রাঙামাটির পাহাড়ে এখন বাণিজ্যিকভাবে মাল্টার চাষ হচ্ছে, আর এবার ফলনও হয়েছে ভালো। কৃষি সময়ের রাঙামাটি প্রতিনিধির তথ্য অনুযায়ী, জেলায় প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হেক্টর জমিতে মাল্টার বাগান গড়ে তুলেছেন কৃষকেরা; হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হচ্ছে ১২ মেট্রিক টন। এসব মাল্টা বিক্রি করে চাষিরা ৪ থেকে ৫ কোটি টাকার বেশি আয় করেছেন।
রাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর, কাউখালী ও বাঘাইছড়ি উপজেলায় ব্যাপক হারে চাষ হচ্ছে বারি মাল্টা-১ জাত, যা কাঁচা অবস্থায় হালকা সবুজ আর পাকলে গাঢ় সবুজ হয়। শুকরছড়ি গ্রামের অনেক চাষি মাল্টায় সফল হয়েছেন, ফলে পাহাড়ের কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে।
একসময় এসব পাহাড়ে অল্প কিছু ফসল হতো, যাতে কৃষকের তেমন লাভ হতো না। এখন সেখানে উচ্চমূল্যের ফল চাষ হচ্ছে। চাষিদের দাবি, পাহাড়ের মাল্টা মিষ্টি ও রসালো হওয়ায় দেশজুড়ে চাহিদা রয়েছে; রাঙামাটি ছাড়িয়ে এসব মাল্টা যাচ্ছে ঢাকা ও চট্টগ্রামে।
মাল্টাচাষি হেম কুমার চাকমা বলেন, পাহাড়ের মাটি ও আবহাওয়া উপযুক্ত হওয়ায় এবার চাষিরা সফল; কম খরচে ফলন বেশি হওয়ায় লাভও বেশি।
রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিনরুজ্জামান বলেন, কৃষি বিভাগ মাল্টাচাষিদের সহযোগিতা করছে। পাহাড়ি জমিতে মাল্টা চাষ বাড়াতে কৃষকদের মধ্যে চারা বিতরণ করে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
ছবি: Javier martin / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: কৃষি সময়





মন্তব্য
(০)