সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৯ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৮°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৯%বাতাস ১৪ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৪ মিমি

ধান ছেড়ে শসায় ভাগ্য বদল পেকুয়ার মালগাড়ায়, কানিতে খরচ লাখ, আয় ৫-৬ লাখ

কক্সবাজারের পেকুয়ায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে ধানের জমিতে শসা চাষ করে বদলেছে শতাধিক কৃষকের জীবন; জেলায় এ মৌসুমে ১২৬ হেক্টরে শসা, বিক্রি ১৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকার।

ধান ছেড়ে শসায় ভাগ্য বদল পেকুয়ার মালগাড়ায়, কানিতে খরচ লাখ, আয় ৫-৬ লাখ
শাকসবজি

বাবার চার বিঘা জমির এক বিঘা বেচে মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের মালগাড়া গ্রামের বশির আহমেদ। ভিসা হারিয়ে দুই মাস জেল খেটে ছয় বছর আগে খালি হাতে ফেরেন। এলাকার একজনের শসাখেতে দিনমজুরি করতে গিয়ে শসার প্রতি আগ্রহ জন্মায়; চার বছর আগে তিন বিঘায় শুরু করেন নিজের আবাদ। এখন প্রতিবছর কয়েক লাখ টাকার শসা বিক্রি করেন, কিনেছেন দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাও। মালগাড়ার শতাধিক কৃষকের ভাগ্য ফিরেছে শসায়।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, পেকুয়ায় প্রায় ২৪ হেক্টরে শসা চাষ হয়, এর ১৫ হেক্টরই মালগাড়ায়। একসময় এসব জমিতে ধান হতো, কিন্তু আশানুরূপ ফলন না পেয়ে কৃষকেরা ধান থেকে আগ্রহ হারান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারুক হোসেন চৌধুরী জানান, মাঠ পরিদর্শন আর মাটি পরীক্ষার পর কৃষকদের শসা চাষের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যে চলতি মৌসুমে কক্সবাজারে ১২৬ হেক্টরে শসা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি চকরিয়ায় ৩০ হেক্টর; এ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ১৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকার শসা।

কৃষকেরা জানান, মৌসুম শুরু হয় জুলাইয়ের মাঝামাঝি, বিক্রি চলে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। এক কানি (সোয়া এক বিঘা) জমিতে প্রায় পাঁচ হাজার বীজ বোনা যায়। চারা গজানোর ৫০ থেকে ৫৫ দিনে ফুল আসে, তারপর ৩০ থেকে ৪০ দিন দুই-তিন দিন পরপর শসা তোলা যায়, একটি গাছ থেকে ১০ থেকে ১৫ বার। প্রতিটি শসার ওজন গড়ে ৮০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ২০০ গ্রাম; এখন কেজি ৩০ টাকা, মণ ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত।

কৃষকদের হিসাবে এক কানিতে মৌসুমে খরচ ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা, আয় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা। মালগাড়ায় মূলত স্থানীয় জাতের শসা হয়, যার ফলন বেশি আর আকারও বড়। কৃষক কামাল হোছাইন পাঁচ কানিতে শসা করেছেন; প্রতিবার তোলার দিনে কানিপ্রতি ৩৫ থেকে ৫০ মণ পান, বিক্রি হয় ৪২ থেকে ৬০ হাজার টাকায়। কৃষি কার্যালয়ের হিসাবে মালগাড়ায় দিনে গড়ে প্রায় ১৫ টন শসা ওঠে।

ভোরে শসা তুলে কাঁধে ভার নিয়ে দুই-তিন কিলোমিটার হেঁটে কৃষকেরা যান জুমপাড়া বাজারে, যেখানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, চকরিয়া ও পেকুয়ার পাইকারেরা আগে থেকেই অপেক্ষায় থাকেন। চট্টগ্রামের পাইকার রফিক মিয়া বলেন, আকার ও স্বাদের কারণে এখানকার শসার চাহিদা বেশি, তবে পরিবহনব্যবস্থা ভালো হলে আরও পাইকার আসতেন। শসাখেতে কাজ করেন কয়েক শ নারী-পুরুষ শ্রমিক; সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী হারানো খদিজা বেগম শুরুতে দিনে ৩০০ টাকা পেতেন, এখন কাজভেদে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পান।

প্রতিবেদনটি করেছেন সমকালের কক্সবাজার প্রতিনিধি ইব্রাহিম খলিল মামুন ও পেকুয়া প্রতিনিধি হিরু আলম।

ছবি: H. Zell / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)

সূত্র: সমকাল

সমকালসূত্র

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

বীরগঞ্জে দিনভর ৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টি, পানিতে পচছে আগাম আলুর বীজ ও ফুলকপি

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বৃহস্পতিবারের টানা বর্ষণে নিচু জমিতে পানি জমে আগাম আলু, ফুলকপি, বেগুনসহ শীতের সবজির ক্ষতির শঙ্কা; দ্রুত পানি নামলে ক্ষতি কম হবে বলছে কৃষি বিভাগ।

দিনাজপুর টিভি৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

খাল খুঁড়ে ডুমুরিয়ায় সেচে খালের পানি, এক ফসলের জমিতে এখন সবজি-তরমুজ

নেদারল্যান্ডস-বাংলাদেশের সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে কাইনমারা ওয়াটারশেডের খাল পুনর্খননের পর ৭০-৮০ শতাংশ সেচে শ্যালোর বদলে খালের পানি; দক্ষিণ-পশ্চিমের পাঁচ জেলায় ৯২টি খাল আর ৭১টি জলাধার।

দিনাজপুর টিভি৯ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
আঙিনা কৃষি

আঙিনার কুমড়ো গাছের ফুল বেচে দিনে ৫০০-৬০০ টাকা, মাগুরায় বাড়ছে কদর

মাগুরার সরকারি কলেজের সামনে বাড়ির আঙিনার কুমড়ো গাছের পুরুষ ফুল তুলে বিক্রি করেন জাহেদা বেগম; বড়া আর চপের জন্য শহরের ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ায় অনেকে বাণিজ্যিকভাবেও চাষ করছেন।

দিনাজপুর টিভি৯ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)