কৃষি গবেষণায় আরও ডিজিটাল টুলের চেয়ে বেশি দরকার বিদ্যমান টুলগুলোকে একসঙ্গে জোড়া লাগানো। সিজিআইএআরের প্রকাশিত এক স্বাক্ষরিত লেখায় এমন যুক্তি দিয়েছেন সংস্থার ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন অ্যাক্সিলারেটরের পরিচালক রাম কিরণ ধুলিপালা (Ram Kiran Dhulipala), ইক্রিস্যাট ও ইরি সফরের পর। মতামত লেখকের নিজস্ব।
ধুলিপালা লিখেছেন, গবেষণাকেন্দ্রগুলো ইতিমধ্যে কৃষিভিত্তিক বড় ভাষা মডেল, ছবিভিত্তিক বিমা ও ঋণের অ্যাপ, এআই-যুক্ত তথ্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করছে, কিন্তু এসব উদ্যোগ প্রায়ই বিচ্ছিন্ন। তিনি সিজিআইএআরের প্রধান বিজ্ঞানী সান্দ্রা মিলাখের 'সিটি ম্যাপ' ধারণার কথা বলেন: শহর যেমন রাস্তা, বিদ্যুৎ ও পানির অবকাঠামো আর সংযোগের মানদণ্ড দেয়, তেমনি সিজিআইএআরকে দিতে হবে অভিন্ন ডিজিটাল অবকাঠামো, মানদণ্ড ও সংযোগ ব্যবস্থা, যার ওপর দলগুলো নিজেদের টুল গড়বে।
উদাহরণ হিসেবে তিনি গুগল ডট অর্গ ও গুগল রিসার্চের সঙ্গে একটি প্রকল্পের কথা বলেন, যেখানে সিজিআইএআরের নয়টি প্রজনন কেন্দ্রের জন্য ডিজিটাল ফেনোটাইপিংয়ের এআই মডেল তৈরি হচ্ছে; উদ্দেশ্য প্রজননবিদদের ভালো সিদ্ধান্ত নিতে ও উন্নত জাত দ্রুত ছাড়তে সাহায্য করা। কিন্তু মডেলটি কাজ করবে কেবল মাঠ থেকে একই মানদণ্ডে আসা তথ্যে, তাই ১২টি অগ্রাধিকার ফসল ও ৫০০-র বেশি গবেষণা স্টেশনে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ এক মানে আনাই অ্যাক্সিলারেটরের কাজ।
তিনি জানান, ডিজিটাল কাজে আগ্রহ এখন সব শাখা থেকে আসছে: ২০২৭ সালের পরিকল্পনায় অ্যাক্সিলারেটরের নির্ধারিত ১২টি বিষয়ভিত্তিক ক্ষেত্রের সবগুলোতেই প্রস্তাব এসেছে, প্রজনন ও বীজ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে এনআইআর স্পেকট্রোস্কোপি ব্যবহারকারী ফেনোটাইপিং দল পর্যন্ত।
তাঁর শেষ শিক্ষা মানুষকে নিয়ে: রূপান্তর কেন্দ্রীয়ভাবে নকশা করে গবেষকদের হাতে তুলে দেওয়া যায় না, তাঁদের সঙ্গে মিলেই গড়তে হয়। ধুলিপালার উপসংহার, সিজিআইএআরকে ডিজিটাল রূপান্তর শুরু করতে হবে না, উদ্ভাবন ইতিমধ্যে আছে; এখন কাজ সেগুলোকে যুক্ত করে বড় পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়া।
ছবি: সিজিআইএআর ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন অ্যাক্সিলারেটর
সূত্র: CGIAR





মন্তব্য
(০)