সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৯%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

প্রচুর আমেও লাভ নেই চাষী-ব্যবসায়ীদের

সারাদেশের বাজারে আমের ব্যাপক সমারোহ থাকলেও এবার কাঙ্খিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন চাষী, বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। এই লোকসানের পেছনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপকে আংশিক দায়ী করছেন তারা। তবে আমে এবার ক্ষতিকর কোনো রাসায়নিক ব্যবহার হয়নি বলে জোর দাবি তাদের।

সারাদেশের বাজারে আমের ব্যাপক সমারোহ থাকলেও এবার কাঙ্খিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন চাষী, বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা। এই লোকসানের পেছনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপকে আংশিক দায়ী করছেন তারা। তবে আমে এবার ক্ষতিকর কোনো রাসায়নিক ব্যবহার হয়নি বলে জোর দাবি তাদের।

গতবছর ফলের রাজা আম নিয়ে মানুষের মধ্যে সংশয় ছিলো। নিরাপদে মানুষ খেতে পারেনি প্রিয় ফল। আবার ফরমালিন ব্যবহারের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত শত শত টন আম নষ্ট করায় ক্ষতির শিকার হয়েছেন সকল পর্যায়ের ব্যবসায়ী। এবার সেই অবস্থার অবসানে আমপ্রধান এলাকাগুলোতে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয় বাগান থেকে আম পাড়ার তারিখ। চাষী এবং বাগান মালিকরা বলেছেন, এতে চরম লোকসান গুণতে হচ্ছে তাদের।

তারিখ বেঁধে দেওয়ায় ক্ষতির কথা উল্লেখ করে একজন কৃষক বলেন, আগে আমার যে গাছে আম হতো ১০ মণ এখন হবে পাঁচ মণ। সরকারের বাধা দেওয়ার কারণে আমার পাঁচ মণ আম ক্ষতি হলো।

দেশের সবচেয়ে বড় আমের আড়ত চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটের ব্যবসায়ীরাও আমে লোকসানের কথা জানান। তারা বলেন, তারিখ বেঁধে দেওয়ার কারণে সব আম মোকামে একসঙ্গে জড়ো হচ্ছে। যার ফলে আমের চাহিদা কমে গেছে।

একজন কৃষক বলেন, গেলোবার যে দাম ছিলো, এবার তার অর্ধেক দামও পাচ্ছেন না। তবে চাষীরা বলেছেন, কোনোভাবেই এবার আমে ফরমালিন ব্যবহার করেন নি। আরেকজন কৃষক বলেন, আমরা যারা কৃষক তারা কখনোই ফরমালিন দেই না। এটা আমরা চিনিও না।

কৃষকের অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনও তাদের ব্যাখ্যা দিয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবির বলেন, এই সিদ্ধান্ত একবারে হয়নি। এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল যাতে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্যই সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবির বলেন, ল্যাংড়া আম ১৫ জুনের আগে পাকে না। এর আগে আম পাড়া মানেই অপরিপক্ক আম পাড়া। অপরিপক্ক আমটা যাতে না পাড়ে সেজন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, আমের বাণিজ্যিক গুরুত্ব এবং জাত বিবেচনা করে তবেই যে কোনো উদ্যোগ নেওয়া উচিত। গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী বলেন, যারা আম ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন তাদের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে আম চাষীদের একটা সমন্বয় হওয়া দরকার।

বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীসহ সবার দাবি আম পাড়ার একটা নির্ধারিত তারিখ ঠিক করে দেওয়ার ফলে তারা এই ক্ষতি সম্মুখীন। যে ক্ষতি সহজে কাটিয়ে উঠা সম্ভব নয়।

শাইখ সিরাজকৃষি সাংবাদিক

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

ইউটিউব দেখে আনারকলি চাষ, নওগাঁর তরুণ মোরছালিনের মাচায় থোকা থোকা ফল

নওগাঁর বদলগাছীর পাঁচঘড়িয়ায় ১৪ শতাংশ জমিতে মাচায় আনারকলি (প্যাশন ফল) চাষ করেছেন তরুণ মোরছালিন আহম্মেদ; খরচ প্রায় ৫০ হাজার টাকা, তিন মাসে ফল, এখন দিনে ৮-১০ কেজি তুলছেন, কেজি ৪০০-৪৫০ টাকা।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফল

২০০ টাকার একটি চারা থেকে সাড়ে আট বিঘার লেবু বাগান, যশোরের প্রেম কুমারের গল্প

যশোরের বাঘারপাড়ার মাঝিয়ালী গ্রামের প্রেম কুমার ২০১১ সালে ২০০ টাকায় একটি বীজহীন কাগজি লেবুর চারা কিনে শুরু করেন; এখন সাড়ে আট বিঘায় দেড়-দুই হাজার গাছ, মাসে আয় লাখ টাকা।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

গোপালগঞ্জে সামাউলের ২২ একরের বীজহীন লেবু বাগান, বছরে আয় অর্ধকোটি টাকা

ছয় বছর আগে আড়াই একর ইজারা জমিতে শুরু করে গোপালগঞ্জের উদ্যোক্তা সামাউল ইসলাম এখন ২২ একরে ১২ হাজার বীজহীন লেবুগাছের বাগান করেছেন; বছরে আয় প্রায় অর্ধকোটি টাকা, কাজ করছেন ২৫ জন।

কৃষি সময়৩ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)