শাকসবজিএবার চট্টগ্রামে কম দামে সবজি বিক্রি শুরু শিক্ষার্থীদের
বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে চট্টগ্রামে ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ক্ষেত্র বিশেষে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি সবজি।
শাকসবজিবাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে চট্টগ্রামে ন্যায্যমূল্যে সবজি বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ক্ষেত্র বিশেষে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি সবজি।
মৎস্যমৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, ইলিশ আমাদের সম্পদ। অথচ ইলিশের দাম বেশি হওয়ায় সাধারণ মানুষ সেটি খেতে পারে না। এটা বড় ধরনের অন্যায়। এ অন্যায় থেকে আমরা কীভাবে পরিত্রাণ পেতে পারি সে চেষ্টা করতে হবে।
মৎস্যদিনাজপুরে ৪০০ থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) শহরের বাহাদুর বাজার ঘুরে এ চিত্র জানা গেছে।
মৎস্যদেশে প্রতি কেজি ইলিশের সর্বোচ্চ দাম ৭০০ টাকা নির্ধারণ চেয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার এ আইনি নোটিশ পাঠান।
মৎস্যফরিদপুরে সিন্ডিকেটে বাড়ছে ইলিশের বাজার দর। ফলে ভরা মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত মূল্যে মিলছে না ইলিশ। কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ক্রেতারা।
মৎস্যইলিশের ভরা মৌসুম থাকবে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে। মৌসুমের শুরু থেকেই বাজারে সরবরাহ বেড়েছে ইলিশের। ফলে দাম আগের তুলনায় সামান্য কম। যদিও এই দাম পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক নয় স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য।
ফলমধুমাস (জ্যৈষ্ঠ) শেষ হয়েছে প্রায় আড়াই মাস আগেই। এ মধুমাস ঘিরে দেশে যেসব ফল পাওয়া যায়, তার প্রায় সবই ফুরিয়েছে। তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র আমের ক্ষেত্রে। মৌসুমের একেবারে শেষদিকেও বাজারে মিলছে আম। আশ্বিনা ও বারিসহ দীর্ঘমেয়াদি আরও কিছু জাতের আম এখনো মিলছে বাজারে। তবে, মৌসুমজুড়েই চড়া আমের দাম।
ফলভরা মৌসুমে এবার আমের বাজার কিছুটা অস্বাভাবিক। দাম গত বছরের দ্বিগুণ। হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি, ফজলিসহ কোনো জাতের আমই মিলছে না প্রতি কেজি ১২০ টাকার নিচে। ভালোমানের হলে খুচরায় গুনতে হচ্ছে আরও বেশি। এবার আম প্যাকেজিং ও উড়োজাহাজ ভাড়াও বাড়তি। দেশে চড়া দামের কারণে মুনাফা কমেছে রপ্তানিকারকদের। শঙ্কায় রপ্ত
ফলম্যাংগো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গুটি জাতের আম নামানো হলেও বাজারে দেখা মিলছে না। গত বুধবার (১৫ মে) থেকে গাছ থেকে গুটি জাতের আম পাড়া শুরু হয়। অপরিপক্ব আম নামাতে অনীহা বাগান মালিকদের।
ফলবাজারে মৌসুমি ফলের ভরপুর সমাহার এখনো শুরু হয়নি। তবে সাতক্ষীরার আম ও ঈশ্বরদীর লিচু এসেছে বাজারে। নতুন এসব ফলের কদরও বেশি। তবে দাম চড়া।
ফলজ্যৈষ্ঠের শুরুতে গুটি আম পাড়ার মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে রাজশাহী জেলার আম সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণ। বুধবার (১৫ মে) থেকে জেলা প্রশাসন ঘোষিত ম্যাংগো ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আম বাজারজাত করণ চলবে। সকাল থেকে রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা আম নামানো শুরু করেছেন। তবে আমেরে প্রধান বাজার বানেশ্বর এখনও ফাঁকা। এ বাজার জমতে
ফলসাতক্ষীরায় অপরিপক্ব আম বাজারজাতকরণ প্রতিরোধে ক্যালেন্ডার ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, ৯ মে থেকে মুম্বাই ও গোলাপখাস, ১১ মে থেকে গোবিন্দ ভোগ, ২২ মে হিমসাগর, ২৯ মে ন্যাংড়া ও ১০ জুন আম্রপালি সংগ্রহ ও বাজারজাত করা যাবে।
ফলদেশের ইতিহাসে সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে ডেঙ্গু। ফলে রোগীদের সেবায় বেড়েছে ফলের চাহিদা। আবার সর্বকালের সবচেয়ে বেশি দাম উঠেছে ডলারের। এ কারণে আমদানিতে খরচ বাড়ছে হু হু করে। বাড়তি চাহিদা আর আমদানির চড়া খরচ, দুয়ে মিলে প্রায় সব ফলই রেকর্ড গড়েছে দামে। ফলের চড়া দামে অসহায় সাধারণ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলেও