ছাদকৃষিবনশ্রীর দিলরুবার ছাদকৃষি | পর্ব ২৭৪
কোনো সীমানায় আটকে থাকে না সৃজনশীল কাজ। কোনো প্রতিবন্ধকতাও থামাতে পারে না কারোর ভালো কাজ সিৎ উদ্দেশ্যকে। প্রবল ইচ্ছে শক্তিই বড় কথা। এমনি এক দৃষ্টান্ত গড়েছেন বনশ্রীর গৃহিনী মিসেস দিলরুবা।
ছাদকৃষিকোনো সীমানায় আটকে থাকে না সৃজনশীল কাজ। কোনো প্রতিবন্ধকতাও থামাতে পারে না কারোর ভালো কাজ সিৎ উদ্দেশ্যকে। প্রবল ইচ্ছে শক্তিই বড় কথা। এমনি এক দৃষ্টান্ত গড়েছেন বনশ্রীর গৃহিনী মিসেস দিলরুবা।
ছাদকৃষিবর্ষাকাল শেষ, শরৎ এর শুরু কিন্তু বৃষ্টি হচ্ছেই মাঝে মাঝে। এই বৃষ্টিভেজা প্রকৃতিকে খুব কাছ থেকে দেখতে কার না ইচ্ছে করে। কিন্তু নগর জীবনে বর্ষার প্রকৃতি ছুয়ে দেখা কি অতটা সহজ। এখানে ব্যতিক্রম ছাদকৃষি উদ্যোক্তরা। তারা ইট পাথরের দালানের মাঝেও ছাদকৃষির ফল ফসলের স্নিগ্ধ রূপকে ছুঁয়ে দেখতে পারেন। গুলবাগের র
ঢাকার গুলবাগে অ্যাপার্টমেন্ট বাসায় থেকেও ছাদকৃষি আয়োজন করেছেন রিনা পারভীন ও আনোয়ার হোসেন দম্পতি। ছাদকৃষির বহুমাত্রিক সুবিধার কথা ভেবে প্রতিদিনের কৃষি অনুশীলনের ভেতর দিয়ে তারা মেটাচ্ছেন পারিবারিক পুষ্টি ও মানসিক তৃপ্তি।
ছাদকৃষিমাত্র দুই হাজার ২শ বর্গফুটের পরিসর। এখানেও খানিকটা বাদ রেখে বাকী অংশে বেশ দারুণভাবেই ফল ফসলে সাজিয়েছেন জিন্নাতুন্নেছা জিনাত। গাছগাছালি ও মাটির কাছাকাছি থাকার নেশা তার ছোটবেলা থেকেই। পরবর্তিতে শহর জীবনে এসে সেটিতে আরও বেশি করে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। এপার্টমেন্ট ভবনেও সবার সম্মতিক্রমে গড়ে তুলেছেন ছাদকৃষি।
ছাদকৃষি৬ তলার উপরে মাত্র ১৬শ বর্গফুটের ছাদকৃষি। প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বাড়ি নির্মাণের সময়েই এর পরিকল্পনা করেছিলেন। ছাদকৃষি উপযোগী অবকাঠামো আর প্রযুক্তির সন্নিবেশে কৃষির এই উদ্যোগটির শুরু ২০১৮ সালে। তবে করোনাকালীন সময়ে অনেক বেশি সুবিন্যস্ত হয়েছে তিন স্তরে সাজানো এই ছাদকৃষিটি।
গাছপালা ও ফল ফসলের সান্নিধ্য থেকে পাওয়া যায় জীবনীশক্তি। এই চিন্তায় অনেকেই মানসিক যন্ত্রণা দূর করার উপায় হিসাবে বেছে নিচ্ছেন ছাদকৃষিকে। এর মধ্য দিয়ে তারা নিশ্চিত হচ্ছেন, নগর জীবনে ছাদকৃষি অত্যন্ত জরুরি।
দেশের মোট জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ বসবাস করে শহরে। দিনে দিনে এই প্রবণতা বাড়ছে। বিস্তৃত হচ্ছে নগর, কমছে কৃষি জমি। আবাসিক ভবন কিংবা নগর অবকাঠামো গড়ায় বিনষ্ট হচ্ছে গাছপালাসহ প্রাকৃতিক পরিবেশ। জাতিসংঘ বলছে, আগামীর টেকসই উন্নয়নের অন্যতম শর্তই হচ্ছে শহরে সবুজ বৃদ্ধি করা। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখ
ছাদকৃষিঢাকা মালিবাগে ৬ তলা বাসভবনেরে উপরে ২৭০০ বর্গফুটের আয়তনে দেখা মিলল নানারকম ফলমুল আর শাকসবজির। যেন উৎপাদনমুখি এক সবুজ কানন। এখানে দরকারি সব ফসলই ফলাচ্ছেন উদ্যোক্তা তাইফুর রহমান। ছোটবেলায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা ঢাকা শহরে বেড়ে ওঠা স্মৃতি ধরে রাখা আর বাবা-মায়ের কাছ থেকে শেখা কৃষির চর্চা করতে বেছে নিয়েছ
মানুষ ও প্রাণীর বন্ধুত্বপূর্ণ সহাবস্থান নতুন নয়। মানুষের সঙ্গে কুকুর, বিড়াল, হাতি বা পাখির বন্ধুত্বের গল্প প্রায়ই সামনে আসে। এবার সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে সামনে এলো তেমনই এক মন ভালো করা ঘটনা। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, প্রচণ্ড বৃষ্টিতে রাস্তার ধারে মানুষের সঙ্গে একই ছাদের নিচে আশ্রয় নিয়েছে একপাল হরিণ। ত
ভবনের ছাদে বাগান করলে হোল্ডিং ট্যাক্সের ১০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তাপমাত্রা কমাতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
আঙিনায়, ঘরের বারান্দায় বা বাড়ির ছাদে গাছ লাগানো অনেকের শখ। এতে বাতাস বিশুদ্ধ থাকে। এমনকি বাড়িতে থাকা শিশুদের বেড়ে ওঠায় দারুণ ভূমিকা রাখে। শখের পাশাপাশি শিশুর বিকাশেও অবদান রাখে গাছ।
ছাদকৃষি এখন শুধু সৌখিনতা নয়, বরং এর প্রয়োজনীয়তা খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন উদ্যোক্তারা। ব্যস্ত নাগরিক কাজের ফাঁকে ছাদকৃষিতে যুক্ত হয়ে মেটাচ্ছেন মনের তৃপ্তি, জলবায়ু পরিবর্তনের এই বিরূপ সময়ে চেষ্টা করছেন নগরে সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার।
শখের বশে বাসার ছাদে বাগান করেছিলেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা বিসিক এলাকার সজীব চৌধুরী। বাগানের জন্য বেছে নিয়েছিলেন পছন্দের ফল আঙুরের চারা। সেই বাগানে এখন প্রায় ৭০-৮০টি গাছ রয়েছে। যার মধ্যে আঙুর গাছের চারাই বেশি। সজীবের শখের বাগানে প্রায় ৩৫ জাতের আঙুর গাছ রয়েছে।