পুরো খেতে না ছিটিয়ে ক্যামেরায় আগাছা চিনে শুধু সেখানেই ওষুধ দেয় সুইজারল্যান্ডের ইকোরোবোটিক্সের (Ecorobotix) 'এআরএ' স্পট স্প্রেয়ার। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ঘাসবীজ উৎপাদনের জন্য চাষ করা টল ফেসকিউ খেতে ২০২৫ সালের এক মাঠপরীক্ষায় যন্ত্রটি প্রচলিত পুরো-খেত স্প্রের তুলনায় ৮৪ শতাংশ কম স্প্রে ব্যবহার করেছে। পরীক্ষাটি হয় যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির হিসলপ গবেষণা খামারে, জানিয়েছে ফিউচার ফার্মিং।
সমস্যাটি কঠিন: ঘাসবীজের খেতে অন্য জাতের ঘাস আগাছা হিসেবে জন্মায়, যেগুলো দেখতে প্রায় ফসলের মতোই, আর বেছে বেছে মারার মতো আগাছানাশকও কম। এসব আগাছা বীজ দিলে তা ফেসকিউর বীজের সঙ্গে মিশে যায়, বীজের বিশুদ্ধতা কমে এবং প্রত্যয়ন ও বাজারের মান পূরণ কঠিন হয়।
পরীক্ষায় যন্ত্রটি টল ফেসকিউ খেতের বার্ষিক ব্লুগ্রাস ও ইতালিয়ান রাইগ্রাস শনাক্ত করে শুধু সেগুলোতেই গ্লাইফোসেট দিয়েছে। ইকোরোবোটিক্সের হিসাবে ৮৮ শতাংশ আগাছা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে, আর যেগুলোতে স্প্রে পড়েছে তার ৮৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। হেক্টরপ্রতি স্প্রে লেগেছে ৩৪ লিটার।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, জমির ১০ শতাংশের কম অংশে আগাছা থাকলে যন্ত্রটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে; আগাছা বেশি ঘন হলে খেতের বড় অংশেই স্প্রে লাগে, ফলে স্পট স্প্রের সুবিধা কমে যায়।
ফিউচার ফার্মিং মনে করিয়ে দিয়েছে, এসব তথ্য প্রস্তুতকারকের দেওয়া এবং ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির কোনো প্রকাশ্য গবেষণা প্রতিবেদন তারা পায়নি। তাই কতবার পুনরাবৃত্তি হয়েছে, পরিসংখ্যানগত তাৎপর্য, ফসলের ক্ষতি, বীজের ফলন ও বিশুদ্ধতায় প্রভাব এবং ৮৪ শতাংশের হিসাব কোন তুলনার ভিত্তিতে, তা অজানা।
ছবি: Jan Kops, Flora Batava / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: Future Farming




মন্তব্য
(০)