জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা গম, যবসহ ছোট দানার শস্যের কোন জাত রোগ কতটা সামলাতে পারে, তা মাঠে পরীক্ষা করছে যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট এক্সটেনশন। প্রচলিত ছত্রাকনাশক ব্যবহার করতে না পারা জৈব চাষিরা যাতে ভালো তথ্য নিয়ে বীজ বাছতে পারেন, সেটাই লক্ষ্য বলে জানিয়েছে ফার্মস ডটকম।
জৈব কৃষকেরা রোগ দমনে শস্য আবর্তন, মাঠ পরিষ্কার রাখা, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ আর রোগ প্রতিরোধী জাতের ওপর নির্ভর করেন, অথচ তাঁদের পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা কম। ওরোস (OROWS) জৈব ছোট দানাশস্য প্রকল্প জৈব অবস্থায় বহু জাতের ওপর রোগের বিস্তার মাপছে, একাধিক মৌসুম ও চাষপদ্ধতিতে।
রোগ মূল্যায়নের নেতৃত্বে থাকা উদ্ভিদরোগতত্ত্ববিদ আদ্রিয়ানা মুরিলো-উইলিয়ামস বলেন, পেনসিলভানিয়ার জৈব কৃষকদের ছোট দানাশস্যের রোগপ্রবণতা নিয়ে আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য দরকার। পরীক্ষায় প্রতিরোধী জাত, যা সংক্রমণ ঠেকায়, আর সহনশীল জাত, যা আক্রান্ত হয়েও গ্রহণযোগ্য ফলন দেয়—এই দুইয়ের পার্থক্য করা হচ্ছে।
গম, যব, ওট ও রাইয়ের জন্য বিশেষ দুশ্চিন্তা ফিউজারিয়াম হেড ব্লাইট বা হেড স্ক্যাব। এতে ফলন ও দানার ওজন কমে, দানা কুঁচকে যায় এবং শস্যে ডিঅক্সিনিভালেনল (ডন) নামের ছত্রাকবিষ থেকে যেতে পারে, যার ফলে দাম কাটা পড়ে বা চালান ফেরত আসে।
প্রকল্পটি জীবাণু শনাক্ত করা ও তা কীভাবে টিকে থাকে—পাশের খেত থেকে আসে, নাকি ফসলের অবশিষ্টাংশে থাকে—তা বোঝার ওপর জোর দিচ্ছে, যাতে শস্য আবর্তন বদলানো যায়। ফসল কাটার সময় কম্বাইন হারভেস্টারের পাখার গতি ঠিক করলে হালকা, ক্ষতিগ্রস্ত দানা উড়ে গিয়ে গুদামে দূষিত শস্য কম ঢোকে।
ছবি: CSIRO / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 3.0)
সূত্র: Farms.com





মন্তব্য
(০)