ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য রাখতে বড় ভূমিকা ছাদকৃষির
জনবহুল ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য রাখতে অনেক বড় ভূমিকা ছাদকৃষির। ছাদে ফল ফসলের ক্ষেত্র গড়তে পারলে সেটিই হতে পারে বিশুদ্ধ নিঃশ্বাসের কেন্দ্র। পথ দেখাতে পারে উৎপাদনমুখী বাণিজ্যেরও।
জনবহুল ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য রাখতে অনেক বড় ভূমিকা ছাদকৃষির। ছাদে ফল ফসলের ক্ষেত্র গড়তে পারলে সেটিই হতে পারে বিশুদ্ধ নিঃশ্বাসের কেন্দ্র। পথ দেখাতে পারে উৎপাদনমুখী বাণিজ্যেরও।
ছাদকৃষি নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রেখেছে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ। এবার ছাদে মাটিসহ ও মাটি ছাড়া টমেটো উৎপাদন নিয়ে প্রয়োগিক গবেষণা করেছে তারা। জোর দিচ্ছে অল্প জায়গায় বেশি ফলনের দিকেও।
কংক্রিটের শহর থেকে দ্রুতই হারিয়ে যাচ্ছে ফুল ফলের গাছ। কিন্তু মানুষ তার শিকড়কে সহজে ভুলতে পারে না। কিছু মানুষের সখের ছাদবাগানে পরশ মেলে সবুজ প্রকৃতির। তেমনই সৌখিন এক ব্যক্তি মো. আব্দুল ওয়াহাব। জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র অফিসার মো. আব্দুল ওয়াহাবের ছাদবাগানে দেখা মেলে ভিন্ন এক প্রকৃতির। যেখানে গে
শতভাগ দেশাত্মবোধ থেকে সবুজের প্রতি ভালোবাসা ছাদকৃষি উদ্যোক্তা ডাক্তার এম এ ওদুদ সরকারের। জাতীয় পতাকাকে বুকে ধারণ করেন বলে কৃষি আয়োজনের ভেতর দিয়ে ছড়িয়ে দিতে চান লাল সবুজের বর্ণিল শোভা। ছাদকৃষি নিয়েই এক স্বপ্নের পথচলা তার।
ফসল উৎপাদনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণে কার্যকর দৃষ্টান্ত গড়ে উঠছে ছাদকৃষিতে। অল্প জায়গায় বেশি রকমের ও পরিমাণের ফসল উৎপাদনে সাফল্য দেখাচ্ছেন ছাদকৃষি উদ্যোক্তারা। ঢাকার বাড্ডায় অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মোবারক হোসেনের ছাদকৃষি দিচ্ছে তারই বার্তা।
ঢাকার বাইরে বড় পরিসরে ছাদকৃষি করছেন উদ্যোক্তারা। সৌখিনতা নয় শুধু, বহুমুখী উপকারিতার কথা ভেবেই সচেতন পেশাজীবীরা এমন উদ্যোগ নিচ্ছেন।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের বাইক্কা বিল এলাকা থেকে বিরল প্রজাতির একটি উল্টোলেজি বানর উদ্ধার হয়েছে। বানরটিকে লোহার শিকলে আটকে রাখা হয়। ছাদে খোলা স্থানে রাখার কারণে বানরটি ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে পড়ে।
বাড়ির ছাদে হারানো গ্রামীণ জীবনের প্রতিকৃতি গড়ে তুলেছেন জিগাতলার অ্যাডভোকেট ইয়াদিয়া জামান।
ইউরোপের মত দেশে থেকেও কৃষির নেশা ছাড়তে পারেনি সৌখিন কৃষক আবু সাঈদ। তাই সুযোগ পেলেই ছুটে আসেন দেশে। বাড়ির ছাদে নানা সবজির চাষ করে ব্যাপক বিনোদন পান তিনি। এবার ছাদে বাক্স পদ্ধতিতে
মিষ্টি মনোহরিণী সুবাস, সাদা রং, স্নিগ্ধ ও পবিত্র আর সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই ফুল
ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে দৃষ্টিনন্দন ছাদকৃষি গড়ে তুলেছেন কানাডাপ্রবাসী প্রকৌশলী মোস্তফা জামান শিবলী। করোনা মহামারিতে দেশের মাটিতে অবরুদ্ধ সময়টি তিনি বিনিয়োগ করেছেন বাসার ছাদে। বিষমুক্ত ফসল ফসলের নিশ্চয়তার পাশাপাশি পেয়েছেন বিশুদ্ধ নিঃশ্বাসের ক্ষেত্র।
নগরায়ণের রূপ পাল্টাচ্ছে। পুরোনো বাড়ির স্মৃতিগুলো থাকছে না নতুন বাড়িতে। সেখানে মাটির কাছাকাছি স্মৃতি ও উষ্ণতার সেতুবন্ধন হতে পারে ছাদকৃষি।
নগরের যান্ত্রিক ও সীমাবদ্ধ জীবনে ছাদকৃষি দিতে পারে মুক্তির আনন্দ। এই বিশ্বাস ঢাকা সেনানিবাস এলাকার ছাদকৃষি উদ্যোক্তা লুৎফুন্নাহারের।