লেটুসচাষিদের জন্য আধুনিক একটি সিদ্ধান্ত সহায়ক ব্যবস্থা (ডিএসএস) তৈরিতে কেবেকের সবজিচাষিদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন দে প্রোদুক্তর মারেশে দু কেবেক (এপিএমকিউ)-কে ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬২ ডলার পর্যন্ত দেবে কানাডা সরকার। সাসটেইনেবল কানাডিয়ান অ্যাগ্রিকালচারাল পার্টনারশিপের অ্যাগ্রিসায়েন্স কর্মসূচির আওতায় এ অর্থ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফার্মস ডটকম।
ব্যবস্থাটি বাণিজ্যিক চাষের মাঠ থেকে সংগ্রহ করা ফসলের তথ্যের সঙ্গে আবহাওয়ার পূর্বাভাস মেলাবে। এতে কাজে লাগানো হবে কৃষি ও কৃষি-খাদ্য কানাডার (এএএফসি) গবেষকদের তৈরি দূর-সংবেদন (রিমোট সেন্সিং) প্রযুক্তি এবং কানাডার এগ্রিটেক কোম্পানি ইনঅপটেকের বাণিজ্যিক ফসল-তথ্য প্ল্যাটফর্ম ভেজফোরকাস্টের (VegForecast) তথ্য। আবহাওয়া আর ফসল পর্যবেক্ষণ একসঙ্গে দেখে কৃষকেরা ফসলের বৃদ্ধি বুঝতে, কাজের পরিকল্পনা করতে এবং ফসল তোলার সেরা সময় বেছে নিতে পারবেন।
এর ভিত্তি এএএফসির আগের গবেষণা, যেখানে ড্রোনের ছবি বিশ্লেষণ করে লেটুসের বৃদ্ধি মাপা ও ফসল তোলার সেরা তারিখ অনুমানের একটি টুল তৈরি হয়েছে। বাণিজ্যিক চাষের পরিস্থিতিতে এই প্রযুক্তি অন্তত দুই সপ্তাহ আগে ফসল তোলার পূর্বাভাস দিতে পারে, ফলে কৃষকেরা পরিকল্পনার জন্য বেশি সময় পান।
প্রকল্পের বড় লক্ষ্য শ্রমিক সংকট সামলানো: ফসল ও ফসল তোলার নির্ভুল পূর্বাভাস থাকলে উৎপাদকেরা শ্রমিক ও অন্যান্য সম্পদ ভালোভাবে ভাগ করতে ও খরচ কমাতে পারবেন, আর ঠিক সময়ে ফসল তুললে খাদ্য অপচয়ও কমবে। প্রকল্প চলাকালে চাষিরা মতামত দিয়ে পূর্বাভাস টুলগুলো উন্নত করবেন। কানাডার কৃষি ও কৃষি-খাদ্যমন্ত্রী হিথ ম্যাকডোনাল্ড বলেন, সবজিচাষিদের সমস্যা জটিল, তবে উদ্ভাবন বাস্তবসম্মত সমাধান দিতে পারে।
কেবেকের সবজি উৎপাদনের ৭০ শতাংশের বেশি আসে এপিএমকিউর সদস্যদের কাছ থেকে; সংগঠনটি পূর্ব কানাডার সবচেয়ে বড় ফল ও সবজির পাইকারি বাজার প্লাস দে প্রোদুক্তরও পরিচালনা করে। সংগঠনের সভাপতি ক্যাথরিন লেফেভ্র বলেন, যে কৃষিতে উৎপাদনশীলতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জরুরি, সেখানে উদ্ভাবনের যেকোনো সুযোগকে তাঁরা সাগ্রহে স্বাগত জানান।
ছবি: On-chan / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: ফার্মস ডটকম





মন্তব্য
(০)