মৎস্যছুটির দুপুরে স্বাদ নিন আনারসি ইলিশের
ইলিশ মাছের স্বাদ নেওয়ার উপযুক্ত সময় হলো বর্ষাকাল। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির দুপুরে ধোঁয়া ওঠা গরম খিচুড়ির সঙ্গে ইলিশ ভাজা কিংবা গরম ভাতের সঙ্গে ইলিশের নানা পদ দারুণ মানিয়ে যায়।
মৎস্যইলিশ মাছের স্বাদ নেওয়ার উপযুক্ত সময় হলো বর্ষাকাল। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির দুপুরে ধোঁয়া ওঠা গরম খিচুড়ির সঙ্গে ইলিশ ভাজা কিংবা গরম ভাতের সঙ্গে ইলিশের নানা পদ দারুণ মানিয়ে যায়।
মৎস্যভরা মৌসুমেও ইলিশের দামে আগুন। সিন্ডিকেটের কারণেই মূলত ইলিশ সাধারণের নাগালের বাইরে। একই অবস্থা ফরিদপুরেও। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়েছে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানের সময় ইলিশের দাম কমে যায় কেজিতে ২০০-৩০০ টাকা।
মৎস্যমৌসুমের শেষ সময়ে দেশের অন্যতম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ। তবে প্রভাব পড়েনি দামে। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সুস্বাদু ইলিশ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ক্রেতাদের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কম। এজন্য দাম চড়া।
মৎস্যফরিদপুরে সিন্ডিকেটে বাড়ছে ইলিশের বাজার দর। ফলে ভরা মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত মূল্যে মিলছে না ইলিশ। কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ক্রেতারা।
মৎস্যসুনামগঞ্জের সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় ইলিশ জব্দ করেছে বিজিবি।
মৎস্যএখনই প্রাণ ভরে ইলিশ মাছ খাওয়ার মৌসুম। বর্ষায় সবার ঘরেই কমবেশি ইলিশের পদ তৈরি হয়। ইলিশ ভাপা, পাতুরি কিংবা পাতলা ঝোল তো প্রায়ই খান, এবার না হয় ইলিশের দো পেঁয়াজা খেয়ে প্রাণ জুড়ান।
মৎস্যসাম্প্রতিক সময়ে অনলাইনে চাঁদপুরের ইলিশ কিনে প্রতারণার শিকার হয়েছেন অনেক ক্রেতা। ফেসবুক পেজে ইলিশের লোভনীয় অফারে ফাঁদে পড়েন তারা। ক্রেতারা যাতে প্রতারণার শিকার না হন, সেজন্য ৪১টি প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন চাঁদপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবসায়ীরা। তালিকাভুক্ত এসব প্রতিষ্ঠানের বাইরে কেউ ইল
মৎস্যএখনই প্রাণ ভরে ইলিশ মাছ খাওয়ার মৌসুম। বর্ষায় সবার ঘরেই কমবেশি ইলিশের পদ তৈরি হয়। ইলিশ ভাপা, পাতুরি কিংবা পাতলা ঝোল তো প্রায়ই খান, এবার না হয় ইলিশের লটপটি খেয়ে প্রাণ জুড়ান।
মৎস্যইলিশের ভরা মৌসুম থাকবে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে। মৌসুমের শুরু থেকেই বাজারে সরবরাহ বেড়েছে ইলিশের। ফলে দাম আগের তুলনায় সামান্য কম। যদিও এই দাম পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক নয় স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য।
মৎস্যইলিশ খেতে পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এর স্বাদে মুগ্ধ বাঙালি। এক ইলিশ দিয়ে বাহারি পদ রান্না করা যায়। কেউ পছন্দ করেন ইলিশ ভুনা, কেউ ঝোল, কেউ আবার ইলিশ মাছ ভাজা খান।
মৎস্যকলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে দেখা নেই ইলিশের। যা দুয়েকটা মিলছে, তারও দাম আকাশছোঁয়া। এর ফলে কমে গেছে বেচাকেনা। তাতে যেমন বিক্রেতারা হতাশ, তেমনি মনখারাপ ক্রেতাদেরও।
মৎস্যদেশের মানুষকে না খাইয়ে ইলিশ বাইরে পাঠানো কোনোমতেই অ্যাপ্রুভ করেন না মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষ ইলিশ পাবে না, আর বিদেশে রপ্তানি হবে, এটা হতে পারে না। আগে দেশকে গুরুত্ব দিতে হবে।
মৎস্যবর্ষাকালে ইলিশ খাওয়ার ধুম পড়ে যায় ঘরে ঘরে। যদিও ইলিশের দাম বেশ চড়া, তবুও এই মাছের স্বাদ নিতে একদিনের জন্য হলেও অনেকেই বাজার থেকে বড় মাপের ইলিশ কিনে ঘরে ফেরেন। শুধু ইলিশের সুস্বাদু পদ খাওয়ার জন্য।