সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস কিমি/ঘ

শামুকখোল পাখির কলকাকলিতে মুখর মাছিমপুর

কয়েক হাজার শামুকখোল পাখির কলকাকলিতে মুখোর জামালপুরের মাছিমপুর গ্রাম। গত ২০ বছর ধরে পৌরসভার ওই গ্রামের নূরুল হক মাস্টারের বাড়ির শিমুল ও কড়ই গাছে নিশ্চিন্তে বসবাস করে আসছে পাখিগুলো। অনুকূল পরিবেশ পেয়ে প্রতি বছর বারবারই ফিরে আসে এসব পাখির দল, থাকে একটানা ছয় থেকে আট মাস।

মৎস্য

কয়েক হাজার শামুকখোল পাখির কলকাকলিতে মুখোর জামালপুরের মাছিমপুর গ্রাম। গত ২০ বছর ধরে পৌরসভার ওই গ্রামের নূরুল হক মাস্টারের বাড়ির শিমুল ও কড়ই গাছে নিশ্চিন্তে বসবাস করে আসছে পাখিগুলো। অনুকূল পরিবেশ পেয়ে প্রতি বছর বারবারই ফিরে আসে এসব পাখির দল, থাকে একটানা ছয় থেকে আট মাস।

দূর থেকে দেখতে সাদা বকের মতো মনে হলেও মূলত এদের নাম শামুকখোল। লম্বা ঠোঁট দিয়ে শামুক খুঁজে খুঁজে খায় বলে এদের নাম এমটি হয়েছে। তবে পাখিটির ইংরেজি নাম এশিয়ান ওপেনবিল। প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে- এসব পাখি অনুকূল পরিবেশে ঝাঁকে ঝাঁকে বাস করতে পছন্দ করে।

স্থানীয়রা জানায়, পাখির কলকাকলিতেই ঘুম ভাঙে এই গ্রামের মানুষের। খুব সকালে দলবেঁধে বেরিয়ে যায় পাখিগুলো; সারাদিন ঘুরে ফিরে সন্ধ্যার আগে ফিরে আশ্রয় নেয় নূরুল মাস্টারের বাড়ির শিমুল ও কড়ই গাছের ডালে। এদিকে, পাখিগুলো দেখতে নুরুল মাস্টারের বাড়িতে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। সেখানে নেই কোনো পাখি শিকারি, নেই স্থানীয়দের শ্যেন দৃষ্টি।

স্থানীয় কৃষক আনোয়ার হোসেন, আলী আশরাফ, সেলিমসহ আরও অনেকে জানালেন, এই পাখিগুলো ধানক্ষেতে থাকা শামুক আর পোকা খেয়ে থাকে। ফলে একদিকে যেমন ধানক্ষেত পোকা-মাকড় থেকে রক্ষা পায়, অন্যদিকে পাখির বর্জ্যে সারও হয়।

একই গ্রামের বাসিন্দা গোলাম রব্বানী বলেন, শীতকালে এলাকার আলো-বাতাসের সঙ্গে পাখিগুলোর রয়েছে এক ধরনের আত্মিক সম্পর্ক। পাখিগুলো এ গ্রামে আসার পর অনেকেই শিকার করতে আসতো। আমরা গ্রামবাসীরা মিলে এই শিকারিদের বাধা দিই। ফলে পাখিগুলো প্রায় ২০ বছর ধরে নিশ্চিন্তে এ গ্রামে বসবাস করে আসছে।

নূরুল হক মাস্টারের ছেলে শিমুল মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, প্রায় ২০ বছর আগে এক শীতের সকালে পাখির কলকাকলিতে ঘুম ভাঙে আমাদের। পরে বাইরে বের হয়ে দেখতে পাই অসংখ্য পাখি আমাদের শিমুল আর কড়ই গাছে আশ্রয় নিয়েছে। প্রথমে ভেবেছিলাম এগুলো বক পাখি; পরে জানতে পারি এগুলো শামুকখোল পাখি। পাখিগুলো কালো ও ধূসর বর্ণের। এরপর থেকেই এই গাছেই আশ্রয় নেয় তারা। এমনিতে পাখিগুলো গাছেই থাকে। তবে ঝড় বৃষ্টির দিনে মানুষের বাড়ি-ঘরে আশ্রয় নেয়। মাঝে মধ্যে এদেরকে চিড়া-মুড়িও খেতে দেন তারা।

জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক জাহাঙ্গীর কবীর জাগো নিউজকে বলেন, শামুকখোল অল্প জায়গায় গাদাগাদি করে থাকতে পছন্দ করে। এ পাখির ঠোঁট অনেকটাই যাঁতাকলের মতো কাজ করায় শক্ত শামুক অনায়াসে গলাধকরণ করতে পারে।

পাখিগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারলে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেও জানান তিনি।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

মৎস্যে পশ্চিমবঙ্গকে স্বনির্ভর করার ডাক শুভেন্দুর, কেন্দ্রের ৯ কোটি রুপির তহবিল

কলকাতায় কেন্দ্রীয় মৎস্যমন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং ও মুখ্যমন্ত্রীর যৌথ পৌরোহিত্যে রাজ্য মৎস্য দপ্তরের পর্যালোচনা বৈঠকে উৎপাদন বৃদ্ধি, অ্যাকোয়াকালচার সম্প্রসারণ ও বাজার সংযোগ নিয়ে আলোচনা; চার মাসে পোর্টালে ২.৮ লাখ আবেদন, ১.২ লাখ মৎস্যজীবীর রেজিস্ট্রেশন, বাঁকুড়া-পুরুলিয়ায় ছয়টি অমৃত সরোবর অনুমোদন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

রোমে ইতালির সঙ্গে মৎস্য-প্রাণিসম্পদ সমঝোতায় আগ্রহ, খামারিরা আসবেন কৃষক কার্ডে

রোমে এফএও সদর দপ্তরের অনুষ্ঠানের সাইডলাইনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও ইতালির কৃষি মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি লুইজি দে’এরামোর বৈঠকে মৎস্য চাষ, প্রাণিসম্পদ, সামুদ্রিক মৎস্য ও ব্লু ইকোনমিতে সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে দুই পক্ষ আগ্রহ জানিয়েছে।

কৃষি সংবাদ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
গ্যালারি

ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ

আমাদের দেশের অধিকাংশ ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। কিছু টিকে আছে আমাদের মাছ চাষিদের কল্যাণে। আসুন ছবির মাধ্যমে আজ আমরা কিছু ঐতিহ্যবাহী দেশীয় মাছ দেখে নেই।

তানিয়া চৌধুরী২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()