মাটির উঁচু সারি আর মাচার লতাপাতার ফাঁকে ঝুলছে একের পর এক তরমুজ; বাজারে মৌসুম শুরু না হলেও আগাম ফলন ঘরে তুলতে ব্যস্ত কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার কৃষক হযরত আলী। ধানের বদলে অসময়ের এই ফসলেই বেশি লাভের আশা তাঁর।
পাকুন্দিয়া উপজেলার চণ্ডিপাশা ইউনিয়নের বড় আজলদী গ্রামের এই কৃষক গত বছর অল্প জমিতে তরমুজ করে লাভ পাওয়ায় এবার আবাদ বাড়িয়েছেন; ধানের চেয়ে লাভ বেশি বলে একই জমিতে তরমুজকে বেছে নিয়েছেন। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে এবার ফলন কিছুটা কমলেও সময়মতো বাজারে বিক্রি করতে পারলে ভালো লাভ হবে বলে আশা তাঁর; আগাম তরমুজ কাটার পর একই জমিতে ধান চাষের পরিকল্পনাও আছে।
কৃষি বিভাগের ভাষ্য, পাকুন্দিয়ার মাটি ও আবহাওয়া অসময়ের তরমুজের জন্য উপযোগী; মাচা, উঁচু সারি ও মালচিং পদ্ধতিতে তুলনামূলক কম পরিচর্যায় ফলন মেলে, রোগবালাইয়ের ঝুঁকিও কম—তাই প্রতিবছর আবাদ বাড়ছে। কৃষকদের উৎসাহিত করতে প্রদর্শনী ও প্রণোদনায় বীজ, সারসহ উপকরণ দেওয়া হচ্ছে।
আগাম বাজারে ভালো দামের সঙ্গে একই জমিতে পরের ফসলের সুযোগ থাকায় পাকুন্দিয়ায় অসময়ের তরমুজের আবাদ প্রতিবছর বাড়ছে; কৃষকদের প্রত্যাশা, সঠিক পরিচর্যা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হলে এই চাষ আরও ছড়াবে।
বাংলাভিশনের কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি নাছিম খানের প্রতিবেদন অবলম্বনে। সূত্র: বাংলাভিশন





মন্তব্য
(০)