সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৬ মিমি

তরমুজ চাষে কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে চাষিদের

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ধুম ইউনিয়নের বাসিন্দা নাজমুল আলম প্রথমবার তরমুজ চাষ করেছেন। দেড় একর জমিতে তার খরচ হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সব গাছ মারা গেছে। লাভ তো দূরের কথা, ‌১ টাকাও পুঁজি তুলতে পারেননি তিনি। শুধু নাজমুল আলম নয়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে তরমুজ চাষ করে অনেক চাষ

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার ধুম ইউনিয়নের বাসিন্দা নাজমুল আলম প্রথমবার তরমুজ চাষ করেছেন। দেড় একর জমিতে তার খরচ হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সব গাছ মারা গেছে। লাভ তো দূরের কথা, ‌১ টাকাও পুঁজি তুলতে পারেননি তিনি। শুধু নাজমুল আলম নয়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে তরমুজ চাষ করে অনেক চাষিকে লোকসান গুনতে হয়েছে। বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের পরও ভাইরাসে আক্রান্ত, ফলন কম, বাজারদর কমে যাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে লোকসানে পড়েছেন কৃষকেরা। এতে তাদের কোটি টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। হিঙ্গুলী, ধুম, ওচমানপুর, ইছাখালী, দুর্গাপুর, মিঠানালা, মঘাদিয়া, মায়ানী, সাহেরখালী ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় গ্লোরি জাম্বু, বেঙ্গল কিং, ড্রাগন কিং ও গ্রিন ড্রাগন জাতের তরমুজ সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে। নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলা থেকে আসা অনেক কৃষক এখানে তরমুজ চাষ করেছেন। তাদের দেখাদেখি প্রথমবার স্থানীয় অনেক কৃষকও যুক্ত হয়েছেন।

কাটাছরা ইউনিয়নের চাষি মো. শাহাদাত হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, 'এবার আমিসহ ৫ জন মিলে ১০ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। এতে খরচ হয়েছে ১৮ লাখ টাকা। তারমধ্যে বিক্রি করেছি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা! আমাদের প্রায় ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে।'

তিনি বলেন, 'অনেক আশা নিয়ে ধার-দেনা করে প্রথমবার তরমুজ চাষ করেছি। গাছ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় ফলন খুব কম হয়েছে। এ ছাড়া যা ফলন হয়েছে, বৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়েছে। লাভ দূরের কথা, ন্যূনতম পুঁজি তুলতে পারলেও হতো। এত টাকা ধার-দেনা কী করে যে শোধ করবো, বুঝতে পারছি না।'

কৃষকেরা জানান, একেকজন শেয়ারদার ৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করেছেন। এই অর্থের বড় অংশই ব্যাংক, এনজিও ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে সংগ্রহ করা। কিন্তু তরমুজ গাছ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া, ফলন কম হওয়া, দাম কমে যাওয়া, তেলের দাম বৃদ্ধিতে ঠিকমতো বাজারজাত করতে না পারার কারণে তারা লোকসান গুনছেন।

ধুম ইউনিয়নের চাষি নাজমুল আলম বলেন, ‌‌'২ লাখ ৪০ হাজার টাকা খরচ করে দেড় একর জমিতে তরমুজ চাষ করে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হয়েছে। একটি তরমুজও বিক্রি করতে পারিনি। গাছ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া, বৈরি আবহওয়ার কারণে যেমন দিনের বেলা গরম, রাতে কুয়াশা এসব কারণে ফলন একেবারে হয়নি। অথচ প্রতি বছর এসব জমিতে ফেলন, সরিষা করে ভালো ফলন হতো। আমার মতো অনেক চাষিকে লোকসান গুনতে হয়েছে।'

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, পরিবহন সুবিধা বৃদ্ধি এবং কৃষকদের জন্য সহায়তা নিশ্চিত না হলে এ খাতে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। ভবিষ্যতে তরমুজ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন কৃষকেরা।

এ বিষয়ে মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় জাগো নিউকে বলেন, 'অন্য বছরের তুলনায় মিরসরাইয়ে অনেক বেশি তরমুজ চাষ হয়েছে। নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচরের কৃষকেরা এখানে এসে জমি ইজারা নিয়ে তরমুজ চাষ করেছেন। পাশাপাশি স্থানীয় অনেক কৃষকও তরমুজ চাষ করেছেন। জমি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া ও ভারী বৃষ্টিতে ক্ষেতে পানি জমে তরমুজ চাষিদের বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। যেসব এলাকায় তরমুজ পুষ্ট হয়েছে; সেসব তরমুজ দ্রুত বিক্রি করলে ক্ষতি কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব হতো।'

জাগো নিউজ ২৪সূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ইসলাম

স্পেনের জলপাই খামারে আন্দালুসের ইসলামি ঐতিহ্য তুলে ধরছেন এক মুসলিম দম্পতি

মালাগার কাছে ৩৫ একরের খামারবাড়ি কিনে ‘হাউস অব আন্দালুস’ গড়ছেন হেনরিয়েটা সোভাতি ও ইমাম আজমল মাসরুর; সেখানে ৪০০ জলপাইগাছ, পরিকল্পনা কোরআনিক বাগান ও গ্রন্থাগারের।

বার্তা২৪১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোটেক

বিনায় চালু হলো গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তি, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে নতুন সুযোগ

গাজীপুরে বিনার আঞ্চলিক কেন্দ্রে ৮৯ কোটি টাকার গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার চালু হয়েছে; এতে আম-কাঁঠালের মতো কৃষিপণ্য জীবাণুমুক্ত করে বেশি দিন রাখা যাবে।

এগ্রিকেয়ার২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

ফুলবাড়িয়ার ছয় গ্রামে লেবুর বাগান, এক মৌসুমে ৯৫ কোটি টাকা বিক্রির আশা

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় এবার ৭৫৪ হেক্টরের বেশি জমিতে লেবুর আবাদ; কৃষি বিভাগের হিসাবে এ মৌসুমে প্রায় ৯৫ কোটি টাকার লেবু বিক্রি হতে পারে।

এগ্রিকেয়ার২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)