যুক্তরাষ্ট্রের মন্টানা অঙ্গরাজ্যের রাউনডাপের কাছে গবাদিপশুর খামার (র্যাঞ্চ) চালান সত্তরের কোঠার শেষ দিকের বিল মিলটন। অনেক কৃষক পরিবারের মতো তিনিও উত্তরাধিকারের প্রশ্নে পড়েছেন: তাঁর তিন সন্তানই খামারের মালিকানা রাখতে চান, কিন্তু সবাই অন্য পেশায় প্রতিষ্ঠিত। তাহলে খামার চালাবে কে?
নর্দান অ্যাগ নেটওয়ার্ককে মিলটন বলেন, কৃষিতে জীবন গড়তে চায় এমন তরুণকে কীভাবে খুঁজে পাওয়া যায় এবং সেটা সার্থক করতে কী শিখতে হবে, সেটাই তাঁরা বুঝতে চেয়েছেন। তাঁর কাছে উত্তর কোনো বেতনভুক্ত কর্মী নয়, বরং এমন কেউ যিনি খামারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠবেন এবং একসময় মালিকানার অংশীদার হবেন।
তাঁর মতে, তরুণদের সবচেয়ে বড় বাধা প্রবেশের খরচ: পারিবারিক খামার বা পুঁজি ছাড়া জমি, পশু, যন্ত্রপাতি ও পরিচালন খরচ জোগাড় করা কঠিন। তবু সঠিক সুযোগ পেলে সফল হওয়ার উদ্যম ও সামর্থ্য আছে এমন তরুণ অনেক। মিলটন বলেন, পরিবারের সবার সঙ্গে সমানভাবে ব্যবসা চালাতে হলে তাঁদের বেতনের চেয়ে বেশি কিছু দরকার; মালিকানার অংশই তাঁদের নতুন করে ভাবতে আর ব্যবসা বড় করতে উৎসাহ দেয়।
সঠিক মানুষ পাওয়া সহজ নয়। পরিবারকে ব্যক্তিত্ব, দক্ষতা, দায়িত্ব এবং বিদ্যমান পারিবারিক ব্যবসায় নতুন অংশীদার কীভাবে মানিয়ে নেবেন, সব বিবেচনা করতে হয়। মিলটনের মতে, ঘরে উত্তরসূরি থাকলেও উত্তরাধিকার পরিকল্পনায় বাইরের সাহায্য লাগে, কারণ এর অনেক দিক রয়েছে।
তাঁর লক্ষ্য মন্টানার পারিবারিক র্যাঞ্চের সংস্কৃতি রক্ষা, খামার লাভজনক রাখা, ঘাসজমি ও পশুর যত্ন নেওয়া এবং তরুণদের এই পেশায় আনা। এর জন্য সবার সহযোগিতা এবং মালিকানা ও ব্যবসার কাঠামোয় নতুন ভাবনা দরকার বলে মনে করেন তিনি। তাঁর কথায়, সৃজনশীল উপায়ে সুযোগের পরিধি বাড়াতে হবে, যাতে আরও তরুণ এই ব্যবসায় আসতে পারেন।
প্রতিবেদনটি নর্দান অ্যাগ নেটওয়ার্কের কোল্টার ব্রাউনের।
ছবি: টিম ইভানসন / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
সূত্র: Northern Ag Network





মন্তব্য
(০)