সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

ফলের চড়া দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা

শীতের মৌসুমে কুলসহ বিভিন্ন ফল বাজারে এলেও দাম বেশি হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা। ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি মাঝারি আকারের বরই বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকায়, কুল ২৫০-৩০০ টাকায়। ছোট বরই ১০০-১৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া থাই পেয়ার ১০০-১২০ টাকা এবং চালতা ও কদবেল ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ফল

শীতের মৌসুমে কুলসহ বিভিন্ন ফল বাজারে এলেও দাম বেশি হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা। ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি মাঝারি আকারের বরই বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকায়, কুল ২৫০-৩০০ টাকায়। ছোট বরই ১০০-১৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া থাই পেয়ার ১০০-১২০ টাকা এবং চালতা ও কদবেল ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এই চার ফলের বাইরে বাকি ফলও ক্রেতার নাগালের বাইরে রয়েছে। দাম বেশি হওয়ায় মলিন ক্রেতার মুখ। কিনছেন সীমিত পরিমাণ। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) মিরপুর, টোলারবাগ, পল্লবী, কালশী ও রূপনগর এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি ফলের পাশাপাশি আপেল, আঙুর, কমলা, আনারসহ অধিকাংশ আমদানি করা ফল প্রচুর সরবরাহে রয়েছে।

এসব বাজারের ক্রেতারা জানান, পবিত্র রমজান শুরু হতে এখনো প্রায় দুই মাস বাকি থাকলেও রাজধানীর বাজারে আমদানি করা ফলের দাম এরই মধ্যে বেড়েছে। বর্তমানে ৩০০-৩৫০ টাকার নিচে মিলছে না বেশিরভাগ ফল।

বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি পর্যায়ে দাম বেশি থাকায় খুচরা বাজারেও ফলের দাম চড়া। আমদানি কম হওয়া ও উচ্চ রাজস্বের কারণে বিদেশি ফলের দাম বেড়েছে। এ অবস্থায় রমজান মাসের আগে ফলের দাম আরেক দফা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পল্লবীর ফল বিক্রেতা রায়হান মাহমুদ বলেন, পাইকারি বাজারে সব ধরনের আমদানি করা ফলের দাম বেড়েছে। মাল্টার দাম কিছুটা কম থাকলেও প্রতি সপ্তাহেই ফলের দাম বাড়ছে। রমজানের আগে দাম আরও বাড়তে পারে। কারণ সে সময় চাহিদা বাড়বে, সরবরাহ কম থাকবে।

রূপনগর বাজারের ফল বিক্রেতা শামসুদ্দোহা বলেন, ফল বিক্রি আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। বর্তমানে মূলত অসুস্থ ব্যক্তিরাই ফল কিনছেন। সাধারণ ক্রেতারা নিজের খাওয়ার জন্য খুব অল্প পরিমাণে ফল নিচ্ছেন—আধা কেজি কিংবা এক-দুটি কমলা বা আপেল। এভাবেই এখন বেচাকেনা চলছে।

বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ২৫০–৩০০ টাকায়। কমলার দাম ৩৫০–৩৮০ টাকা, ছোট কমলা ৩০০–৩২০ টাকা এবং চায়না কমলা ৩০০–৩২০ টাকা। নাশপাতি বিক্রি হচ্ছে ৩০০–৩৫০ টাকায়। এছাড়া আনারের দাম ৬০০–৬৫০ টাকা, আঙুর ৫০০–৬০০ টাকা এবং পার্সিমন ফলের দাম প্রতি কেজি এক হাজার ২০০ টাকা। ফুজি আপেল ৩০০- ৩৫০ টাকায়, সবুজ আপেল বিক্রি হচ্ছে ৪০০–৪৫০ টাকায়।

এছাড়া দেশে উৎপাদিত ফলের মধ্যে প্রতি কেজি ড্রাগন ফলের দাম ২০০–২৫০ টাকা, সফেদা ১৫০ টাকা, আমড়া ১২০–১৫০ টাকা এবং জলপাই ৮০–১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে তদারকির অভাবে ইচ্ছামতো ফলের দাম নির্ধারণ করছেন বিক্রেতারা।

মধ্য পল্লবীর ফুটপাতে একাধিক ফলের দোকান ঘুরে দেখছিলেন চাকরিজীবী নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও প্রতি কেজি মাল্টা ও কমলা ছিল ২০০–২৫০ টাকা, কিন্তু এখন সেগুলোর দাম ৩০০ টাকার ওপরে। বাজারে ফলের ঘাটতি নেই, আমদানিও পর্যাপ্ত। তাই ফলের দাম বাড়ার যুক্তিসংগত কোনো কারণ নেই। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে ফল সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে।

গৃহিণী সাবিহা মাহমুদ বলেন, রমজান আসতে দেরি আছে। এর মধ্যে বেড়েছে ফলের দাম। ফলের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের বড় পদক্ষেপ প্রয়োজন।

এসএম/এমএএইচ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

কেরানীগঞ্জে উচ্চমূল্যের ফল চাষে দুই তরুণের সাফল্য

গতানুগতিক শিল্পের গণ্ডি পেরিয়ে কৃষিতে নতুন ভবিষ্যৎ খুঁজছেন শিক্ষিত তরুণরা। ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ২৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে উচ্চমূল্যের অপ্রচলিত ফলের আধুনিক চাষাবাদ শুরু করেছেন দুই তরুণ শিল্পোদ্যোক্তা। শাম্মাম, রকমেলন ও ব্ল্যাক বেবি তরমুজ চাষে প্রথমবারেই এসেছে বড় সাফল্য।

শাইখ সিরাজ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
এগ্রোটেক

চাষিকে তথ্য-বিশ্লেষক হতে হবে না, বলছেন Orchard Robotics-এর Charlie Wu

Orchard Robotics-এর প্রতিষ্ঠাতা Charlie Wu বলছেন, ট্রাক্টরে বসানো তাঁদের এআই ক্যামেরা গাছ ধরে ধরে ফল গোনে ও মাপে, শ্রম ও উপকরণ সাশ্রয়ে প্রথম বছরেই তিন থেকে দশ গুণ ফেরত দেয়; আপেল থেকে কোম্পানিটি এখন আরও এক ডজন ফসলে যাচ্ছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()