শরীরে কোনো উপসর্গ না থাকলেও নীরবে বাড়তে পারে প্রস্টেট ক্যানসার। তাই ৫০ বছর পেরোলেই প্রস্টেটের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন কলকাতার চিকিৎসকেরা, বিশেষ করে যাঁদের পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস আছে। সেপ্টেম্বর প্রস্টেট ক্যানসার সচেতনতা মাস।
ভারতের ন্যাশনাল ক্যানসার রেজিস্ট্রি প্রোগ্রামের তথ্যে কলকাতা রেজিস্ট্রিতে পুরুষদের ক্যানসারের প্রায় ৬ দশমিক ৯ শতাংশ প্রস্টেট ক্যানসার; প্রতি ৮১ জন পুরুষের প্রায় একজনের এ রোগের আশঙ্কা আছে। আইসিএমআরের হিসাবে দেশটিতে নতুন রোগী ২০২০ সালের প্রায় ৪১ হাজার ৫৩২ থেকে ২০২৫ সালে বেড়ে ৪৭ হাজার ৬৮ হয়েছে।
হাওড়ার নারায়ণা সুপার-স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ সুমন মল্লিক বলেন, ‘৫০ বছর বয়সের পরে পুরুষদের নিজেদের ঝুঁকি বোঝা এবং প্রস্টেটের স্বাস্থ্য নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত।’ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে চিকিৎসার সুযোগ বেশি থাকে বলে জানান তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রস্রাব শুরু করতে সমস্যা, প্রস্রাবের গতি কমে যাওয়া বা থেমে যাওয়া, রাতে বারবার প্রস্রাব, প্রস্রাব বা বীর্যে রক্ত, অকারণে ওজন কমা কিংবা কোমর ও উরুসন্ধিতে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এগুলো সব সময় ক্যানসারের নিশ্চিত লক্ষণ নয়, তবে সতর্কসংকেত।
পরিবারে প্রস্টেট ক্যানসার বা নির্দিষ্ট ধরনের স্তন ও ডিম্বাশয়ের ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে তা চিকিৎসককে জানানো দরকার। প্রস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন (পিএসএ) রক্তপরীক্ষা করা হবে কি না, সে সিদ্ধান্তও চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।
প্রতিবেদনটি এই সময়ের জন্য লিখেছেন অনির্বাণ ঘোষ ও অঙ্কিতা দাশ।
সূত্র: এই সময়




মন্তব্য
(০)