সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৯°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৭৫%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রামে চিঠি ও পার্সেল পৌঁছাতে কেন দেরি হচ্ছে

দূরের ডাকঘর থেকে কম ঘন ঘন ট্রাক ছাড়ার নতুন পরিকল্পনায় গ্রামের অনেক পার্সেলে এক দিন বাড়তি লাগছে বলে মার্কিন ডাক বিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেলের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে; শেষ পর্যন্ত মূল ভূখণ্ডের ৭২ শতাংশ জিপ কোড এর আওতায় আসবে।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রামে চিঠি ও পার্সেল পৌঁছাতে কেন দেরি হচ্ছে
দৈনন্দিন

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রামাঞ্চলের মানুষ কয়েক মাস ধরে অভিযোগ করছেন, যে চিঠি বা পার্সেল আগে দুই দিনে পৌঁছাত, এখন তাতে এক সপ্তাহ লাগছে। আমেরিকান অ্যাগ নেটওয়ার্কের অনুষ্ঠান এগ্রিকালচার অব আমেরিকায় সাপ্লাই চেইন ডাইভের প্রধান প্রতিবেদক ম্যাক্স গারল্যান্ড এই ধীরগতির পেছনে দেখিয়েছেন মার্কিন ডাক বিভাগের (ইউএসপিএস) ১০ বছরের পরিকল্পনা ডেলিভারিং ফর আমেরিকাকে, যার লক্ষ্য সংস্থাকে আর্থিকভাবে টেকসই করা এবং আরও নির্ভরযোগ্যভাবে ডাক পৌঁছানো।

ইউএসপিএসের অফিস অব ইন্সপেক্টর জেনারেলের ৮ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিকল্পনার একটি অংশ রিজিওনাল ট্রান্সপোর্টেশন অপটিমাইজেশন (আরটিও) উদ্যোগ। এর আওতায় আঞ্চলিক প্রক্রিয়াকরণ ও বিতরণ কেন্দ্র থেকে ৫০ মাইলের বেশি দূরের ডাকঘরে ডাক তোলা ও নামানো একত্র করা হয়েছে। সেখান থেকে ট্রাক এখন কম ঘন ঘন ছাড়ে, প্রতিবারে বেশি মাল নিয়ে যায়, ফলে ওইসব ডাকঘর থেকে পাঠানো পার্সেলে এক দিন বাড়তি লাগে। ডাক বিভাগ বলছে, এতে পরিবহন খরচ কমে এবং বড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সেবা দ্রুতও হতে পারে; তবে তারাও মেনে নিয়েছে যে গ্রামের বেশি গ্রাহকের ডাক দ্রুত নয়, বরং ধীরে পৌঁছাবে।

পরিধি বিশাল। ইন্সপেক্টর জেনারেল দেখেছেন, মূল ভূখণ্ডের ৭২ শতাংশ জিপ কোড শেষ পর্যন্ত আরটিওর আওতায় আসবে, যেখানে দেশের ৪৮ শতাংশ মানুষ থাকেন এবং বাইরে পাঠানো পার্সেলের ২৯ শতাংশ যায়। লুইজিয়ানা, সাউথ ডাকোটা, ভারমন্ট, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ও ওয়াইওমিংয়ের সব জিপ কোডই এর মধ্যে পড়বে। মাত্র ১৫৭ মাইল লম্বা ও ৯০ মাইল চওড়া ভারমন্টে রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ফার্স্ট-ক্লাস চিঠি পৌঁছানোর মান দুই দিন থেকে বাড়িয়ে চার দিন করা হয়েছে।

২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রায়োরিটি মেইল ও গ্রাউন্ড অ্যাডভান্টেজের মতো সেবায় আরটিওর আওতাধীন জিপ কোডে সময়মতো ডেলিভারির হার গড়ে অন্য এলাকার চেয়ে কম ছিল। প্রতিবেদন বলছে, ২০২১ সাল থেকে ডাক বিভাগ পরিবহন খাতে প্রায় ৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার খরচ কমিয়েছে, কিন্তু তার আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়নি, সেবার মান কমেছে এবং সবচেয়ে বেশি টের পাচ্ছে গ্রামীণ জনপদ। সেবাকে অন্যায্য মনে করা গ্রাহকদের হারানোর ঝুঁকির কথাও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

যেসব কৃষক ও খামারি টাকা পাওয়া, যন্ত্রাংশ, বীজের অর্ডার, আইনি নোটিশ ও ওষুধের জন্য ডাকের ওপর নির্ভর করেন, অনুষ্ঠানটির পরামর্শ, তাঁরা যেন ডেলিভারির জন্য বাড়তি সময় হাতে রাখেন। গারল্যান্ড মনে করিয়ে দেন, স্থানীয় ডাকপিয়নেরা ওপর থেকে ঠিক করা নিয়মের মধ্যেই কাজ করছেন। ডাক বিভাগ জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সেবা উন্নত করার উপায় তারা খতিয়ে দেখছে।

ছবি: টনি ওয়েবস্টার / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

সূত্র: American Ag Network

American Ag Networkসূত্র

দৈনন্দিন

সম্পর্কিত খবর

দৈনন্দিন

সেক্টর ফাইভের ফুটপাথে উনুন জ্বালানো বন্ধ, বিপাকে খাবারের দোকানিরা

সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে এনডিআইটিএ-র নিষেধাজ্ঞায় ফুটপাথে রান্না বন্ধ; ৯৭৩টি দোকানের ৯০ শতাংশই খাবারের, বাড়ি থেকে আনা ঠান্ডা খাবারে ক্রেতা কমছে, নষ্টও হচ্ছে।

এই সময়২ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
দৈনন্দিন

মাস শেষে হাত খালি? সংসারের খরচ সামলে সঞ্চয়ের ১০ উপায়

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় সীমিত আয়ে সঞ্চয় কঠিন হলেও মাসের শুরুতে বাজেট, অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা বাদ, ছাড়ের সময় মজুত আর আয় হাতে পেয়েই একটা অংশ সরিয়ে রাখার মতো অভ্যাসে কিছু টাকা জমানো যায়।

বাংলাভিশন১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

নোয়াখালীর ১০টির বেশি রেস্তোরাঁ এখন রোজ খাবার অপচয়ের হিসাব রাখবে

খাদ্যক্ষয় ও অপচয় বিষয়ক আন্তর্জাতিক সচেতনতা দিবসে মাইজদীর সভায় ১০টির বেশি হোটেল-রেস্তোরাঁ প্রতিদিনের অপচয়ের হিসাব ভোক্তাদের সামনে দৃশ্যমান রাখার উদ্যোগ নিয়েছে; এসব প্রতিষ্ঠানে দিনে ৫০ কেজি বা তার বেশি খাবার নষ্ট হয়।

চ্যানেল আই অনলাইন১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)