মৎস্যইলিশ এখন ‘স্বপ্নের মাছ’
একসময় পহেলা বৈশাখ মানেই ছিল পান্তা-ইলিশের উৎসব। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সেই চিত্র বদলে যাচ্ছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য ইলিশ এখন অনেকটা 'স্বপ্নের মাছ'-এ পরিণত হয়েছে।
মৎস্যএকসময় পহেলা বৈশাখ মানেই ছিল পান্তা-ইলিশের উৎসব। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে সেই চিত্র বদলে যাচ্ছে। সীমিত আয়ের মানুষের জন্য ইলিশ এখন অনেকটা 'স্বপ্নের মাছ'-এ পরিণত হয়েছে।
মৎস্যবাজারে মানভেদে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। মানভেদে কমেছে সোনালি মুরগির দামও। পহেলা বৈশাখে পাতে ওঠা ইলিশ মাছের দাম আগের মতোই চড়া।
ফলপাহাড় ও হ্রদবেষ্টিত জেলা রাঙ্গামাটির ভাসমান হাট 'সমতাঘাটে' পুরোদমে উঠতে শুরু করেছে মৌসুমী ফল আনারস। তবে রমজানের শুরুতে ফলটির দাম চড়া থাকলেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে তা প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে কৃষকরা কিছুটা শঙ্কিত হলেও লোকসানের কথা জানিয়েছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়
ফলময়মনসিংহের বাজারগুলোতে রমজানকে টার্গেট করে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন জাতের ফল। প্রতি কেজি ফলে ৫০-২৫০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, ফলের বাজার মনিটরিং দুর্বল থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা রমজানের সুযোগে বাড়তি দাম নিচ্ছে।
ফলরমজানে গত ২-১ দিনের ব্যবধানে আমদানি করা বিদেশি ফলের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দেশি ফলের দাম। এছাড়াও নিম্নমানের ফলে ছেয়ে গেছে ফলের বাজার।
ফলরোজার প্রায় অর্ধেক চলে এলেও মাদারীপুরে এখনো চড়া ফলের দাম। ফল কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।
ফলরাজশাহীতে ১০ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ফলের দাম বেড়েছে ২০-৫০ টাকা। দাম বেশি হওয়ায় দোকানে ফল সাজানো থাকলেও ক্রেতার উপস্থিতি কম। যারা আসছেন তারাও দাম শুনে ফিরে যাচ্ছেন।
ফলনারায়ণগঞ্জে ফলের বাজারে এখনো অস্থিরতা কাটেনি। আগের তুলনায় দাম কিছুটা কম হলেও বাড়ছে না ক্রেতা। তারা বলছেন, এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ফল।
লাইভস্টকময়মনসিংহের বাজারে কমেছে সবজির দাম। একই সঙ্গে কমেছে মুরগির দামও। এতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কঠোরভাবে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে দাম আরও কমবে বলে মনে করছেন ক্রেতারা।
ফলডলারের দাম বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় এলসি খুলতে না পারা ও আমদানি খরচ বেড়েছে অজুহাতে মাহে রমজানকে ঘিরে সারাদেশের মতো মানিকগঞ্জেও বেড়ে গিয়েছিল বিদেশি ফলের দাম। গত দুই সপ্তাহ এমন পরিস্থিতির পর এখন ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে দাম। তবে তা এখনো সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।
ফলরমজানের শুরু থেকেই ঝিনাইদহের বাজারে দেশি ও বিদেশি ফলের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে বিদেশি ফলের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বাড়লেও দেশি ফলের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। বিশেষ করে পেয়ারা, বরই ও আনারসের আকাশচুম্বী দামে সাধারণ ক্রেতারা হিমশিম খাচ্ছেন।
ফলরমজানে সারাদিন রোজা শেষে ইফতারে শরীরে ক্লান্তি দূর করতে ফলের জুড়ি নেই। তবে গাইবান্ধার বাজারে ফলের দাম এখন এতটাই আকাশছোঁয়া যে, নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কাছে এটি এখন 'বিলাস পণ্যে' পরিণত হয়েছে। ফলের বাজারে ভিড় থাকলেও দাম শুনে হতাশ হয়ে খালি হাতে ফিরছেন অনেক ক্রেতা।
ফলপবিত্র রমজান মাস শুরুর আগেই বাজারে দেশি বিদেশি প্রায় সব ফলের দাম বেড়েছে। বিদেশি আপেল মাল্টার মতো ফলগুলোর দাম প্রায় ৪০ থেকে ৬০ টাকা আর কলা-বরইয়ের মতো দেশি ফলের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত।