মৎস্যবরিশালে অভিযানে জব্দ ইলিশ হরিলুট
বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তর কার্যালয় প্রাঙ্গণে জব্দ জাটকা নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত চার আনসার সদস্য চেষ্টা করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছেন।
মৎস্যবরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তর কার্যালয় প্রাঙ্গণে জব্দ জাটকা নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত চার আনসার সদস্য চেষ্টা করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছেন।
মৎস্যবরিশালের বাকেরগঞ্জের বিশারীকাঠী গ্রামে এক জেলের জালে প্রায় ৩ কেজি ওজনের একটি ইলিশ ধরা পড়েছে। ইলিশটি এক আড়ত মালিকের কাছে ১০ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করেছেন বলে জানিয়েছেন জেলে।
মৎস্যইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে আজ ১ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী জাটকা ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে এই ৮ মাস মেয়াদি নিষেধাজ্ঞা।
মৎস্যসাগর-নদী ও সুন্দরবনে মাছ ধরায় একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত হয়ে পড়েছেন উপকূলের জেলেরা। প্রায় সারা বছর ধরেই মৌসুমভিত্তিক থাকছে কোনো না কোনো নিষেধাজ্ঞা। এতসব অবরোধের মধ্যে মাছ শিকারের তেমন একটা সুযোগ নেই জেলেদের। বংশ পরম্পরায় এ পেশায় টিকে থাকতে ধার-দেনা করে জেলেরা জাল ও নৌকা তৈরি করলেও সেই ধার আর মেট
মৎস্যবঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়ে এফবি সাফাওয়ান-৩ নামের একটি ট্রলারে ধরা পড়েছে প্রায় ১৭০ মণ ইলিশ। যার বাজারমূল্য আনুমানিক অর্ধকোটি টাকা। এসময় ট্রলারে জায়গায় সংকুলান না হওয়ায় সাগরে বসেই আরেকটি ট্রলারে প্রায় ৩০ মণ ইলিশ তুলে দেওয়া হয়। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে ইলিশবোঝাই ট্রলারটি পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবত
মৎস্যচাঁদপুর বাসস্টেশন পাইকারি মাছ বাজারের পাশে ভোলার মনপুরা থেকে আসা একটি ট্রলার থেকে সাড়ে ৩০০ কেজি পচা ইলিশ জব্দ করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মৎস্যমা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে শিকার করা বিপুল পরিমাণ ইলিশ উঠছে চাঁদপুরের বাজারে। এসব মাছের বেশিরভাগই নরম ও পচা। অভিযান শেষ হওয়ার পর গত তিনদিন ধরে চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছ বাজারের এ দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। বিপুল পরিমাণ পচা মাছ আসায় বড় স্টেশন এলাকায় ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ।
মৎস্যসারা বছর আহরিত ইলিশের দুই-তৃতীয়াংশ পাওয়া যায় জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে। এই তিন মাসকেই মূলত ইলিশের ভরা মৌসুম হিসেবে গণ্য করা হয়। বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর বরিশাল বিভাগে নদী ও সাগরে ভরা মৌসুমেও গত বছরের চেয়ে ২৩ শতাংশ কম ইলিশ আহরিত হয়েছে। যা গত চার বছরের মৌসুম হিসাবে সবচেয়ে কম।
মৎস্যনিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরার অনুমতি মিললেও পটুয়াখালীর বাজারগুলোতে দেখা মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশের। নদীতে নেমেও জেলেরা জালে তুলতে পারছেন না আশানুরূপ ইলিশ, ফলে হতাশ তারা।
মৎস্যইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। গত ৪ অক্টোবর শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা শেষ হয় ২৫ অক্টোবর রাত ১২টায়। তবে নিষেধাজ্ঞার শেষ হওয়ার পরপরেই রোববার (২৬ অক্টোবর) সকালেই হাজার হাজার ইলিশ নিয়ে পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর ঘাটে হাজির হয়েছেন জেলেরা। তবে বরফকল বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ ট্রলারের ইলিশ পচে গেছে।
মৎস্যসরকার ঘোষিত মা ইলিশ সংরক্ষণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের নদ-নদীতে ২২ দিনব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে নৌ পুলিশ। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৫ নামের এ অভিযানটি গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে পরিচালিত হয়।
মৎস্যনিষেধাজ্ঞার পর মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকারে নেমেছেন জেলেরা। শনিবার (২৫ অক্টোবর) দিনগত রাত ১২টার পর থেকে জেলেরা নদীতে নামলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না। তবে কোরাল, পাঙাশ, পোয়াসহ বিভিন্ন মাছ ধরা পড়ছে।
মৎস্য২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আবারও ইলিশ শিকারে নেমেছে জেলেরা। এতে করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদী ও বড়স্টেশন মাছঘাটে। কিন্তু প্রথম দিন আশানুরূপ ইলিশ পায়নি জেলেরা। তবে বড় সাইজের পাঙাশ ধরা পড়ায় জেলেদের মুখে আবারও হাসি ফুটেছে।