কোন কৃষিপ্রযুক্তি কোথায় বড় পরিসরে ছড়ানো উচিত, সেই সিদ্ধান্তে কৃষি সংস্থাগুলোকে সহায়তা দিতে ফিলিপাইনের কৃষি বিভাগের কৃষি গবেষণা ব্যুরো (ডিএ-বার) ও আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) একটি প্রকল্প চালু করেছে বলে ২ অক্টোবর জানিয়েছে ইরি। এফেক্ট (EFFECT) নামের প্রকল্পটি চলছে ইলোকোস অঞ্চল, কাগায়ান ভ্যালি ও ইস্টার্ন ভিসায়াসে।
ইরির বিজ্ঞানী রিকা জয় বি. ফ্লোর (Rica Joy B. Flor)-এর নেতৃত্বে এই প্রকল্প ডিএ-বারের জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষিপ্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প স্কেল আপ (SCALE UP)-কে সহায়তা দিচ্ছে। এখানে প্রযুক্তিকে লক্ষ্যভুক্ত এলাকার পরিস্থিতি ও চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। ইরির ভাষ্য, শুধু প্রযুক্তি সহজলভ্য করলেই হয় না; তা স্থানীয় পরিস্থিতি ও কৃষকদের গ্রহণের সামর্থ্যের সঙ্গে মানানসই হতে হবে।
প্রকল্পের প্রথম অংশ উপযোগিতা মানচিত্র। তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, ভূপ্রকৃতি ও মাটির বৈশিষ্ট্যের তথ্য দিয়ে কোন ফসল কোথায় সবচেয়ে ভালো হয় এবং কখন বোনা উচিত, তার মানচিত্র তৈরি হবে। এতে স্থানীয় পরিকল্পনায় মাঠকর্মীরা স্থানভিত্তিক প্রমাণ হাতে পাবেন। আঞ্চলিক ও স্থানীয় কর্মীদের এসব মানচিত্র ব্যবহার এবং সিদ্ধান্তে ভৌগোলিক ও পরিবেশগত তথ্য কাজে লাগানোর প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।
দ্বিতীয় অংশ উদ্ভাবনের প্রোফাইল তৈরি। দলগত আলোচনা ও দ্রুত মূল্যায়নের মাধ্যমে স্কেল আপের এলাকাগুলোতে কোন কোন উদ্ভাবন প্রচার হচ্ছে, সেগুলো কীভাবে কৃষকের কাছে পৌঁছায় এবং সেগুলোর বৈশিষ্ট্য কী, তা লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে। এসব প্রোফাইল যুক্ত হবে স্কেল আপের ডিজিটাল তথ্যভান্ডারে।
আঞ্চলিক পর্যায়ে প্রকল্প চালুর অনুষ্ঠান হয়েছে ৮ সেপ্টেম্বর ইলোকোস নর্তের বাতাকে কৃষি বিভাগের গবেষণা কেন্দ্রে, ১০ সেপ্টেম্বর ইসাবেলার ইলাগান সিটিতে এবং ১৮ সেপ্টেম্বর তাক্লোবান সিটিতে। এরপর প্রশিক্ষণ উপকরণ তৈরি করে শ্রেণিকক্ষে প্রশিক্ষণ দেবে ইরি, যাতে প্রকল্প শেষ হওয়ার পরও মাঠকর্মীরা এই কাঠামো ব্যবহার করতে পারেন। প্রকল্পের অর্থ দিচ্ছে ডিএ-বার, আর এটি সিজিআইএআরের স্কেলিং ফর ইমপ্যাক্ট বিজ্ঞান কর্মসূচির সঙ্গেও সংগতিপূর্ণ।
ছবি: Patrickroque01 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: IRRI





মন্তব্য
(০)