পরিবেশ‘নকল ডাকের’ ফাঁদে আসল পাখি
প্রতিবছরের মতো এবারও শীতের শুরুতে সুদূর হিমালয় ও সাইবেরিয়াসহ শীতপ্রধান অঞ্চল থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসতে শুরু করেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা নড়াইলের খাল-বিল ও জলাশয়ে দেখা গেছে এ অতিথিদের।
পরিবেশপ্রতিবছরের মতো এবারও শীতের শুরুতে সুদূর হিমালয় ও সাইবেরিয়াসহ শীতপ্রধান অঞ্চল থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসতে শুরু করেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা নড়াইলের খাল-বিল ও জলাশয়ে দেখা গেছে এ অতিথিদের।
পরিবেশখুলনার দাকোপ উপজেলায় ফাঁদ পেতে অতিথি পাখি শিকারের অপরাধে রায়হান বিশ্বাস (২৬) নামের এক যুবককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তার কাছ থেকে পাখি শিকারের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
পরিবেশসংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে বিষটোপ আর ফাঁদ পেতে হাকালুকি হাওরে অবাধে চলছে পাখি শিকার। সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার ছয়টি উপজেলায় এশিয়ার সর্ববৃহৎ এ হাওরের অবস্থান।
মৎস্যকয়েক হাজার শামুকখোল পাখির কলকাকলিতে মুখোর জামালপুরের মাছিমপুর গ্রাম। গত ২০ বছর ধরে পৌরসভার ওই গ্রামের নূরুল হক মাস্টারের বাড়ির শিমুল ও কড়ই গাছে নিশ্চিন্তে বসবাস করে আসছে পাখিগুলো। অনুকূল পরিবেশ পেয়ে প্রতি বছর বারবারই ফিরে আসে এসব পাখির দল, থাকে একটানা ছয় থেকে আট মাস।
পরিবেশলক্ষ্মীপুরে ডাহুক পাখি শিকার করায় মো. বাবুল নামের এক যুবকের এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পরিবেশমৌলভীবাজার জেলার হাওরগুলোতে প্রকাশ্যে জাল দিয়ে ফাঁদ পেতে ও বিষটোপ দিয়ে পরিযায়ী পাখি শিকার হচ্ছে। শিকার বন্ধে বনবিভাগ ও প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন প্রকৃতিপ্রেমীরা।
পরিবেশচারদিকে সবুজ চা বাগান। মাঝখানে স্বচ্ছ জলের কৃত্রিম লেক। লেকের পশ্চিম পাশে রয়েছে জলজ উদ্ভিদ আর ঝোপঝাড়। এখানে পর্যাপ্ত খাবার ও নিরাপদ পরিবেশ থাকায় সারাবছর পাখিরা থাকে নিশ্চিন্তে। শিকারির হাত থেকে রক্ষায় পাহারাদার নিয়োগ দিয়েছে বাগান কর্তৃপক্ষ।
পরিবেশশীত মৌসুমে মঙ্গোলিয়া, সাইরেরিয়া ও তিব্বতসহ বিভিন্ন দেশের পরিযায়ী পাখির কলকাকলিতে মুখরিত থাকতো উপকূলীয় জেলা ভোলার চরাঞ্চল। কিন্তু গত দুই বছরে চরাঞ্চলে পরিযায়ী পাখি ৭০ ভাগ কমেছে। এ জন্য খাদ্য সংকট, শিকারীদের দৌরাত্ম, জলবায়ু পরিবর্তন, আবাসস্থলে মানুষের বিচরণ ও পরিবেশগত কারণ দায়ী বলে জানা গেছে।
পরিবেশপ্রতিবছর শীত এলেই জলাশয়, হাওড়, খাল-বিল ভরে যায় নানা রং-বেরঙের নাম না জানা পাখিতে। পরিযায়ী বা পরিযায়ী পাখি নামেই আমরা চিনি তাদের। পরিযায়ী পাখিরা ঝাঁকে ঝাঁকে আমাদের দেশে হাজির হয় নিজেদের জীবন বাঁচাতে।
পরিবেশহলদে গ্রামবাংলার চিরচেনা একটি পাখি। কোনো কোনো অঞ্চলে কুটুম পাখি বা বেনে বউ নামেও পরিচিত। সুরেলা কণ্ঠের পাখিটি নিজের গুণেই মানুষের নজর কাড়ে। সব ঋতুতে গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক পরিবেশ মাতিয়ে রাখে পাখিটি।
পরিবেশখাঁচায় আটকে রাখা ১০টি পাখি আকাশে অবমুক্ত করে দিয়েছেন প্রাণী সংরক্ষণ বিষয়ক সংগঠন 'ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ ফাউন্ডেশনের' কর্মীরা।
পরিবেশকরোনা সংক্রমণ এড়াতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এবার পাখি মেলা অনুষ্ঠিত হবে না।
পরিবেশবঙ্গদেশে শীত নামলেই দেখা মেলে পরিযায়ী পাখির। রাশিয়া, সাইবেরিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসে তারা। এসব যাযাবর পাখি প্রতি বছর খাবার, প্রজনন ও বাসস্থানের সন্ধানে সুদূর পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকা চিড়িয়াখানা লেক, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যাললের ঝিলসহ দেশের বিভিন্ন হাওরে ঘাঁটি