সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রথম বাণিজ্যিক আঙুরবাগান, ১০ শতকে ১৫ জাতের ফলন

নলেয়া গ্রামের তরুণ তাওহিদুল ইসলাম তাওহিদ ১০ শতক জমিতে ৮৫টি গাছ দিয়ে বাণিজ্যিক আঙুর চাষ শুরু করে ফলন পেয়েছেন; এখন প্রায় চার বিঘায় বাগান করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রথম বাণিজ্যিক আঙুরবাগান, ১০ শতকে ১৫ জাতের ফলন
ফল

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ করে ফলন পেয়েছেন তরুণ উদ্যোক্তা তাওহিদুল ইসলাম তাওহিদ। মৌসুম না হলেও তাঁর বাগানে এখন সবুজ, খয়েরি ও মেরুন রঙের আঙুরের থোকা ঝুলছে, আর তা দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে মানুষ আসছেন।

উপজেলার নলেয়া গ্রামের মোহাম্মাদ আলীর ছেলে তাওহিদ মাত্র ১০ শতক জমিতে বিভিন্ন জাতের ৮৫টি আঙুরগাছ লাগিয়ে শুরু করেন। বাগানে প্রায় ১৫ প্রজাতির আঙুরগাছ আছে, আর অল্প সময়েই গাছগুলোতে ফল আসতে শুরু করে।

তাওহিদ জানান, এলাকায় আঙুর চাষের চল না থাকায় শুরুতে অনেকে বলেছিলেন এখানে আঙুর হবে না। ইউটিউবের ভিডিও দেখে তিনি মাচা তৈরি, ডাল ছাঁটাই, সার প্রয়োগ আর রোগবালাই দমনের কৌশল শেখেন, তারপর নিজের জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু করেন। প্রথম উদ্যোগে সফল হওয়ায় এখন প্রায় চার বিঘা জমিতে আঙুরবাগান করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস বলেন, প্রচলিত ফসলের বাইরে গিয়ে আধুনিক প্রযুক্তিতে আঙুর চাষে সাফল্য পাওয়া উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। উপজেলা কৃষি অফিস তাওহিদকে নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে, আর তাঁর দেখাদেখি অন্য কৃষকেরাও আগ্রহী হবেন বলে আশা করছেন তিনি।

মোগরপাড়া ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোখলেছার রহমান, যিনি তাওহিদের শিক্ষক, বলেন, বাগানের আঙুর সুস্বাদু এবং ফলনও ভালো হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে তাওহিদ আরও বড় উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারেন বলে মনে করেন তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিসের মতে, নবাবগঞ্জে আধুনিক পদ্ধতিতে আঙুর চাষের পরিধি বাড়ানো গেলে এ ফলের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আরও বাড়বে, আর আগ্রহী কৃষকদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। খবরটি দিয়েছেন অবজারভারের সংবাদদাতা।

ছবি: Sarah Stierch / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 4.0)

সূত্র: ডেইলি অবজারভার

ডেইলি অবজারভারসূত্র

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

বর্ষায় মালচিংয়ে চার জাতের রঙিন তরমুজ, রামুর আনোয়ারের আড়াই লাখ টাকার আশা

কচ্ছপিয়ার নাপিদেরচরের আনোয়ার হোসেন ৪০ শতকে ৭০ হাজার টাকা খরচে প্রায় তিন হাজার চারা লাগিয়েছেন, খেতে সাত-আট হাজার তরমুজ; তবে দরকার ৪০০-৫০০ কেজি সার, পেয়েছেন মাত্র ১০০ কেজি।

দিনাজপুর টিভি৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফল

দেড় বিঘায় রক মেলন, তিন মাসে চার লাখ টাকা বিক্রি জীবননগরের দুই তরুণের

জুনে পরীক্ষামূলকভাবে দেড় লাখ টাকা খরচে শুরু করে জসিম হোসেন ও রাজিব হাসান অনলাইনে ১০০ টাকা কেজিতে ফল বেচছেন; উপজেলায় এখন ৬০ থেকে ৭০ বিঘায় রক মেলনের চাষ।

দিনাজপুর টিভি৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

ছবির গল্প: কুষ্টিয়ার মজমপুর রেলগেটে ভোরের ফলের পাইকারি বাজার

রেললাইনের পাশে ভোর থেকে নিলামের হাঁকডাকে আপেল, কমলা, মাল্টা, আঙুর, ড্রাগন ফল আর ডালিম বিক্রি হয়; পাইকারি দরে কিনে ভ্যানে করে নিয়ে যান খুচরা বিক্রেতারা।

প্রথম আলো৭ অক্টোবর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)