সিরাজগঞ্জে এবারও হোঁচটের শঙ্কায় ধান সংগ্রহ
সিরাজগঞ্জে এবারও ধান সংগ্রহ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত দুই বছরও এ জেলায় বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহ ছিল শূন্যের কোঠায়।
সিরাজগঞ্জে এবারও ধান সংগ্রহ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত দুই বছরও এ জেলায় বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহ ছিল শূন্যের কোঠায়।
পৈতৃক জমির তিন টন ধান ৩২ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে ৯৬ হাজার টাকা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২৮ মে) গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পুবের বিলে দ্বিতীয় দফায় উৎপাদিত এ ধান খাদ্য গুদামে বিক্রি করা হয়।
গোল্ডেন রাইসের বাণিজ্যিক অনুমোদন বন্ধ ও বিটি বেগুনের বাণিজ্যিক অনুমোদন প্রত্যাহারে চিঠি দিয়ে আহ্বান জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
দিগন্ত জোড়া মাঠে বাতাসে দোল খাচ্ছে বোরো ধানের সোনালি শীষ। সেই ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষকরা। কেউ আঁটি বেঁধে ধানের বোঝা কাঁধে নিয়, আবার কেউ ভ্যানে করে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন ধান। তবে কৃষকের মুখে হাসি নেই। তারা বলছেন, এবার ধান উৎপাদনে খরচ পড়েছে বেশি। অথচ সেই তুলনায় বাজারে দাম নেই। তাদের লোকসান হবে।
গত ৫০ বছরে বাংলাদেশে চালের উৎপাদন চারগুণেরও বেশি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ।
চলতি মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে বোরো ধান-চাল সংগ্রহে খাদ্য অধিদপ্তরের আটজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা, ২০১৭ অনুযায়ী আট বিভাগে সংগ্রহ কাজ তদারকি করবেন। সম্প্রতি এ দায়িত্ব দিয়ে খাদ্য অধিদপ্তর থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
মাঠে মাঠে এখন পাকা ধান। কিন্তু শ্রমিক সংকটে সময়মতো ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছেন না ফেনীর পরশুরাম উপজেলার কৃষকরা। শ্রমিক মিললেও জনপ্রতি একদিনের মজুরি দিতে হচ্ছে ১২০০ থেকে ১২৫০ টাকা, সঙ্গে দুই বেলা খাবার। এতে খরচ পড়ছে প্রায় দেড় হাজার টাকার মতো।
সৈয়দ মাজারুল ইসলাম রুবেল
হাওরে ধান কাটা প্রায় শেষ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখনো ধান কাটা হচ্ছে। তাই মনে রাখতে হবে, বেশি পাকা অবস্থায় ধান কাটলে অনেক ধান ঝরে পড়ে, শিষ ভেঙে যায়, শিষ কাটা লেদা পোকা এবং পাখির আক্রমণ হতে পারে। ফলে মাঠে গিয়ে ধান পেকেছে কি না দেখতে হবে। শিষের শতকরা ৮০ ভাগ ধানের চাল শক্ত ও স্বচ্ছ হলে ধান ঠিকমতো পেকেছে
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় হঠাৎ ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে পাকা ধানের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
প্রায় মাসব্যাপী দেশজুড়ে বয়ে চলা মৃদু থেকে তীব্র তাপপ্রবাহে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিছু এলাকার বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলের। ফেটে চৌচির পাটক্ষেত। ব্যাপক হারে ঝরছে আম-লিচুর গুটি। সিজনাল সবজি উৎপাদনেও পড়েছে প্রভাব। গরু, ছাগল, মুরগিসহ প্রাণিকুলেও ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ট্রিশিল্প। ওজন কমে লো
টানা খরায় পুড়ছে নীলফামারী। অতিরিক্তি তাপমাত্রায় বিবর্ণ হচ্ছে ক্ষেত-খামারের ফসল। চলমান দাবদাহে জমিতে দেখা দিয়েছে পানিশূন্যতা ও বিভিন্ন রোগ-বালাই। বাড়তি সেচ দিয়েও ফসল রক্ষায় বেগ পেতে হচ্ছে চাষিদের। এতে জমির ধান, বাদাম, মরিচ, ভুট্টা, কলাসহ সবজিতে ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করছেন চাষিরা।
কৃষকের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেছেন, কৃষককেই উৎপাদিত ধান থেকে বীজ সংরক্ষণ করতে হবে। এজন্য ভালো বীজ ও ভালো জাত সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।