ভোলায় নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ শিকারে নেমেছেন জেলেরা
দীর্ঘ দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে আবারও মাছ শিকারে নেমেছেন জেলেরা। এসময় নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পেয়ে আনন্দে ঘাটে ফিরছেন তারা।
দীর্ঘ দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে আবারও মাছ শিকারে নেমেছেন জেলেরা। এসময় নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পেয়ে আনন্দে ঘাটে ফিরছেন তারা।
পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে ২০২১-২২ অর্থবছরের দেড়শ টন থেকে ২০২৪-২৫-এ ক্যাপসিকাম উৎপাদন বেড়ে ৪৭৫ টন; মোট উৎপাদনের ৫৫ শতাংশ ভোলায়, আর যশোরের এক চাষি বছরে গড়ে ৫০ লাখ টাকার বিক্রির কথা বলছেন।
পহেলা বৈশাখকে পুঁজি করে 'ইলিশের বাড়ি' খ্যাত ভোলায় রুপালি ইলিশের দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। উৎসবের অজুহাতে রাতারাতি দর বাড়িয়ে সাধারণ ক্রেতাদের পকেট কাটছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে বাজারে এক কেজি ওজনের একটি ইলিশের দাম ঠেকেছে সাড়ে তিন হাজার টাকায়, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
ভোলার মনপুরায় লোকালয় থেকে তিনটি চিত্রা হরিণ উদ্ধার করা হয়েছে। এগুলো খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে চলে এসেছে বলে ধারণা করছে বন বিভাগ।
ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীর জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা একটি চিত্রা হরিণ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। মঙ্গলবার ( ২৪ মার্চ) সকালে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাতির খাল এলাকার বেড়ি বাঁধ থেকে হরিণটি উদ্ধার করা হয়। পর দুপুরে হরিণটিকে উপজেলার সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হয়।
শনিবার মধ্যরাত থেকে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারের ওপর দীর্ঘ দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। ইলিশের অভয়াশ্রমের কারণে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা চলবে। এসময় মাছ আহরণের পাশাপাশি পরিবহন, বাজারজাত ও ক
ভোলায় গত কয়েকদিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ বইছে। ঘন কুয়াশার সঙ্গে তীব্র শীত পড়ছে। এমন বৈরী আবহাওয়ায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বোরো বীজতলা। লাল, হলুদ ও সাদা বর্ণ ধারণ করে ধানের চারা মরে যাচ্ছে। ফলে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে কৃষকদের।
ভোলার বাজারগুলোতে শীতকালীন মাছের সরবরাহ বাড়লেও ইলিশসহ নদীর মাছের চড়া দামে সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস উঠছে। তবে চাষ করা মাছের দাম কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমায় কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতারা।
মৎস্য২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর ভোলা সদরের তুলাতুলি মৎস্যঘাটে মেঘনা নদীর ২ কেজি ৭৫ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ প্রকাশ্য নিলামে ৮ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়। অক্টোবরের নিষেধাজ্ঞার পর ঘাটে এত বড় ইলিশ সেবারই প্রথম আসে বলে জানান আড়তদারেরা।
নিষেধাজ্ঞার পর মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকারে নেমেছেন জেলেরা। শনিবার (২৫ অক্টোবর) দিনগত রাত ১২টার পর থেকে জেলেরা নদীতে নামলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না। তবে কোরাল, পাঙাশ, পোয়াসহ বিভিন্ন মাছ ধরা পড়ছে।
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমের দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আবারও ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলার প্রায় তিন লাখ জেলে। এরইমধ্যে মাছ শিকারের জাল, নৌকা ও ট্রলারসহ বিভিন্ন উপকরণ প্রস্তুত ও মেরামতের কাজ শুরু করেছেন তারা। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে কাঙিক্ষত পরিমাণ ইলিশ শিকার করে ঘ
মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম নিশ্চিত করতে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ শিকারের ওপর ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে। শনিবার (৪ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা চলবে ২৫ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত। সরকারি নির্দেশনা মেনে ইতোমধ্যেই জাল, নৌকা ও ট্রলারসহ মাছ শিকারের সকল উপকরণ নিয়ে
ভোলার সাত উপজেলায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে কৃষি আবাদ। এতে কমছে পতিত জমি। রবি মৌসুমে পতিত জমির পরিমাণ নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। সরকারি সহযোগিতায় আগের চেয়ে বেশি আবাদে ঝুঁকছেন বলে জানান কৃষকরা।