শেষ সময়ে খুলনার ছোট তরমুজ স্বাদে এগিয়ে, দাম চড়া
রসালো ফল তরমুজের প্রতি মানুষের আকর্ষণ সবসময়ই বেশি। তবে মৌসুমের শেষদিকে এসে এই ফলটির বাজারে তৈরি হয়েছে এক ধরনের বৈপরীত্য—স্বাদে মিষ্টি বাড়লেও দামও বেড়েছে।
রসালো ফল তরমুজের প্রতি মানুষের আকর্ষণ সবসময়ই বেশি। তবে মৌসুমের শেষদিকে এসে এই ফলটির বাজারে তৈরি হয়েছে এক ধরনের বৈপরীত্য—স্বাদে মিষ্টি বাড়লেও দামও বেড়েছে।
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ধুম ইউনিয়নের বাসিন্দা নাজমুল আলম প্রথমবার তরমুজ চাষ করেছেন। দেড় একর জমিতে তার খরচ হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সব গাছ মারা গেছে। লাভ তো দূরের কথা, ‌১ টাকাও পুঁজি তুলতে পারেননি তিনি। শুধু নাজমুল আলম নয়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে তরমুজ চাষ করে অনেক চাষ
ফল২০২৬ সালের এপ্রিলে টানা তাপপ্রবাহ ও খরায় পাবনার ঈশ্বরদীতে রেকর্ড মুকুলের পর লিচুর গুটি ঝরে পড়ছিল; দেশি মোজাফ্ফরপুরী জাতে ঝরা ছিল বেশি। কৃষি বিভাগ বাগানে নিয়মিত সেচ ও পরিচর্যার পরামর্শ দেয়।
ফুলথাইল্যান্ড থেকে আনা একটি ‘নটো ক্যাকটাসে’ ২০২৬ সালের এপ্রিলে মাদারীপুর হর্টিকালচার সেন্টারে হলুদ ফুল ফুটেছে; সেন্টারের উপপরিচালকের দাবি, দেশে সম্ভবত এই প্রথম এমন ফুল ফুটল।
শৈশবের ছোট্ট এক অভিজ্ঞতা থেকেই শুরু। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে মিষ্টি আঙুর চাষে সফলতা পেয়েছেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার খবদার গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা মো. ফরহাদ হোসেন (২৮)। চলতি বছরে তিনি প্রায় ১ লাখ টাকা আয় করেছেন।
দেশজুড়ে আমের জন্য পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষিভিত্তিক শিল্পে যুক্ত হয়েছে নতুন সম্ভাবনা। জেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে ড্রাই আনারস উৎপাদন শুরু হয়েছে, যা এরই মধ্যে স্থানীয়ভাবে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রক্রিয়াজাত করা এই শুকনো আনারস দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়। পুষ্টিগুণও অনেকাংশে বজায়
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিদেশি 'বাইনুর' জাতের আঙুর চাষ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন কৃষি উদ্যোক্তা রুহুল আমীন ও হাসেম আলী। তাদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা আঙুর বাগানটি এরই মধ্যে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় কৃষকদের মাঝে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
ছাদকৃষিচাঁদপুর সদর উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা কামরুজ্জামান প্রধানিয়া করোনার সময়ে ছাদে শখের বশে আঙুর চাষ শুরু করেন। ২০২৬ সালের এপ্রিলে তাঁর তিনটি বাগানে, তাঁর ভাষায়, ১৮টি দেশের প্রায় ৮৫ জাতের আঙুরগাছ ছিল।
হপার পোকার আক্রমণে চুয়াডাঙ্গায় আম বাগানগুলোতে ঝরে পড়ছে আমের গুটি। বেশিরভাগ বাগানে একই অবস্থা তৈরি হয়েছে। গাছগুলোতে আমের পরিবর্তে দেখা যাচ্ছে বোটা। গাছের নিচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে গুটিগুলো। হাতেগোনা কিছু বাগানে অল্প আম থাকলেও সেগুলো তাপদাহে ঝরে পড়ার আশঙ্কা করছেন বাগান মালিকরা। চলতি মৌসুমে বাগান মালিকদের
পরিবেশবিশ্বব্যাংক-সমর্থিত গিরসার কর্মসূচির আওতায় দক্ষিণ কর্দোবার প্রাণিসম্পদ অ্যাকুইডাক্ট ৫০ হাজার হেক্টর জমি উৎপাদনে ফিরিয়েছে, আর রিও নেগ্রোর নিম্ন উপত্যকার আধুনিক সেচব্যবস্থায় উৎপাদন বেড়েছে ৪ হাজার হেক্টরে। ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল বিশ্বব্যাংক এ তথ্য জানায়।
মৌসুমের শুরুতেই শিলাবৃষ্টির কবলে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। হঠাৎ এই দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আমচাষিরা। ঝড়ো হাওয়া ও শিলার আঘাতে আমসহ অন্যান্য ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ফলপার্বত্য চট্টগ্রামের বুনোফল রসকো বা রক্তফল ২০২৬ সালের এপ্রিলের শুরুতে রাঙ্গামাটির বাজারে কেজিপ্রতি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, যেখানে আমদানিনির্ভর আপেলের দাম ছিল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। উদ্ভিদবিজ্ঞানে লতাটির নাম Haematocarpus validus।
# চলতি বছর ৭৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ# টানা বৃষ্টিতে নিচু এলাকার জমি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত# চাষ হওয়া জমির প্রায় ২০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে