লম্বা হয়ে যাওয়া ভুট্টা ক্ষেতে সাধারণ যন্ত্র ঢোকানো যায় না, অথচ মোচা ভরাটের সময়ই নাইট্রোজেন বেশি লাগে। এ সমস্যার সমাধানে ড্রোন দিয়ে পাতায় নাইট্রোজেন প্রয়োগ করে ভুট্টার কাঁচা ওজনে হেক্টরে ১০ টন পর্যন্ত বাড়তি ফলনের পূর্বাভাস পেয়েছে যুক্তরাজ্যের কৃষি পরামর্শ প্রতিষ্ঠান হাচিনসনস (Hutchinsons)। লেস্টারশায়ারের ব্রাউটন অ্যাস্টলির কাছে পরীক্ষাটি হয়। প্রতিষ্ঠানের ফসল পুষ্টি বিশেষজ্ঞ রব জুয়ার্স জানান, ভুট্টার মোট নাইট্রোজেনের ৩০ শতাংশের বেশি লাগে ফুল আসার পর।
শুকনো মাটিতে দানাদার সার গাছ কম নিতে পারে, তাই পাতায় প্রয়োগ ভালো; কিন্তু গরমে পাতা পোড়ার ঝুঁকিতে স্প্রেয়ার চালানোর সময় কমে যায়। কৃষিবিদ গ্রেগ হপকিনসন বলেন, ড্রোন এখানে বেশি সুযোগ দেয়। ২২ জুলাই তিনটি পণ্য প্রয়োগ করা হয়: মিথাইলেটেড ইউরিয়া এন-ডুরান্স হেক্টরে ২০ লিটার, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিংকের মিশ্রণ পেলোটন, এবং ১৮ শতাংশ ইউরিয়ার অ্যালাইন-এন।
এন-ডুরান্স ও পেলোটনের মিশ্রণে হেক্টরে প্রায় ১০ টন বাড়তি কাঁচা ওজন মিলেছে, অ্যালাইন-এনে কোনো লাভ হয়নি। ড্রোনে প্রয়োগ খরচ হেক্টরে ৩৫ পাউন্ড, পণ্যসহ মোট ১১৫ পাউন্ড; প্রতি টন ভুট্টা ৪০ পাউন্ড ধরলে হেক্টরে প্রায় ৪০০ পাউন্ড বাড়তি আয় সম্ভব বলে হিসাব দলের।
কাজটি করেছে এসএএস অ্যাগ্রি ড্রোন সার্ভিসেস, ৪০ লিটার ট্যাংকের ডিজেআই টি৫০ ড্রোনে; হেক্টরে ১০০ লিটার দ্রবণ লাগাই বড় সীমাবদ্ধতা, তাই ৩০ লিটারের পণ্য পরীক্ষা চলছে। দাঁড়ানো ভুট্টার মধ্যেই ড্রোনে আচ্ছাদন ফসলের বীজ বোনার পরীক্ষাও চলছে, যাতে ফসল তোলার সময় আচ্ছাদন ফসল প্রায় গজিয়ে যায়।
ছবি: Marilyn Peddle / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY 2.0)
সূত্র: Farmers Weekly





মন্তব্য
(০)