সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৪°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস কিমি/ঘ

নানা গুণে ভরপুর হাতিশুঁড়

নামটা শুনে অন্যরকম মনে হয়—গাছের নাম 'হাতিশুঁড়'। পুরোনো দালান ঘেঁষে কিংবা রাস্তার ধারে অন্য আগাছার মাঝে এ গাছটি দেখা যায়। এ গাছের বাঁকানো পুষ্পদণ্ডে ফুটে থাকে সাদা সাদা ফুল। গজদন্ত অর্থাৎ হাতির দাঁতের মতো শুভ্র এই ফুল।

পরিবেশ

নামটা শুনে অন্যরকম মনে হয়—গাছের নাম 'হাতিশুঁড়'। পুরোনো দালান ঘেঁষে কিংবা রাস্তার ধারে অন্য আগাছার মাঝে এ গাছটি দেখা যায়। এ গাছের বাঁকানো পুষ্পদণ্ডে ফুটে থাকে সাদা সাদা ফুল। গজদন্ত অর্থাৎ হাতির দাঁতের মতো শুভ্র এই ফুল।

গাছটি আগাছার সঙ্গে এখানে-সেখানে জন্মায়, তাই সাধারণের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। মোটামুটি এক-দেড় ফুট লম্বা হয়। গাছের কাণ্ড ফাঁপা, নরম। সারাদেহে ছোট ছোট রোম আছে। গাছের ওপরের দিকের কাণ্ড চৌকো, নিচের দিকে অপেক্ষাকৃত গোলাকার।

এর সংস্কৃত নাম শ্রীহস্তিনী। বৈজ্ঞানিক নাম Heliotropium indicum এবং ইংরেজিতে 'Indian heliotrope' বলা হয়। হাতিশুঁড়ি, হাতিশুণ্ডি, হস্তিশুণ্ডি, শ্রীহস্তিনী, মহাশুণ্ডি ইত্যাদি স্থানীয় নামেও পরিচিত। হাতিশুঁড় Boraginaceae পরিবারের অর্ন্তভুক্ত।

এতে সারাবছরই ফুল ফোটে। তবে বর্ষাকালে বেশি ফুটতে দেখা যায়। গর্ভাশয় চারখণ্ডিত। ফল ও বীজ ছোট। এই উদ্ভিদে ইনডিসিন, পাইরোলিজিডিন এলকালয়েড্স ও হেলিওট্রিন নামক নানারকম জৈব উপাদান পাওয়া যায়। পাতা খসখসে, একের বিপরীত অন্য পাতাটির অবস্থান। ডালের নিচের দিকের পাতা বড়, পত্রবৃন্ত লম্বা। বড় পাতাগুলো দেখতে বর্শার ফলার মতো। পাতাগুলো আঙুল দিয়ে ঘঁষলে গন্ধ পাওয়া যায়।

হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা

১. বিষাক্ত কোনো পোকার কামড়ে শরীরের কোনো স্থান ফুলে গেলে এবং সে স্থানে জ্বালাপোড়া হলে এ উদ্ভিদের পাতা বেটে রস লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন

২. আঘাতজনিত ফোলায় পাতা বেটে অল্প গরম করে লাগালে ফোলা এবং ব্যথা কমে যায়।

৩. ঠান্ডা লেগে হাতে পায়ের গাঁট ফুলে গেলে বা বাগী ফোলা অর্থাৎ উরু ও তলপেটের মাঝখানে, কুচকির ডান ও বাম দিকে যে কোনো দিক ফুলে গেলে এ গাছের পাতা বেটে হালকা গরম করে আক্রান্ত জায়গায় লাগালে ফোলা ও ব্যথা কমে যায়।

৪. দেহে ছত্রাকজনিত সংক্রমণে লাল চাকা চাকা দাগ নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়।

৫. কোনো কারণে চোখ টকটকে লাল হলে, কড় কড় করছে, মনে হচ্ছে বালি পড়েছে—এমনটা হলে হাতিশুঁড় গাছের পাতার রস অব্যর্থ ওষুধ।

৬. সর্দি লাগলে এর পাতা ছেঁচে দুই চামচ পরিমাণ রস খেলে সর্দি ভালো হবে।

৭. অ্যাকজিমা থেকে মুক্তি পেতে হাতিশুঁড় গাছের পাতা থেতলে আক্রান্ত স্থানে দিলে কিছুদিন ব্যবহারে অ্যাকজিমা সেরে যাবে।

৮. টাইফয়েড রোগে এর পাতা হতে পারে কার্যকরী সমাধান। পাতার রস হালকা গরম করে পানিতে মিশিয়ে খেলে টাইফয়েড ভালো হয়।

আরও পড়ুন

৯. দাঁতের মাড়ি ফোলা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হাতিশুঁড়ের মূল চিবালে মাড়ি ফোলা কমে যায়।

১০. ব্রণ হলে বা এর দাগ হয়ে গেলে হাতিশুঁড় গাছের পাতা ও তার কচি ডাল থেঁতো করে দুপুরে গোসল করতে যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে ব্রণের ওপর প্রলেপ দিলে ব্রণ সারে এবং নতুন করে আর ব্রণ হয় না।

১১. জ্বর ও কাশিতে এই গাছের মূল পানির সঙ্গে ফুটিয়ে ব্যবহার করা হয়।

১২. কাটা, ছেঁড়া ও আঘাত প্রশমনে এই গাছের ব্যবহার রয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

ফসল

আবাদি জমির মাত্র ১২ শতাংশে বিশ্বের অর্ধেক ক্ষুদ্র কৃষকই ২০৫০-এ বাড়তি ১৫০ কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারেন: নতুন বই

‘হোল আর্থ ফার্মিং’ বইয়ে হাইতির স্মলহোল্ডার ফার্মার্স অ্যালায়েন্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা হিউ লক (Hugh Locke) যুক্তি দিয়েছেন, গ্লোবাল সাউথের ৪৭ কোটি ৫০ লাখ ক্ষুদ্র খামারের প্রায় ২৪ কোটিকে পুনরুৎপাদনশীল কৃষি ও কৃষিবনায়নে নিলে ২০৫০ সালের বাড়তি খাদ্যচাহিদার পুরোটা মেটানো যাবে, মাটি ফিরবে, আর বছরে ০.৭২ গিগ

ডাউন টু আর্থ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

রেকর্ড শক্তিশালী এল নিনো আসছে, তবু অস্ট্রেলিয়ায় খরা অনিবার্য নয়: আবহাওয়া ব্যুরো

মডেল বলছে চলতি এল নিনো ১৯৮২–৮৩-কে ছাড়িয়ে যেতে পারে, মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের ৩ ডিগ্রির বেশি ওপরে উঠতে পারে; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ব্যুরো অব মিটিওরোলজির ব্যাখ্যা, আপাতত নিরপেক্ষ ভারত মহাসাগর দ্বিমেরু, উষ্ণ সাগর ও দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণায়নও বসন্ত-গ্রীষ্ম গড়ে দেবে; জলাধা

Beef Central২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ভেড়া-গরুর খামারে লুকানো দেশি গাছপালা খুঁজে দিচ্ছে ড্রোন: ব্যাংকস পেনিনসুলার কৃষক-গড়া ট্রাস্ট

২০০১ সালে কৃষকদের গড়া ব্যাংকস পেনিনসুলা কনজারভেশন ট্রাস্ট (Banks Peninsula Conservation Trust) ড্রোনের ছবি, পায়ে হেঁটে জরিপ ও ই-ডিএনএ পরীক্ষা মিলিয়ে চতুর্থ প্রজন্মের কৃষক টিম কুপের মতো জমির মালিকদের দেখাচ্ছে তাঁদের ১,৬০০ হেক্টরের পাহাড়ি খামারে কোন দেশি গাছপালা টিকে আছে—আর ফেব্রুয়ারির বন্যার পর

Farmers Weekly NZ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()