রসুন খাত শক্তিশালী করতে, সরবরাহের ঘাটতি কমাতে এবং বেশি মূল্যের পণ্য তৈরিতে চীনের সঙ্গে গভীর সহযোগিতা চাইছে ভিয়েতনাম, জানিয়েছে অ্যাগনেভিগেটর। চীনে ভিয়েতনামের কৃষি ও পরিবেশ কাউন্সেলর দো বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে রসুন বড় খাত না হলেও এটি দেখায় কীভাবে শুধু পণ্য বেচাকেনা থেকে পুরো কৃষি মূল্যশৃঙ্খলে সহযোগিতায় যাওয়া যায়।
ধান, কফি ও ফলের তুলনায় ভিয়েতনামে রসুন ছোট ফসল, চাষ হয় মূলত মধ্য উপকূলীয় ও উত্তরের প্রদেশগুলোতে। এর আবাদি জমি, উৎপাদন, ভোগ ও আমদানির তথ্যও দেশটির হাতে নেই। দেশীয় উৎপাদন কম আর আমদানির কঠিন প্রতিযোগিতায় ভিয়েতনাম আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে, অথচ চাহিদা তাজা রসুন ছাড়িয়ে কালো রসুন, খোসা ছাড়ানো ও শুকনো রসুন, গুঁড়া, কুচি আর রসুনের তেলে ছড়াচ্ছে।
ভিয়েতনামের প্রস্তাবে আছে পরীক্ষামূলক প্রকল্প, যেখানে বড় পরিসরে উৎপাদন, যান্ত্রিকীকরণ, সেচ ও ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় চীনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় জাতের সঙ্গে মেলানো হবে; ফলন, মান, সংরক্ষণকাল ও পোকা প্রতিরোধে যৌথ জাত উন্নয়ন, তবে দেশি জার্মপ্লাজম ও ভৌগোলিক নির্দেশক সুরক্ষিত রেখে; আর প্রক্রিয়াজাত পণ্যে সহযোগিতা। চীনা সরবরাহকারীরা ভিয়েতনামের কারখানায় কাঁচামাল দিতে পারে, যা দেশের বাজারের পাশাপাশি তৃতীয় দেশে রপ্তানিতেও কাজে লাগবে।
দীর্ঘমেয়াদে লি সন দ্বীপের আগ্নেয় মাটিতে জন্মানো লি সন রসুনের মতো দামি জাতের রপ্তানি বাড়াতে চায় ভিয়েতনাম, মান, উৎস শনাক্তকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা ও ব্র্যান্ডিং উন্নত করে। তুলনায় চীনে প্রায় সাড়ে আট লাখ হেক্টরে রসুন চাষ হয়, বছরে উৎপাদন ১ কোটি ৬০ লাখ টনের বেশি, আর রসুন ও এর পণ্য রপ্তানি থেকে বছরে আসে ৩৫০ কোটি ডলারের বেশি।
ছবি: Steve46814 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: AgNavigator





মন্তব্য
(০)