২০২৭ সালে ফিলিপাইনে মুরগির মাংসের ভোগ দাঁড়াবে ২৭ লাখ ৪ হাজার টনে (রান্নার উপযোগী হিসাবে), যা ২০২৬ সালের আনুমানিক ২৪ লাখ ৯১ হাজার টনের চেয়ে ৮.৬ শতাংশ বেশি। মার্কিন কৃষি বিভাগের বৈদেশিক কৃষি সেবার (এফএএস) এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অন্য মাংসের তুলনায় মুরগির সাশ্রয়ী দাম এবং নানা রান্নায় ব্যবহারের সুবিধাকে কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। মার্কিন আদমশুমারি ব্যুরোর হিসাবে ২০২৭ সালে ফিলিপাইনের জনসংখ্যা হবে ১১ কোটি ৪৬ লাখ, বৃদ্ধি ০.৭ শতাংশ।
মুরগি এখনো সবচেয়ে সস্তা প্রধান প্রাণিজ আমিষ: ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত এর দাম শূকরের মাংসের চেয়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ কম ছিল। দেশীয় শূকর খাতে আফ্রিকান সোয়াইন ফিভারের ক্ষতির প্রভাব এখনো এই ব্যবধানে প্রতিফলিত হচ্ছে।
নানা দামে ও নানা দোকানে মুরগি সহজলভ্য। পোলট্রি কোম্পানিগুলো মাংসের দোকানের ফ্র্যাঞ্চাইজি বাড়াচ্ছে—একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ৮ লাখ ৬০ হাজার পেসো থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি দিচ্ছে। একটি প্রতিষ্ঠানের রোস্টেড মুরগির চেইন জুলাই-আগস্টেই অন্তত ৪৫টি নতুন দোকান খুলেছে, আর একটি বহুজাতিক ফাস্টফুড চেইনের শাখা ১,২০০ ছাড়িয়েছে। ইউরোমনিটর ইন্টারন্যাশনালের পূর্বাভাস, ২০২৭ সালে মুরগির স্বল্পসেবা রেস্তোরাঁ ৭ শতাংশ বেড়ে সাড়ে আট হাজার ছাড়াবে; বড় শহরগুলোতে অনলাইন ডেলিভারিও প্রাপ্যতা বাড়াচ্ছে।
অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারও চাহিদা বাড়াবে: সরকারের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী ২০২৭ সালে প্রবৃদ্ধি হবে ৫.০ থেকে ৬.০ শতাংশ, ২০২৬ সালের ৩.৫ থেকে ৪.৫ শতাংশের চেয়ে বেশি, সঙ্গে মূল্যস্ফীতি কমবে।
ছবি: FBenjr123 / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: The Poultry Site




মন্তব্য
(০)