সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩৬°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৪৬%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

মতামত: খেতের ওপর সৌর প্যানেল হতে পারে কৃষকের 'তৃতীয় ফসল', বলছেন অশোক গুলাটি

ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের এক কলামে আইসিআরআইইআরের অশোক গুলাটি ও শুভদীপ বসু পিএম-কুসুম প্রকল্পে অ্যাগ্রিভোল্টাইক্সের জন্য মূলধন ভর্তুকি, কৃষিজমিতে মাটিতে বসানো সৌরপ্রকল্প নিষিদ্ধ করা এবং অপারেশন ফ্লাডের আদলে সৌর সমবায়ের প্রস্তাব দিয়েছেন।

মতামত

ভারতের ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর রিসার্চ অন ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক রিলেশনসের (আইসিআরআইইআর) বিশিষ্ট অধ্যাপক অশোক গুলাটি (Ashok Gulati) ও গবেষণা ফেলো শুভদীপ বসু (Subhodeep Basu) দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসে এক কলামে লিখেছেন, ভারতের সৌরবিদ্যুতের জোয়ার এখনো কৃষকের খামার পর্যন্ত পৌঁছায়নি; কীভাবে কৃষক এর ভাগ পেতে পারেন, সে পথও দেখিয়েছেন তাঁরা। মতামত লেখকদের নিজস্ব।

লেখকেরা জানান, ১২ বছর আগে ভারতের স্থাপিত সৌর সক্ষমতা ছিল ২.৮২ গিগাওয়াট, গত মাসে তা ১৬৮.০৪ গিগাওয়াটে পৌঁছেছে; চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পর ভারত এখন তৃতীয়। এর প্রায় ৭৪ শতাংশ বড় আকারের বিদ্যুৎকেন্দ্র, প্রায় ২০ শতাংশ ছাদে বসানো, যেখানে পিএম সূর্য ঘর প্রকল্পে ৩ কিলোওয়াটের ব্যবস্থায় পরিবার কেন্দ্রীয় ভর্তুকি পায় ৭৮ হাজার রুপি, আর প্রায় ৬ শতাংশ গ্রিডের বাইরের বা মিশ্র প্রকল্প।

তাঁদের মতে, সরকার যেখানে এখনো সফল হয়নি তা হলো পিএম-কুসুম প্রকল্প; এর উপাদান-ক-তে কৃষক নিজের জমিতে ২ মেগাওয়াট পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র বসাতে পারেন, কিন্তু কোনো ভর্তুকি নেই। তাঁরা উপাদান-ক-তে মূলধন ভর্তুকি, খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে সংঘাতের কারণে কৃষিজমিতে মাটিতে বসানো সৌরপ্রকল্প নিষিদ্ধ করা এবং এর বদলে অ্যাগ্রিভোল্টাইক্স চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন: প্রায় ১১ ফুট উঁচুতে এমন দূরত্বে প্যানেল বসানো, যাতে নিচের জমিতে পুরোপুরি চাষ করা যায়।

লেখকেরা আইসিআরআইইআরের একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্পের উদাহরণ দেন: রাজস্থানে ৬০০ কিলোওয়াটের একটি পিএম-কুসুম-ক কেন্দ্র, যার অর্থায়ন হয়েছে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ১ কোটি ৪০ লাখ রুপির ঋণ, কৃষকদের ৬০ লাখ রুপি এবং কোটাক মাহিন্দ্রার সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের ৩৫ লাখ রুপিতে। তাঁদের হিসাবে এতে গম ও বাজরা থেকে একরপ্রতি প্রায় ৪০ হাজার রুপির আয় বিদ্যুৎ বিক্রি ও ছায়াসহিষ্ণু উদ্যানফসল মিলিয়ে প্রায় ৪ লাখ রুপিতে উঠেছে।

তাঁরা বিদ্যুৎ ভর্তুকির প্রসঙ্গও তোলেন। কৃষিতে বছরে প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার গিগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ লাগে; সিএজির প্রতিবেদনের বরাতে তাঁরা লেখেন, সরবরাহের গড় খরচ ইউনিটপ্রতি প্রায় সাড়ে ৮ রুপি, কৃষি গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় হয় প্রায় ১ রুপি, আর বছরে ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি রুপির ভর্তুকির প্রায় ৮৫ শতাংশই কৃষির। সরবরাহ খরচের প্রায় অর্ধেক, ইউনিটপ্রতি সাড়ে ৪ রুপির বিদ্যুৎ কেনার দাম ঠিক করলে বাড়তি ব্যয় ছাড়াই প্রকল্প লাভজনক হবে বলে তাঁদের যুক্তি।

সবশেষে তাঁরা চান, পিএম সূর্য ঘরের জন্য ৮২ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন দেওয়া বিশ্বব্যাংক অপারেশন ফ্লাডের দুগ্ধ সমবায়ের আদলে সৌর সমবায়ে অর্থায়ন করুক, আর কৃষক ও কৃষক উৎপাদক কোম্পানি অগ্রাধিকার খাতের সুদে ঋণ পাক, যাতে সৌরবিদ্যুৎ কৃষকের 'তৃতীয় ফসল' হয়ে ওঠে।

ছবি: UC Davis College of Engineering / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

সূত্র: Financial Express Agriculture

ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসদা এগ্রো নিউজ

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

মতামত: নিউইয়র্কের জলবায়ু আলোচনা আর বাংলাদেশের ক্ষতির দাম কে দেবে

প্রথম আলোর সাংবাদিক মোছাব্বের হোসেন নিউইয়র্কে জলবায়ু অর্থনীতি নিয়ে এক ফেলোশিপের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন, দুর্যোগের দৃশ্যমান ক্ষতির আড়ালে থাকা অর্থ, বীমা ও বিনিয়োগের প্রশ্নই বাংলাদেশের জন্য আসল প্রশ্ন।

প্রথম আলো২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

সুপারবাগ ঠেকাতে সাবানই যথেষ্ট নয়: ওয়ান হেলথ পদ্ধতির তাগিদ

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ডার্বির গবেষক মো. মামুন-উর-রশিদ লিখেছেন, হাত ধোয়া সহজ ও সস্তা সুরক্ষা হলেও সুপারবাগ মোকাবিলায় দরকার অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল ব্যবহার, ফার্মেসি নিয়ন্ত্রণ, প্রাণী ও মৎস্য খাতে নজরদারি এবং পরিবেশ সুরক্ষা একসঙ্গে।

প্রথম আলো২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: কৃষি ও খামারভিত্তিক পর্যটনে কৃষকের আয়ের নতুন দুয়ার

শরিফুল ইসলাম রনি লিখেছেন, ইতালি, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মতো বাংলাদেশেও কৃষি পর্যটন একই জমি থেকে কৃষকের কয়েকটি আয়ের পথ খুলতে পারে, তবে শর্ত হলো কৃষি আগে, পর্যটন পরে।

ডেইলি বাংলাদেশ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)