ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় সার-কীটনাশকের দোকানির পরামর্শে ওষুধ ছিটিয়ে ৭ বিঘা জমির ধান হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন তৈয়ব আলী নামে এক কৃষক। ওষুধ দেওয়ার পরদিন থেকেই তাঁর ক্ষেতের ধানগাছে পচন ও বিরূপ লক্ষণ দেখা দেয়; এখন গাছগুলো লাল হয়ে গেছে।
কৃষি সময় জানায়, উপজেলার মধুপুর ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় ৭ বিঘা জমি লিজ নিয়ে ধান চাষ করেছিলেন তৈয়ব আলী। পাশের জমিতে নানা রোগবালাই দেখা দেওয়ায় তিনি স্থানীয় কালীতলা এলাকার কীটনাশক দোকান হবিবর ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী হবিবরের কাছে যান।
দোকানির পরামর্শে তাঁকে সেতারা, এমিস্কোর, কোটান ও লুপিন প্লাস নামের কয়েকটি কীটনাশক দেওয়া হয়, যা তিনি নিজের জমিতে স্প্রে করেন। পরদিন থেকেই ধানগাছে ক্ষতির লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক তৈয়ব আলী বলেন, ‘কোম্পানির প্রতিনিধির কথা শুনে ওষুধ দিয়ে আজ আমার ৭ বিঘা জমির ধান নষ্ট হওয়ার পথে। জমি লিজ নিয়ে অনেক কষ্ট করে চাষাবাদ করেছিলাম। এখন আমি নিঃস্ব হতে বসেছি।’
রুহিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নাসিরুল আলম জানিয়েছেন, তিনি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত পরিদর্শনে যাবেন, ক্ষতির কারণ নির্ধারণ করবেন এবং কৃষককে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবেন।
ঘটনাটি আবারও মনে করিয়ে দেয়, রোগ বা পোকা শনাক্ত না করে কয়েক ধরনের কীটনাশক একসঙ্গে প্রয়োগ করলে ফসলের ক্ষতি হতে পারে; ওষুধ কেনার আগে উপজেলা কৃষি অফিস বা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নেওয়াই কৃষকের জন্য নিরাপদ।
প্রতিবেদন: কৃষি সময় ডেস্ক।
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)