সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস ১২ কিমি/ঘ

‘নকল ডাকের’ ফাঁদে আসল পাখি

প্রতিবছরের মতো এবারও শীতের শুরুতে সুদূর হিমালয় ও সাইবেরিয়াসহ শীতপ্রধান অঞ্চল থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসতে শুরু করেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা নড়াইলের খাল-বিল ও জলাশয়ে দেখা গেছে এ অতিথিদের।

পরিবেশ

প্রতিবছরের মতো এবারও শীতের শুরুতে সুদূর হিমালয় ও সাইবেরিয়াসহ শীতপ্রধান অঞ্চল থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসতে শুরু করেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা নড়াইলের খাল-বিল ও জলাশয়ে দেখা গেছে এ অতিথিদের।

আর এই অতিথি পাখির আগমনে স্থানীয় চোরা শিকারিরা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মেতে উঠেছে পাখি নিধনের মহোৎসবে। অতিথি পাখি শিকার যেন উৎসবে পরিণত হয়েছে। এ ব্যাপারে একেবারেই নীরব ভূমিকা পালন করছে প্রশাসন।

জানা গেছে, অতিথি পাখি শিকারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে নড়াইলের তিনটি উপজেলার চাঁচুড়ী বিল, ইছামতি বিল, কাড়ার বিল, নলামারা বিল, গোপালপুর-বগুড়ার বিলসহ বিভিন্ন খাল-বিল ও জলাশয়ে হাজার হাজার অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠেছে।

এদের মধ্যে বালি হাঁস, কালকোচ, কায়েম, ডুঙ্কর, পানকৌড়ি, পাতাড়ি হাঁস, হাঁস ডিঙ্গি, কাদা খোঁচা, খয়রা, চেগা, কাচিচোরা, মদনটাক, শামুখখোলা ও বক অন্যতম। অতিথি পাখি শিকারের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ফাঁদসহ নানা ধরনের অভিনব পদ্ধতি। চোরা শিকারির কারণে এ অঞ্চলে অতিথি পাখির অবাধ বিচরণের স্থানগুলো ক্রমান্বয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সূত্র মতে, প্রতিবছর শীতের শুরুতেই শীত প্রধান দেশগুলো থেকে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখি আসে। এরা মূলত নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে আমাদের দেশে আসে। মার্চ-এপ্রিল মাস পর্যন্ত অবস্থান করে। শীত শেষ হলে আবার তারা নিজ দেশে ফিরে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।

স্থানীয় একাধিক শিকারিরা সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক সময় মাছ ও ফড়িং জাতীয় কীট-পতঙ্গে বিষটোপ দিয়ে, ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে কিংবা ফাঁদপেতে পাখি শিকার করতো তারা। তবে এখন তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় শিকারিরা সহজেই বোকা বানাচ্ছে এসব পাখিদের। দীর্ঘদিন ধরে এসব বিল ও জলাশয়ে শিকারিরা রাতের বেলা বিভিন্ন প্রজাতির পাখির ডাক মোবাইলে রেকর্ড করে রাখে। এরপর রাতের আকাশে পাখিদের আনাগোনা দেখে বিল ও জলাশয়ে বড় আকারের জালের ফাঁদ পেতে রাখে। এরপর মোবাইলে রেকর্ড করা পাখির ডাক সাউন্ড বক্সে বাজায়। পাখিরা ওই ডাক শুনে মনে করছে তাদের অন্যান্য সঙ্গীরা সেখানে নিরাপদে অবস্থান করছে। আর শিকারিদের এসব নিত্যনতুন প্রতারণায় প্রলুব্ধ হয়ে নীচে নামতেই জড়িয়ে পড়ছে পেতে রাখা ফাঁদে। এভাবে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত অভিনব কায়দায় নির্বিচারে পাখি নিধন করছে।

এছাড়া রাতের নিরাপদ আশ্রয়স্থল থেকে সকালে যখন খাবারের সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে তখন তাদের শিকারিদের কবলে পড়তে হয়। দিনের বেলায়ও শিকারিরা নাইলনের সুতা দিয়ে তৈরি ছোট-বড় ফাঁদ পাখির চলার পথে পেতে রাখে। দিনে-রাতে পাখিরা যখন উড়ে বেড়ায় তখন ওই ফাঁদে শত শত পাখি আটকা পড়ে। আবার বড়শি দিয়ে, কারেন্ট জাল পেতেও পাখি শিকার করে থাকে কিছু শিকারি। প্রতি রাতেই নিধন করে হাজার হাজার অতিথি পাখি। শিকারিরা সারারাত ধরে পাখি শিকার করে ভোরের আলো ফোঁটার আগেই তা বিক্রি করছে।

পাখি শিকারি আলীম বলেন, বাজারে অতিথি পাখির প্রচুর চাহিদা। তাই যেকোনো উপায়ে ধরতে পারলেই বিক্রি করতে সমস্যা হয় না। এমনকি আগে থেকেই বুকিং নেওয়া ক্রেতাদের বাড়িতে ভোরের আলো ফোঁটার আগেই তা পৌঁছে যায়। এসব ক্রেতা আবার সমাজের এলিট শ্রেণির লোক।

অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় প্রশাসন এসব দেখেও না দেখার ভান করে থাকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পাখি শিকারি বলেন, আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে টাকা ও পাখি দিয়ে প্রতি রাতেই পাখি শিকার করি। কারণ প্রশাসনেরও কিছু ব্যক্তি এই পাখির ক্রেতা।

ক্ষেত্রবিশেষ তাদের বাড়িতে পাখি পাঠিয়ে নির্বিঘ্নে তারা পাখি শিকার করে চলেছে। যে কারণে কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না এই শিকারিদের দৌরাত্ম্য।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, অতিথি পাখি আমাদের দেশের একটি সম্পদ। এদের রক্ষণাবেক্ষণ করা আমাদের সবার দায়িত্ব। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ নিরাপত্তা ২০১২ আইন ৩৮ (১) ধারা অনুযায়ী অতিথি পাখি শিকার বা ধরা দণ্ডনীয় অপরাধ। শিকারিদের শনাক্ত করতে পারলে অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। শিকারিদের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়া হবে।

হাফিজুল নিলু/জেএস/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বাতাস ও পানি থেকে এক অনুঘটকে অ্যামোনিয়া বানাতে চায় অস্ট্রেলিয়ার Facet Amtech

নাইট্রোজেন সারের মূল উপাদান অ্যামোনিয়া আলাদা হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট ছাড়াই সরাসরি বাতাস ও পানি থেকে তৈরির অনুঘটক পাইলট করতে Facet Amtech ৩০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের সিড বিনিয়োগ তুলেছে; তাদের লক্ষ্য কার্বন মূল্য ছাড়াই খরচে জীবাশ্মভিত্তিক অ্যামোনিয়াকে হারানো।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৬ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()