মৎস্যইলিশ এখন ‘স্বপ্নের মাছ’
একসময় পহেলা বৈশাখ মানেই ছিল পান্তা-ইলিশের উৎসব। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সেই চিত্র বদলে যাচ্ছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য ইলিশ এখন অনেকটা 'স্বপ্নের মাছ'-এ পরিণত হয়েছে।
মৎস্যএকসময় পহেলা বৈশাখ মানেই ছিল পান্তা-ইলিশের উৎসব। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সেই চিত্র বদলে যাচ্ছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য ইলিশ এখন অনেকটা 'স্বপ্নের মাছ'-এ পরিণত হয়েছে।
মৎস্যবাজারে মানভেদে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। মানভেদে কমেছে সোনালি মুরগির দামও। পহেলা বৈশাখে পাতে ওঠা ইলিশ মাছের দাম আগের মতোই চড়া।
লাইভস্টকঈদের পরে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) প্রথম কাঁচাবাজারে এসেছেন মনিরা ইসলাম। এর মধ্যে বাজারে সোনালি মুরগির দাম যে আকাশছোঁয়া হয়ে গেছে, সেটা তিনি জানতেন না। এখন দাম শুনে তিনি রীতিমতো আঁতকে উঠেছেন। তিনি বলেন, এত দামে আমি কোনোদিন মুরগি কিনিনি।
ফলময়মনসিংহের বাজারগুলোতে রমজানকে টার্গেট করে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন জাতের ফল। প্রতি কেজি ফলে ৫০-২৫০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, ফলের বাজার মনিটরিং দুর্বল থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা রমজানের সুযোগে বাড়তি দাম নিচ্ছে।
ফলপার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বাজারে দেখা মিলেছে কাঁচা আম। দাম হাকা হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজি। তবে আকার ভেদে কিছু আমের দাম খানিকটা কমেও বিক্রি হচ্ছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে জেলা শহরের বনরুপা বাজারে গিয়ে দেখা মেলে কাঁচা আম বিক্রির দৃশ্য।
ফলরাজশাহীতে ১০ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ফলের দাম বেড়েছে ২০-৫০ টাকা। দাম বেশি হওয়ায় দোকানে ফল সাজানো থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি কম। যারা আসছেন তারাও দাম শুনে ফিরে যাচ্ছেন।
ফলদিনাজপুরে বাজারে ফলের দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। পেঁপে ছাড়া সব ফলের দাম বেশি। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও চড়া দামের কারণে খেজুরের বিক্রি কমেছে। এতে করে খেজুর নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন অনেক ব্যবসায়ী।
ফলকক্সবাজারের টেকনাফে বাজারে উঠেছে কাঁচা আম। চাহিদা বেশি থাকায় আগাম এ আম বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়। প্রতিবছর দেড় থেকে দুই মাস আগে এখানকার গাছে আম ধরে এবং তা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।
পরিবেশসম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে লতাকস্তুরি গাছের চাহিদা। স্থানীয় বাজারে এই গাছ ও বীজের মূল্য আগের তুলনায় অনেক বেশি পাওয়া যাচ্ছে। গাছও বিক্রিও হচ্ছে চড়া দামে ফলে এ অঞ্চলের অনেক কৃষক লতাকস্তুরি চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
ফলশীতের মৌসুমে কুলসহ বিভিন্ন ফল বাজারে এলেও দাম বেশি হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা। ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি মাঝারি আকারের বরই বিক্রি হচ্ছে ১৫০-২০০ টাকায়, কুল ২৫০-৩০০ টাকায়। ছোট বরই ১০০-১৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া থাই পেয়ার ১০০-১২০ টাকা এবং চালতা ও কদবেল ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মৎস্যদয়াগঞ্জের ভোর। বাজারের কোণায় ভেজা মাটির গন্ধে মিশে আছে তাজা মাছের ঘ্রাণ। ডালা ভরে শোল, টাকি, মাগুর, চিংড়ি-সবই যেন গ্রামবাংলার স্রোতভরা দিনের স্মৃতি বয়ে এনেছে। মানুষ ভিড় করছে, দরদাম চলছে, কেউ কেউ চোখ বুলিয়ে খুঁজছে 'দেশি মাছ'-যার স্বাদে থাকে শৈশবের নদী, বিলের কাদা, গ্রামের রোদ। কিন্তু এই ভরা বাজ
মৎস্যনিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরার অনুমতি মিললেও পটুয়াখালীর বাজারগুলোতে দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের। নদীতে নেমেও জেলেরা জালে তুলতে পারছেন না আশানুরূপ ইলিশ, ফলে হতাশ তারা।
মৎস্যমেঘনাপাড়ের জনপদ লক্ষ্মীপুরে ইলিশে মাছের দাম কিছুটা কমেছে। ফলে স্থানীয় বাজারে কেনাবেচা বেড়েছে। পাশাপাশি বড় আকারের বাছাই করা মাছ প্রতিদিন পিকআপে ঢাকা ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলাতে যাচ্ছে।