অনেক কৃষক সস্তায় ফসফরাস কিনে পরের জন্য মাটিতে জমা রাখেন, এই যুক্তিতে যে নাইট্রোজেনের মতো এটি সরে যায় না। South Dakota State University-র অর্থনীতিবিদ ও কৃষিবিদরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, মধ্য ও পশ্চিম সাউথ ডাকোটার ক্ষারীয় মাটিতে সেই যুক্তি খাটে কি না; আপাতত উত্তর, না।
SDSU এক্সটেনশনের টেকসই খামার ও খাদ্যব্যবস্থা বিশেষজ্ঞ Sarah Sellars (সারা সেলার্স) এবং Evelyn Prempeh, Whoi Cho, Jason Clark ও Clarence Winter-এর গবেষণায় পিয়েরের কাছে Dakota Lakes Research Farm-এর গড় pH 7.7-এর একটি জমির চার বছরের ভুট্টা ও সয়াবিন তথ্য ব্যবহার হয়েছে। pH 7-এর ওপরের মাটিতে ফসফরাস ক্যালসিয়ামের সঙ্গে এমন যৌগ বাঁধে যা ফসল সহজে নিতে পারে না; পরীক্ষায় দেখা গেছে প্রয়োগ করা ফসফরাসের প্রায় ৪৫ শতাংশই কেবল পরের বছরে টিকে থাকে।
তিনটি কৌশল তুলনা করা হয়: কোনো ফসফরাস নয়, বপনের সময় ছোট একটি স্টার্টার ব্যান্ড, এবং স্টার্টারের সঙ্গে মাটি-পরীক্ষার মাত্রা বাড়িয়ে বজায় রাখার বাড়তি সার। মাটি গড়ায় পরীক্ষার মান বেড়েছে বটে, তবে সামান্য; বাড়তি সারের খরচ তার কেনা ফলনের চেয়ে বেশি। কিছু না দেওয়া সবচেয়ে খারাপ: ফসলের সঙ্গে ফসফরাস বেরিয়ে মাটির মজুত কমে শেষে ফলনও কমেছে।
বীজের কাছে একরে ১৮ পাউন্ড P2O5-এর স্টার্টার ব্যান্ডই সবচেয়ে লাভজনক, কারণ মাটি আটকে ফেলার আগেই পুষ্টি চারায় পৌঁছায়। P2O5-এর পাউন্ডপ্রতি ০.৬৮ ও ০.৮৫ ডলার দুই দামে এবং চার ও দশ বছরের পরিকল্পনা-দিগন্তে এটি শীর্ষে থেকেছে। ২০২৫ সালে ভুট্টা ও সয়াবিন সাউথ ডাকোটার কাটা জমির প্রায় ৬৯ শতাংশ জুড়ে ছিল।
লেখকরা সীমাবদ্ধতা নিয়ে সতর্ক: একটি উচ্চ-pH স্থান, একটি আবর্তন, আর গ্রহণ, ফলন-সাড়া ও ডিসকাউন্ট হারের অনুমাননির্ভর ফল। তাঁদের পরামর্শ: মাটি পরীক্ষা করুন এবং শুধু সারের দাম নয়, সংখ্যাকে ঠিক করতে দিন মজুত গড়বেন কি না। SDSU এক্সটেনশনের সার সুপারিশ অনলাইনে আছে।
ছবি: USDA NRCS South Dakota / উইকিমিডিয়া কমন্স (Public domain)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)