যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিজমিতে বিদেশি মালিকানা খুবই কম এবং তা মূলত বাণিজ্যিক বনভূমিতে কেন্দ্রীভূত; সবচেয়ে বড় বিদেশি মালিক কানাডা। ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও ভোক্তা অর্থনীতি বিভাগের ব্রুস শেরিক ও জুও-হান সাইয়ের নতুন বিশ্লেষণের বরাতে Farms.com এ খবর দিয়েছে।
গবেষকেরা ব্যবহার করেছেন অ্যাগ্রিকালচারাল ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ডিসক্লোজার অ্যাক্ট (এএফআইডিএ)-এর তথ্য; ১৯৭৮ সাল থেকে এই আইনে বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মার্কিন কৃষিজমিতে তাদের স্বার্থ জানাতে হয়, সর্বশেষ হিসাব ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিদেশিদের নথিভুক্ত স্বার্থ প্রায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ একরে, তবে এর মধ্যে বনভূমি, চারণভূমি, ফসলি জমি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি ইজারাও আছে। দেশের মোট খামারজমির তুলনায় বিদেশি মালিকানাধীন জমি প্রায় ০.৬৭ শতাংশ।
চিহ্নিত বিদেশি মালিকানাধীন কৃষিজমির প্রায় ৮৯ শতাংশই বাণিজ্যিক বনভূমি। শীর্ষে কানাডা, এরপর সিঙ্গাপুর, লুক্সেমবার্গ, ডেনমার্ক, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি ও সুইজারল্যান্ড। চীনা নাগরিকদের সরাসরি মালিকানা মোটের সামান্য অংশ, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ধরলেও তা তুলনামূলক কম।
রাজ্য হিসেবে বিদেশি মালিকানাধীন কৃষিজমিতে শীর্ষে টেক্সাস, এরপর মিশিগান, ওরেগন, আলাবামা ও মেইন, বেশির ভাগই গাল্ফ সাউথ, প্যাসিফিক নর্থওয়েস্ট, আপার গ্রেট লেকস ও নিউ ইংল্যান্ডের মতো কাঠ উৎপাদনকারী অঞ্চলে। অন্যদিকে কর্ন বেল্ট ও প্লেইনস অঞ্চলে বিদেশি স্বার্থ বেশির ভাগ বায়ু ও সৌরবিদ্যুতের দীর্ঘমেয়াদি ইজারা। মালিকানার বড় অংশ কর্পোরেশন ও সীমিত দায়ের কোম্পানির।
টিআইএএ সেন্টার ফর ফার্মল্যান্ড রিসার্চ কাউন্টিভিত্তিক একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ মানচিত্র তৈরি করেছে, যাতে দেখা যায় বিদেশি মালিকানাধীন জমি কোথায়, কোন দেশের এবং কী কাজে ব্যবহৃত। গবেষকদের মতে, মালিকানার নথি ও জমি ব্যবহারের তথ্যভিত্তিক বোঝাপড়া এই বিতর্কে সহায়ক।
ছবি: Altairisfar / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)