সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৬%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৩ মিমি

কৃষকের ঘরে নেই ধানের গোলা

সৈয়দ মাজারুল ইসলাম রুবেল

ফসল

সৈয়দ মাজারুল ইসলাম রুবেল

একটা সময় ছিল গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে এক একটি করে ধানের গোলা ছিল। সেই কৃষক হোক বর্গাচাষি অথবা জমির মালিক। এমনকি গ্রামের বিয়ে-শাদি পর্যন্ত হতো গৃহস্থের ঘরে ধানের গোলা আছে কি না, সেটা দেখে। কিন্তু কালের আবর্তে অটো রাইস মিল আর আমদানিকৃত চালের কারণে এখন সেই ধানের গোলা আর দেখা যায় না।

এর অবশ্য অন্য কারণও আছে। বৃষ্টিসহ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, সেই সঙ্গে শ্রমিক সংকটের কারণেও ধান শুকিয়ে গোলায় রাখার মতো কষ্টসাধ্য কাজ সাধারণত কেউ করতে চান না। এ কারণেই ধান ওঠার সঙ্গে সঙ্গে কাঁচা ধানই সবাই নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিচ্ছেন। বিপরীতে বেশি দামে নগদ টাকায় চাল কিনে খাচ্ছেন।

যে কারণে ফায়দা লুটছে এক শ্রেণির মৌসুমী ফরিয়া এবং মিল মালিকেরা। ধান ওঠার মৌসুমের শুরুতেই সব ধান চলে যাচ্ছে মিল মালিক এবং মজুতদারদের গোডাউনে। এমনিতেই ধানের ন্যায্য মূল্য পাওয়া যায় না। সেই সঙ্গে মণপ্রতি নিচ্ছে ৪২ কেজি থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত।

আরও পড়ুনসাতক্ষীরায় নতুন জাতের ধান চাষে সফল কৃষকজলবায়ু পরিবর্তনে ধান চাষে নতুন সমস্যা

স্থানীয় ভাবে ধানের বাজারদর ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা পর্যন্ত। সরকারি বেঁধে দেওয়া ধানের ন্যায্য মূল্য কাগজে-কলমেই রয়ে যায়। এর সুবিধা পায় না স্থানীয় কৃষক, বর্গাচাষি কিংবা জমির মালিকেরা। সব লাভ মধ্যস্বত্বভোগীদের দখলে চলে যায়। কৃষকের উৎপাদিত ধানই পরে তাকে বেশি দামে কিনতে হয়। চাল কিনতে হয় আরও বেশি দাম দিয়ে।

হঠাৎ যদি কোনো কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা জাতীয় কোনো সংকট দেখা দেয়। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় ভাবে কয়েক দিন খাদ্য সংকট মেটানোর মতো ধান মজুত ব্যবস্থা নেই স্থানীয় মানুষের হাতে। যা দুর্ভিক্ষের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোনো সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় ভাবে ধানের মজুতকরণ অত্যন্ত জরুরি।

ফলে আমাদের কৃষিমুখী হতে হবে। যে কোনো পেশার পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে কৃষিকাজে মনোনিবেশ করা উচিত। কারোনার মতো সংকটেই দেখেছি, জিনিসপত্রের দাম কীভাবে বেড়ে যায়। তাছাড়া প্রতিনিয়তই বাড়ছে বাজারদর। তাই কৃষকের গোলায় ধান-চাল না থাকলে এক সময় তাকেই থাকতে হবে না-খেয়ে। বিষয়টি ভেবে দেখার সময় এসেছে।

লেখক: কথাশিল্পী ও সংগঠক।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাম্পার ফলনেও লোকসানের হিসাব কষছেন চাষীরা

ধান-চালে সমৃদ্ধ উত্তরের জেলা নওগাঁয় আউশ ধান কাটা মাড়াইয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে চাষীদের। অনুকূল আবহাওয়ায় কাঙ্খিত ফলন পেয়ে খুশি তারা। তবে কৃষকের মুখের সেই হাসি মুহূর্তেই ম্লান হয়ে যাচ্ছে দামের কারণে।

জাগো নিউজ ২৪১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

ছয় মাস পর চালু হয়ে দুই দিনেই আবার বন্ধ সিইউএফএলের ইউরিয়া উৎপাদন

আরসি পাম্পের সিল লিকেজ ও গ্যাসের চাপ কম থাকায় শনিবারের আগে উৎপাদন সম্ভব নয়; দিনে ১ হাজার ১০০ টন সক্ষমতার কারখানাটি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উৎপাদন করেছে মাত্র ৬৫ হাজার টন।

প্রথম আলো১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

তরুণ প্রজন্মকে কৃষিতে ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি কৃষি। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষিজমি কমে যাওয়া, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট, পানির সংকট, মাটির অবক্ষয়, রোগবালাই, বাজারের অনিশ্চয়তা এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের চ্যালেঞ্জ, সব মিলিয়ে প্রচলিত কৃষি ব্যবস্থার সামনে এখন বড় ধরনের পর

জাগো নিউজ ২৪১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()