সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা২৬°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস ৮ কিমি/ঘ

খেতের কোণে পুকুর: ভারতের দেওয়াসে বদলে গেছে চাষ, মাছ আর আয়

মধ্যপ্রদেশের পানি-সংকটের জেলা দেওয়াসে ২০০৬ সাল থেকে কৃষকেরা আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ হাজার খামার পুকুর খুঁড়ে দ্বিতীয় ফসল, মাছ ও বাড়তি আয় পেয়েছেন; তবে ছোট কৃষকেরা জমি ছাড়তে পারছেন না, আর ভূগর্ভস্থ পানি তোলা এখনো বেশি।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের মালওয়া অঞ্চলের চিরকালীন পানি-সংকটের জেলা দেওয়াসে ২০০৬ সাল থেকে কৃষকেরা আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ হাজার খামার পুকুর খুঁড়েছেন। এতে বৃষ্টির পানি জমিতেই ধরে রাখা যাচ্ছে, দ্বিতীয় ফসলের সেচ নিশ্চিত হয়েছে, জানিয়েছে ডাউন টু আর্থ। সরকারি কোনো হিসাব নেই; বিশেষজ্ঞদের অনুমান প্রায় ৩০ হাজার।

পুকুর এনেছে নতুন আয়। নিপানিয়া গ্রামের পোপ সিং জানান, এক বছর পরপর তিনি প্রায় ৫০ টন মাছ ধরেন, যার দাম প্রায় ১ কোটি রুপি। খুব গ্রামের বলরামজি প্যাটেল গত বছর ২৩ লাখ রুপির চিয়া বীজ বিক্রি করেছেন, আর ধাতুরিয়া গ্রামের সুভাষ জলোটিয়া ২০২৫ সালে বিক্রি করেছেন ৬০ লাখ রুপির গম। অনেকে উন্নত জাতের গরু কিনে দুগ্ধ খামারও শুরু করেছেন।

পুকুরের আগে সেচের ভরসা ছিল নলকূপ। আন্তর্জাতিক পানি ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের (আইডব্লিউএমআই) গবেষণায় দেখা যায়, জেলায় নলকূপ ছিল ১৯৯০ সালে ৩ হাজার ৮৮৭টি, ১৯৯৮ সালে ১৪ হাজার ১৭২টি এবং ২০০৯-১০ সালে ২৩ হাজার ১১৯টি; সেচের প্রায় ৮২ শতাংশ আসত ভূগর্ভস্থ পানি থেকে। কেন্দ্রীয় ভূগর্ভস্থ পানি বোর্ডের ২০২৩ সালের মূল্যায়নে দেওয়াস 'অতিশোষিত' জেলা: পুরো জেলায় পুনর্ভরণের ৭৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং দেওয়াস ব্লকে ১১০ দশমিক ৮৮ শতাংশ পানি তোলা হয়।

বদলের শুরু ২০০৬ সালে, তৎকালীন জেলা প্রশাসক উমাকান্ত উমরাওয়ের উদ্যোগে। প্রশাসন কারিগরি পরামর্শ দেয়, ব্যাংকঋণ পেতে সাহায্য করে, আর বড় কৃষকদের জমির এক-দশমাংশ বা এক-পঞ্চমাংশ পুকুরের জন্য ছাড়তে উৎসাহ দেয়। ৪০ জন বড় কৃষক দিয়ে শুরু হয়ে ১৪ মাসে প্রায় ২ হাজার পুকুর তৈরি হয়। উমরাও বলেন, তাঁরা শুধু বৃষ্টির পানি গড়িয়ে যেতে না দিয়ে খেতেই ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

দেওয়াসের ভূজলবিদ সুনীল চতুর্বেদীর মতে, পুকুরে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও সেচের নিশ্চয়তা বেড়েছে, কিছু পানি চুইয়ে ভূগর্ভে গেছে। পুকুর ভরতেই কুয়ায় পানি ফিরেছে, কৃষকেরা দ্বিতীয় ফসল হিসেবে গম, তেলবীজ ও চিয়া চাষ শুরু করেছেন।

তবে মডেলটির সীমাবদ্ধতাও আছে। এর জন্য জমির মালিকানা, ঋণ আর কিছু আবাদি জমি ছেড়ে দেওয়ার সামর্থ্য লাগে, তাই সুফল বেশি পেয়েছেন বড় কৃষকেরা। টোঙ্ক কালার এক কৃষক, যিনি এ কারণেই পুকুর কাটেননি, বলেন, দুই একরের কৃষকের জন্য পুকুর খামারের এক-দশমাংশ নয়, পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তার এক-তৃতীয়াংশ হয়ে যেতে পারে। পুকুর সত্ত্বেও ভূগর্ভস্থ পানি তোলা এখনো বেশি।

সূত্র: ডাউন টু আর্থ

ডাউন টু আর্থসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

ব্রাজিলে ইথানলের এক-তৃতীয়াংশ আসবে ভুট্টা থেকে, পূর্বাভাসের দুই বছর আগেই

পরামর্শক প্রতিষ্ঠান স্টোনএক্সের হিসাবে ২০২৭/২৮ মৌসুমেই ব্রাজিলের ইথানলের এক-তৃতীয়াংশ আসবে ভুট্টা থেকে; বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক ইনপাসা দ্বিতীয় মৌসুমের ভুট্টা থেকে জ্বালানির পাশাপাশি পশুখাদ্য ও তেলও তৈরি করছে।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

কৃষিরাসায়নিকে ডেটা সুরক্ষার বিরোধিতা ভারতীয় উৎপাদকদের, কৃষকের খরচ বাড়ার শঙ্কা

ক্রপ কেয়ার ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া বলছে, পেটেন্ট করা কীটনাশক এমনিতেই দেরিতে ভারতে আসে; তার ওপর ডেটা সুরক্ষা দিলে সস্তা জেনেরিক কীটনাশক কৃষকের হাতে পৌঁছাতে আরও দেরি হবে।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

গুজরাটে নতুন কারখানা, এরিজ অ্যাগ্রোর উৎপাদন সক্ষমতা বছরে ১,০১,৪০০ টন

ভারতের উদ্ভিদ পুষ্টি পণ্য প্রস্তুতকারক এরিজ অ্যাগ্রো গুজরাটের সায়াখায় ৬ হাজার টনের নতুন কারখানা চালু করেছে, ডিপো বাড়িয়েছে ৩০টিতে এবং বছরে ৫৪,৯৪৮ জন কৃষকের কাছে প্রশিক্ষণ সভার মাধ্যমে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে।

গ্লোবাল এগ্রিকালচার১ অক্টোবর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)