কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিউজিল্যান্ডের কৃষি খাতের দূরত্বের বাধা দূর করছে এবং বছরের পর বছর ধরে তাকে পড়ে থাকা গবেষণাকে অনেক দ্রুত বাজারে আনবে বলে মনে করেন নিউজিল্যান্ড ইয়াং ফার্মার্সের প্রধান নির্বাহী শাইন গিলুলি (Cheyne Gillooly)। অকল্যান্ডে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের ক্লাউড অ্যান্ড এআই ডেতে তিনি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে ফার্মার্স উইকলি এনজেড।
গিলুলি বলেন, দুগ্ধ, ভেড়া ও উদ্ভিদের জিনতত্ত্ব নিয়ে বিপুল গবেষণা দেশজুড়ে পড়ে আছে। নতুন প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন ও জমিনির্ভর নতুন পণ্য তৈরির গতি এত বেড়েছে যে কয়েক দশক ধরে জমে থাকা মূল্য এখন কাজে লাগানো যাবে; গবেষণা থেকে বাজারে যেতে যেখানে বছর লাগত, এআইয়ে তা হয়তো কয়েক সেকেন্ডে হবে। ভোক্তারা আস্থা, স্বাস্থ্য ও জমি থেকে আসা পণ্যকে মূল্য দেওয়ায় নিউজিল্যান্ড সোনার খনির ওপর বসে আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
খামারিরা জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ইতিমধ্যে দৈনন্দিন কাজ বদলে দিয়েছে। লোন স্টার ফার্মসের পশু ব্যবস্থাপক ক্যারি পসন-এডওয়ার্ডস একসময় প্রতিটি ভেড়ার বাচ্চা হাতে দেখে বিক্রির উপযোগিতা ঠিক করতেন, এখন স্বয়ংক্রিয় ওজন যন্ত্রে একবারে ১,৪০০টি যাচাই হয়; ঘাস মাপার প্লেট মিটার ও এটিভির পেছনে টানা যন্ত্রের জায়গায় এখন হল্টারের মাধ্যমে ফোনেই চারণভূমির তথ্য পান। তাঁর ভাষায়, এক হাজার ভেড়ার পালের বদলে এখন এক হাজারটি আলাদা পশু দেখা যায়।
সার কোম্পানি র্যাভেন্সডাউনের প্রধান ডিজিটাল কর্মকর্তা মার্ক ম্যাকঅ্যাটামনি বলেন, পুষ্টি ব্যবস্থাপনাতেও একই পরিবর্তন: পুরো খেতে একই হারে সার আর খেতভিত্তিক মাটি পরীক্ষার জায়গায় এখন খেতের ভেতরের আলাদা অঞ্চল মাপা হচ্ছে, যাতে উৎপাদনশীলতা বাড়ে এবং পরিবেশের দিকেও নজর থাকে।
গিলুলির মতে, যন্ত্র ও ইয়াং ফার্মার্স ক্লাবের নেটওয়ার্কে যুক্ত নতুন প্রজন্মের কৃষকেরা এসব সুযোগ ইতিমধ্যে কাজে লাগাতে শুরু করেছেন।
ছবি: Halter / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 4.0)
সূত্র: Farmers Weekly NZ





মন্তব্য
(০)