সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৩ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮০%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

২০৩৫ সাল পর্যন্ত মুরগি ও গরুর মাংসকে ছাড়িয়ে থাকবে মার্কিন শূকরের মাংস রপ্তানি

ইউএসডিএর ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস ২০২৬ সালের ৭ মে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের শূকরের মাংস রপ্তানি ২০২৬ সালের প্রত্যাশিত ৭.২ বিলিয়ন পাউন্ড থেকে ৮.৬ শতাংশ বেড়ে ২০৩৫ সালে ৭.৮ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছাবে। ২০২৪ সালে ১৯৭৬ সালের পর প্রথমবার শূকরের মাংস রপ্তানি মুরগিকে ছাড়িয়ে যায়।

২০৩৫ সাল পর্যন্ত মুরগি ও গরুর মাংসকে ছাড়িয়ে থাকবে মার্কিন শূকরের মাংস রপ্তানি
লাইভস্টক

যুক্তরাষ্ট্রের মাংস রপ্তানিতে শীর্ষে এখন শূকরের মাংস, আর আগামী এক দশকও এই অবস্থান বজায় থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (ইআরএস)। ২০২৬ সালের ৭ মে প্রকাশিত সংস্থাটির এক ‘চার্ট অব নোট’-এ বলা হয়, দেশটির শূকরের মাংস রপ্তানি ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বাড়তে থাকবে এবং মুরগি (ব্রয়লার) ও গরুর মাংসের রপ্তানির চেয়ে বেশি থাকবে। চার্টটি তৈরি করেন ইআরএসের অর্থনীতিবিদ ব্রায়ান উইলিয়ামস, এরিক ডোলম্যান ও ম্যাথিউ মিলার।

রপ্তানির পরিমাণ কত দাঁড়াবে


ইআরএসের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের শূকরের মাংস রপ্তানি ২০২৬ সালের প্রত্যাশিত ৭.২ বিলিয়ন পাউন্ড থেকে ৮.৬ শতাংশ বেড়ে ২০৩৫ সালে ৭.৮ বিলিয়ন পাউন্ডে পৌঁছাবে। ২০২৯ সালের মধ্যেই রপ্তানি ২০২০ সালের ৭.৩ বিলিয়ন পাউন্ডের আগের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শূকরের মাংস রপ্তানি ১৯৭৬ সালের পর প্রথমবারের মতো মুরগির মাংস রপ্তানিকে ছাড়িয়ে যায়। ইআরএসের প্রক্ষেপণে এই এগিয়ে থাকা ২০৩৫ সাল পর্যন্ত টিকে থাকবে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইআরএসের ‘অ্যাম্বার ওয়েভস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত মূল নিবন্ধে বলা হয়েছিল, গরুর মাংসের রপ্তানিকে শূকরের মাংস ছাড়িয়ে গিয়েছিল ২০০৪ সালেই।

প্রধান সব শ্রেণিতেই যুক্তরাষ্ট্রের মাংস রপ্তানির পরিমাণ ২০৩৫ সাল পর্যন্ত বাড়বে বলে প্রক্ষেপণ। বিদেশে মানুষের আয় বৃদ্ধি এবং মার্কিন ডলারের সম্ভাব্য দুর্বলতা আমেরিকান লাল মাংস ও পোলট্রির বিদেশি চাহিদা বাড়াবে বলে মনে করছে ইআরএস।

খামারের উৎপাদনশীলতাই রপ্তানির ভিত্তি


ইআরএস বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে শূকরের মাংস উৎপাদনের স্থির প্রবৃদ্ধিই রপ্তানি বাড়ার মূল ভিত্তি। এই প্রবৃদ্ধির পেছনে তিনটি কারণ একসঙ্গে কাজ করছে:

  • জবাইয়ের সময় শূকরের ওজন বাড়ছে;
  • প্রতিবার প্রসবে শূকরছানার সংখ্যা বাড়ছে;
  • খামারে শূকরের মজুত বা সংখ্যা বাড়ছে।

অর্থাৎ খামারে উৎপাদনশীলতার উন্নতি সরাসরি বিদেশে চালান হিসেবে বাজারে যাচ্ছে।

আবদ্ধ শূকর খামারের ভেতরের দৃশ্য। ছবি: অজ্ঞাত আলোকচিত্রী / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
আবদ্ধ শূকর খামারের ভেতরের দৃশ্য। ছবি: অজ্ঞাত আলোকচিত্রী / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)

ইউরোপের নীতি ও বিশ্ববাজারের প্রতিযোগিতা


ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পরিবেশ নীতি ওই অঞ্চলের শূকরের মাংস উৎপাদনে প্রভাব ফেলবে এবং ইইউর রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কমাবে বলে ইআরএস আশা করছে। এতে বিশ্ববাজারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়বে।

২০২০ সালের রেকর্ড রপ্তানির পেছনে ছিল চীনের আমদানি চাহিদার হঠাৎ উল্লম্ফন, যখন দেশটিতে আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার মহামারি চূড়ায় ছিল। বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউওএএইচ) তথ্যে, আফ্রিকান সোয়াইন ফিভার গৃহপালিত ও বুনো শূকরের অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যাতে মৃত্যুহার ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে; তবে এটি মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি নয়। চীন ২০১৮ সালের আগস্টে লিয়াওনিং প্রদেশে প্রথম প্রাদুর্ভাবের খবর দেয় এবং ২০১৯ সালের এপ্রিলের মধ্যে রোগটি দেশের সব অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় চীনে শূকরের সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১০ কোটি কমে যাওয়ার খবর আসে।

কসাইয়ের দোকানে বিক্রির জন্য রাখা শূকরের পাঁজরের মাংস (বেবি ব্যাক রিবস)। ছবি: Tim Evanson / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)
কসাইয়ের দোকানে বিক্রির জন্য রাখা শূকরের পাঁজরের মাংস (বেবি ব্যাক রিবস)। ছবি: Tim Evanson / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 2.0)

প্রক্ষেপণ কীসের ভিত্তিতে


চার্টটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘অ্যাম্বার ওয়েভস’-এর নিবন্ধ ‘ইউ.এস. পর্ক এক্সপোর্ট ভলিউমস প্রজেক্টেড টু সারপাস চিকেন ইন দ্য নেক্সট ডিকেড’-এ। সেই নিবন্ধে ধারণা করা হয়েছিল, শূকরের মাংস রপ্তানি ২০২৮ সালে মুরগিকে ছাড়াবে; বাস্তবে তা ঘটে ২০২৪ সালেই। পরে চার্টটি হালনাগাদ করা হয় ২০২৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ইউএসডিএর দীর্ঘমেয়াদি প্রতিবেদন ‘ইউএসডিএ অ্যাগ্রিকালচারাল প্রজেকশনস টু ২০৩৫’ (ওসিই-২০২৬-১) এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলের ‘ওয়ার্ল্ড অ্যাগ্রিকালচারাল সাপ্লাই অ্যান্ড ডিমান্ড এস্টিমেটস’ (ওয়াসডে) প্রতিবেদনের তথ্য দিয়ে।

ছবি: Phil Roeder / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)

সূত্র: ইউএসডিএ ইকোনমিক রিসার্চ সার্ভিস (চার্ট অব নোট, ৭ মে ২০২৬), ইআরএস অ্যাম্বার ওয়েভস (ফেব্রুয়ারি ২০২৪), ইউএসডিএ অ্যাগ্রিকালচারাল প্রজেকশনস টু ২০৩৫, বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউওএএইচ), উইকিপিডিয়া

অনলাইন ডেস্কদা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

রান্নাবান্না

ঘিয়ের ব্যবসা থেকে ১৮৫ রকম মিষ্টি: বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডারের চার প্রজন্ম

ব্রিটিশ আমলের ঘিয়ের ব্যবসা থেকে শুরু হওয়া বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার এখন প্রায় ১৮৫ রকম মিষ্টি বানায়, শাখা প্রায় ৪৫টি, কর্মী প্রায় তিন শ; দুধ, ছানা, ক্ষীর ও মাওয়ার বেশির ভাগ আসে মুন্সিগঞ্জ থেকে।

প্রথম আলো৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

লোকসানে খামার ছাড়ছেন প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিরা: ড. মো. ফোরকান আলীর কলাম

জাগো নিউজে লেখা কলামে ড. মো. ফোরকান আলী লিখেছেন, সাড়ে ৯ টাকা খরচের ডিম খামারিরা বেচছেন সাড়ে ছয় টাকায়; বিপিআইএর হিসাবে পাঁচ বছরে প্রায় ৬৪ হাজার খামার বন্ধ হয়েছে। মতামত লেখকের নিজস্ব।

জাগো নিউজ ২৪৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

মেক্সিকো থেকে বাছুর আমদানি কমলে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়বে গরুর মাংসের দাম: ফাপ্রির বিশ্লেষণ

নিউ ওয়ার্ল্ড স্ক্রুওয়ার্মের কারণে দেওয়া বিধিনিষেধের পর মেক্সিকোর গবাদিপশু আমদানি স্বাভাবিক হলে আর দীর্ঘদিন কম থাকলে কী হবে, তা তুলনা করেছে মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়; কম আমদানিতে দাম বাড়ে, মাংস উৎপাদন সরে যায় মেক্সিকোতে।

Farms.com৩ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)