পেট ভরে যা ইচ্ছে তা-ই খাবেন।
ফলরমজান মাসে ইফতারের সময় অনেকেই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়, এমন খাবার খেয়ে ফেলেন। যার মধ্যে ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড অন্যতম। এসব খাবার পরবর্তী সময়ে শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।