সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা৩০°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

২৯ কোটি টাকায় সংস্কার, মোহনগঞ্জের শিয়ালজানি খাল এখন ময়লার ভাগাড়

কংসের শাখা খালটির দুই পাড়ে পাউবো ১৫ কোটি ৮৭ লাখ, পৌরসভা পাঁচ সেতুতে ৫ কোটি আর ড্রেনে ৮ কোটি ৪ লাখ টাকা খরচ করলেও এখন কচুরিপানা আর আবর্জনায় পানি চলাচল বন্ধ; দায় নিয়ে ঠেলাঠেলি পাউবো ও পৌরসভার।

২৯ কোটি টাকায় সংস্কার, মোহনগঞ্জের শিয়ালজানি খাল এখন ময়লার ভাগাড়
পরিবেশ

নেত্রকোনার হাওর জনপদ মোহনগঞ্জের পৌর শহরের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া শিয়ালজানি খাল একসময় নৌকা চলাচল আর মানুষের দৈনন্দিন কাজে লাগত, কংসের পানি এই খাল দিয়ে হাওরে যেত। সংস্কারে ২৯ কোটি টাকার বেশি খরচ হলেও খালটি এখন কচুরিপানা, পলিথিন আর আবর্জনায় ভরা ময়লার ভাগাড়। সারাবাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি সরেজমিনে এই চিত্র তুলে এনেছেন।

কংস নদের শাখা খালটির পুনঃসংস্কার ও নাব্যতা ফেরানোর কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালে। ২০১৮ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও মোহনগঞ্জ পৌরসভা যৌথভাবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও পাড়ের সৌন্দর্যবর্ধনসহ প্রকল্প নেয়। পৌরসভা সূত্রে, গরুহাট্টা রোড থেকে মাইলোরা পর্যন্ত ২ হাজার মিটার খালের দুই পাড়ে সিসি ব্লক ও সুরক্ষায় পাউবো খরচ করে ১৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, পাঁচটি সেতুতে পৌরসভা ৫ কোটি, আর দুই পাড়ের ড্রেন ও অবকাঠামোয় আরও ৮ কোটি ৪ লাখ টাকা।

এখন খালের পুরোটা কচুরিপানায় ঢাকা, সড়কের ময়লা আর পলিথিনে পানি চলাচল বন্ধ। পাড়ের হাঁটাপথ ঝোপে ঢেকে গেছে, কয়েকটি বাতি নষ্ট। স্থানীয়দের অভিযোগ, তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা সুযোগ পেলেই খালে ময়লা ফেলেন, দুর্গন্ধে খালপাড়ের সড়কে চলা কষ্টকর, আর সন্ধ্যার পর চুরি-ছিনতাই ও মাদকসেবীদের আড্ডাও বসে।

বাসিন্দা জীবন সাহা বলেন, একসময় এই খালে মানুষ গোসল করত, বাসন ধুত, নৌকা চলত; আবার সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছে। আরেক বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম জানান, বাজারের লোকজন খালে আবর্জনা ফেলে আর ভাসমান মানুষ খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ করে।

দায় নিয়ে দুই সংস্থার বক্তব্য দুই রকম। পৌর প্রকৌশলী সাইফুল আমিন বলেন, পাউবো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে খাল হস্তান্তর করেনি, তাই পৌরসভা ব্যবস্থা নিতে পারছে না। পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী এনায়েত হোসেনের দাবি, কাজ শেষে খাল পৌরসভাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, পরিষ্কারের দায়িত্ব তাদের।

মোহনগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন, বরাদ্দসাপেক্ষে খালটি দ্রুত পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে, পাউবোকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। হাওরে পানি পৌঁছানোর এই পথ বন্ধ থাকলে শুধু শহরের পরিবেশ নয়, আশপাশের জলাভূমির পানিপ্রবাহও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ছবি: Hardscarf / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0); ওপরের ছবিটি প্রতীকী

সূত্র: সারাবাংলা

সারাবাংলাসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

ঘানার আক্রার সৈকতে বাতিল পোশাকের পাহাড়, জালে মাছের বদলে উঠছে কাপড়

আমেরিকা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রতি সপ্তাহে আসা ব্যবহৃত পোশাকের প্রায় ৪০ শতাংশ অচল; সেগুলো নর্দমা আর অবৈধ ভাগাড় হয়ে সমুদ্রে গিয়ে সৈকতে জমছে, তৈরি করছে মাইক্রোপ্লাস্টিক।

আনন্দবাজার৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

ফেলে দেওয়া বোতলে ভাসমান বেড, গুলশান লেকে সবজি ফলাচ্ছেন কড়াইলের বাসিন্দারা

বাঁশের কাঠামোয় প্লাস্টিকের খালি বোতল আর নারকেলের ছোবড়া বেঁধে বানানো ভাসমান বেডে কচু, লতি, পুঁইশাক, লালশাক ফলছে; নিজেদের খাবারের পাশাপাশি প্রতিবেশীদের নামমাত্র দামে বা বিনা মূল্যে দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা।

দিনাজপুর টিভি৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মতামত

মতামত: ডিসেম্বরে শেষ গঙ্গা চুক্তি, নবায়ন নয়, দরকার ন্যায্য ও বিজ্ঞানভিত্তিক নতুন চুক্তি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের সহযোগী অধ্যাপক খায়ের মাহমুদ লিখেছেন, ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে ন্যূনতম প্রবাহের নিশ্চয়তা, পরিবেশগত প্রবাহ ও বাধ্যতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেই; মেয়াদ শেষে অন্তর্বর্তী শূন্যতার ঝুঁকিও আছে।

বাংলা ট্রিবিউন৭ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)