খরায় কৃষক ও খেতমজুরদের আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভারতের মহারাষ্ট্রের বীড় জেলার অম্বেসাভালি গ্রামের প্রায় অর্ধেক মানুষ কাজের খোঁজে গ্রাম ছেড়েছেন বলে ডাউন টু আর্থকে জানিয়েছেন গ্রামের উপসরপঞ্চ ধনঞ্জয় গুণ্ডেকর। তাঁর ভাষায়, খেতে কোনো কাজ নেই, বাঁচার মতো টাকাও নেই; গ্রামবাসীরা কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুতে গেছেন।
মাত্র ১১ মাস আগে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে বন্যায় মারাঠওয়াড়া অঞ্চলের জমি ও দাঁড়ানো ফসল নষ্ট হয়েছিল। ২৬ সেপ্টেম্বর রাজ্য সরকার ৩৬৪টি তালুকের ২৬৫টিতে, ৭০ শতাংশের বেশি এলাকায়, খরা ঘোষণা করেছে; এতে ঋণ পরিশোধে ছাড় ও পানির ট্যাংকারের মতো ত্রাণ চালু হয়েছে। বর্ষার মধ্যেই চার জেলার ৯৪টি গ্রামে ট্যাংকারে পানি দিতে হচ্ছে।
কৃষকেরা বলছেন, এ খরা ২০১৩-১৪ ও ২০১৫-১৬ সালের খরার চেয়েও খারাপ হতে পারে; কারও চাষের খরচেই আড়াই লাখ রুপি পর্যন্ত লোকসান। বন্যায় ছয় একর জমি হারানো কুর্লা গ্রামের গণেশ ঘোড়কে এবার আবার ফসলহানির মুখে; তাঁর তুলাগাছ হাঁটু সমানও হয়নি।
ছবি: Unknown author / উইকিমিডিয়া কমন্স (পাবলিক ডোমেইন)
সূত্র: ডাউন টু আর্থ





মন্তব্য
(০)