মৎস্য৪ বছরের ব্যবধানে ইলিশ উৎপাদন কমেছে ৯ শতাংশ
দেশে ইলিশ আহরণ ২০২০-২১ অর্থবছরের আগে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও এরপর তা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। গত চার বছরের ব্যবধানে মাছটির উৎপাদন কমেছে নয় শতাংশের বেশি। যে কারণে এবারও বাজারে ইলিশের দাম কমছে না।
মৎস্যদেশে ইলিশ আহরণ ২০২০-২১ অর্থবছরের আগে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও এরপর তা ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। গত চার বছরের ব্যবধানে মাছটির উৎপাদন কমেছে নয় শতাংশের বেশি। যে কারণে এবারও বাজারে ইলিশের দাম কমছে না।
মৎস্যআগামী ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান শুরু হচ্ছে। এবার আশ্বিনী পূর্ণিমার পূর্বের ৪ দিন এবং অমাবস্যার পরের ৩ দিনকে অন্তর্ভুক্ত করে মোট ২২ দিন এই অভিযান চলবে।
মৎস্যচড়া দামের কারণে সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে ইলিশ। আড়ত থেকে শুরু করে খুচরা বাজার পর্যন্ত সবখানের চিত্র একই। এমন অবস্থায় ইলিশের দাম বাড়ার কারণ নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)। দেশের জাতীয় মাছটির আকাশ ছোঁয়া দামের 'অত্যাচার' থেকে ভোক্তাকে স্বস্তি দিতে ওজন অনুযায়ী দ
মৎস্যবেনাপোল বন্দর দিয়ে সাতদিনে ১০৩ মেট্রিক টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে রপ্তানি হয়েছে এক হাজার ২০০ টন।
মৎস্যমা-ইলিশ আহরণে নদী ও সাগরে ভারতীয় জেলেদের দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জেলে ও মংস্যজীবীরা।
মৎস্যএক সপ্তাহ পর পদ্মা-মেঘনা নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকার নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে। সরকারের জারি করা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে শেষ সময়ে দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে জমে উঠেছে ইলিশের বাজার। তবে সরবরাহ কম আর চাহিদা বেশি থাকায় প্রতি কেজিতে ইলিশের দাম বেড়েছে গড়ে ১০০-২০০ টা
মৎস্যরাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলত‌দিয়ায় পদ্মা নদীতে ধরা পড়া ৪ কে‌জি ২০০ গ্রাম ওজনের দুইটি ইলিশ বি‌ক্রি হয়েছে ১৭ হাজার ৬৪০ টাকায়।
মৎস্যমেঘনাপাড়ের জনপদ লক্ষ্মীপুরে ইলিশে মাছের দাম কিছুটা কমেছে। ফলে স্থানীয় বাজারে কেনাবেচা বেড়েছে। পাশাপাশি বড় আকারের বাছাই করা মাছ প্রতিদিন পিকআপে ঢাকা ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলাতে যাচ্ছে।
মৎস্যবিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য-
মৎস্যপ্রতি বছর দুর্গাপূজার আগে উপহার হিসেবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসে পদ্মার ইলিশ। চলতি বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এরই মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৫০ মেট্রিক টন ইলিশ পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছে। তবে এবার বাংলাদেশের ইলিশ ঘিরে তেমন উচ্ছ্বাস চোখ পড়ছে না।
মৎস্যভরা মৌসুম হলেও শরীয়তপুরের পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের জালে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। ঋণ আর দাদনের বোঝায় জর্জরিত এ জনপদের জেলেদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। সারাদিন নদীতে জাল ফেলার পর মাঝেমধ্যে ধরা পড়ছে ছোট ছোট ইলিশ তাও যৎসামান্য।
মৎস্যমৌসুমের শেষ সময়ে জমে উঠেছে চাঁদপুরের ইলিশ বাজার। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ছুটির দিনে দেশের অন্যতম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বড় স্টেশন মাছঘাটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। তবে সরবরাহ কম থাকায় বাজারে ইলিশের দাম বেড়ে আকাশচুম্বী হয়েছে।
মৎস্যব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় ১২০০ কেজি ইলিশ ভারতে রপ্তানি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে প্রথম চালানে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ইলিশবোঝাই দুটি পিকআপ আগরতলা স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।