মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে প্রায় ১৫ হাজার বস্তা আলু পচে নষ্ট হওয়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। একাত্তর টিভির মাদারীপুর প্রতিনিধির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর চ্যানেলটিতে সংবাদ প্রচারের পর সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয় এবং সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
অধিক মুনাফার আশায় দীর্ঘদিন হিমাগারে রাখায় আলুগুলো পচে গেছে বলে জানা গেছে। ৬০ কেজি ওজনের প্রায় ১৫ হাজার বস্তায় আলুর পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৫০০ মণ, যার বর্তমান খুচরা বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি ২৫ লাখ টাকা। পচা আলু এখন স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে বিনামূল্যে গরুর খাবার হিসেবে বিতরণ করা হচ্ছে।
মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পরই গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে; আলু কী কারণে পচল, কারও গাফিলতি ছিল কি না, হিমাগারটির বৈধ লাইসেন্স আছে কি না এবং ধারণক্ষমতা কতটুকু—এসব তদন্তে বেরিয়ে আসবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে।
কৃষি সময়ের ২০ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে এই হিমাগারে ৩০ হাজার মণ আলু পচে প্রায় তিন কোটি টাকার ক্ষতির কথা বলা হয়েছিল; একাত্তরের হিসাবে বস্তার সংখ্যা ১৫ হাজার ও পরিমাণ ২২ হাজার ৫০০ মণ—তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে প্রকৃত পরিমাণ ও দায় স্পষ্ট হওয়ার কথা।
দাম বাড়ার আশায় আলু ধরে রাখা এবং হিমাগারের ধারণক্ষমতা ও লাইসেন্স—দুটি প্রশ্নই এ মৌসুমে আলুচাষি ও মজুতদারদের জন্য সতর্কবার্তা: পচা আলু গরুর খাবারে গেলে ক্ষতিটা শেষ পর্যন্ত মালিক ও ঋণদাতার।
সূত্র: একাত্তর টিভি — প্রতিবেদন: নিজস্ব প্রতিনিধি, মাদারীপুর





মন্তব্য
(০)