সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৬৫%বাতাস কিমি/ঘ

পাকুন্দিয়ায় ধানের বদলে মাচায় অসময়ের তরমুজ: অতিবৃষ্টিতে ফলন কিছুটা কমলেও আগাম বাজারে বেশি লাভের আশা হযরত আলীর

কিশোরগঞ্জের চণ্ডিপাশা ইউনিয়নের বড় আজলদী গ্রামে গত বছরের লাভে এবার আবাদ বাড়িয়েছেন তিনি, তরমুজ কেটে একই জমিতে ধানের পরিকল্পনা; কৃষি বিভাগ বলছে মাচা, উঁচু সারি ও মালচিংয়ে কম পরিচর্যায় ফলন, প্রদর্শনী ও প্রণোদনায় বীজ-সার দেওয়া হচ্ছে।

ফল

মাটির উঁচু সারি আর মাচার লতাপাতার ফাঁকে ঝুলছে একের পর এক তরমুজ; বাজারে মৌসুম শুরু না হলেও আগাম ফলন ঘরে তুলতে ব্যস্ত কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার কৃষক হযরত আলী। ধানের বদলে অসময়ের এই ফসলেই বেশি লাভের আশা তাঁর।

পাকুন্দিয়া উপজেলার চণ্ডিপাশা ইউনিয়নের বড় আজলদী গ্রামের এই কৃষক গত বছর অল্প জমিতে তরমুজ করে লাভ পাওয়ায় এবার আবাদ বাড়িয়েছেন; ধানের চেয়ে লাভ বেশি বলে একই জমিতে তরমুজকে বেছে নিয়েছেন। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে এবার ফলন কিছুটা কমলেও সময়মতো বাজারে বিক্রি করতে পারলে ভালো লাভ হবে বলে আশা তাঁর; আগাম তরমুজ কাটার পর একই জমিতে ধান চাষের পরিকল্পনাও আছে।

কৃষি বিভাগের ভাষ্য, পাকুন্দিয়ার মাটি ও আবহাওয়া অসময়ের তরমুজের জন্য উপযোগী; মাচা, উঁচু সারি ও মালচিং পদ্ধতিতে তুলনামূলক কম পরিচর্যায় ফলন মেলে, রোগবালাইয়ের ঝুঁকিও কম—তাই প্রতিবছর আবাদ বাড়ছে। কৃষকদের উৎসাহিত করতে প্রদর্শনী ও প্রণোদনায় বীজ, সারসহ উপকরণ দেওয়া হচ্ছে।

আগাম বাজারে ভালো দামের সঙ্গে একই জমিতে পরের ফসলের সুযোগ থাকায় পাকুন্দিয়ায় অসময়ের তরমুজের আবাদ প্রতিবছর বাড়ছে; কৃষকদের প্রত্যাশা, সঠিক পরিচর্যা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হলে এই চাষ আরও ছড়াবে।

বাংলাভিশনের কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি নাছিম খানের প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: বাংলাভিশন

বাংলাভিশনদা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

দুর্গাপুরের পরিত্যক্ত কয়লার ডিপোতে ৫০০ মাল্টাগাছ: এক একরের বাগানে এবার ৬–৭ লাখ টাকা বিক্রির আশা তিন উদ্যোক্তার

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০২১ সালে বারি-৩ ও ভিয়েতনামি জাতের মাল্টা লাগান রনি মিত্রেরা; বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা, গত বছর সাড়ে ৩ লাখ টাকার ফল বিক্রি, এবার দ্বিগুণের সম্ভাবনা; বাগানে কেজি ৮০–১০০ টাকায় কিনছেন পাইকারেরা।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

সিরাজগঞ্জে ৪০০ হেক্টরের লক্ষ্য ছাড়িয়ে পেয়ারা, বাগান থেকেই পাইকারি ৪০–৪৫ টাকা কেজি: থাই ও কাজী জাতে দ্বিগুণ লাভের আশা

রায়গঞ্জ, কাজীপুর, বেলকুচি, উল্লাপাড়া ও সদরে বাম্পার ফলন; যমুনার চরেও বাগান বাড়ছে; এক বাগানে দিনে ৫–৭ শ্রমিক, চারা লাগানোর ছয় মাসে ফল, পাঁচ বছর ফল দেয়—জানালেন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক এ কে এম মঞ্জুরে মাওলা।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

চা চাষের অনুপযোগী এক একরে ১৪ হাজার ড্রাগনগাছ: কুলাউড়ার সিরাজনগর চা-বাগানে দ্বিতীয় বছরেই ১২ লাখ টাকার ফল বিক্রি

২০২৪ সালে ১২ লাখ টাকা বিনিয়োগে গড়া বাগানে থাই রেড, জাম্বো রেড ও হোয়াইট পিংক জাত; কীটনাশক ছাড়া চাষ, ফুল আসার ২৫–২৬ দিনে ফল; চা-শ্রমিকেরা বাড়তি কাজ ও বিনামূল্যে ফল পাচ্ছেন, বলছেন ম্যানেজার শামীম ইসলাম ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন।

কৃষি সময়১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()