২০২৭ সালে ফিলিপাইন ৭ লাখ ৮০ হাজার টন মুরগির মাংস (রান্নার উপযোগী হিসাবে) আমদানি করবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগের বৈদেশিক কৃষি সেবা (এফএএস)। এটি ২০২৬ সালের সংশোধিত ৬ লাখ ৮০ হাজার টনের চেয়ে ১৪.৭ শতাংশ বেশি।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারক ও খাদ্যসেবা শিল্পের ক্রমবর্ধমান চাহিদা থেকেই এই বৃদ্ধি আসবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও কানাডার তুলনায় কম দামের কারণে বাজারের বেশির ভাগ ব্রাজিলের দখলে থাকবে। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে মোট আমদানির ৫০ শতাংশ এসেছে ব্রাজিল থেকে; জুলাই পর্যন্ত ব্রাজিলের মুরগির প্রায় ৬৬ শতাংশ ছিল যন্ত্রে হাড় ছাড়ানো মাংস, যার শুল্ক ২০২৪ সালের নির্বাহী আদেশ নম্বর ৬২ অনুযায়ী ২০২৮ পর্যন্ত ৫ শতাংশে নামানো হয়েছে।
দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি ২০২৬ সালে প্রত্যাশার চেয়ে কম হয়েছে, কারণ উচ্চ সংক্রামক বার্ড ফ্লুর কারণে ক্যানসাস, ইন্ডিয়ানা ও ইলিনয়ের মুরগির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা ছিল; তবে তা আবার বাড়তে পারে। জুলাই পর্যন্ত মার্কিন চালানের প্রায় ৭০ শতাংশ ছিল মুরগির পায়ের অংশ (লেগ কোয়ার্টার)। বিকল্প উৎস হিসেবে ইইউ ও কানাডা থেকে পরিমাণ বাড়বে, যদিও ব্রাজিলের দাপটে তাদের বাজার অংশ কমতে পারে।
২০২৬ সালে ফিলিপাইনের কৃষি বিভাগ নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম ও চিলির সঙ্গে বার্ড ফ্লুর আঞ্চলিকীকরণ চুক্তি করেছে, ফলে পুরো দেশের বদলে শুধু আক্রান্ত এলাকার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকে। জানুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও আয়ারল্যান্ডের পোলট্রি রপ্তানি স্থাপনাগুলোও স্বীকৃতি পেয়েছে।
ফিলিপাইনের নিজস্ব মুরগির মাংস রপ্তানি নগণ্য, প্রায় ১ হাজার টন।
ছবি: FBenjr123 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: The Poultry Site





মন্তব্য
(০)