সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০ হাজার ৬০০ ফুট উঁচুতে, যেখানে পাথুরে জমিতে ঘাস গজানোই কঠিন, সেখানে লিলির বাগান গড়েছেন লাদাখের চোগলামসারের স্টানজিন ও তাঁর ১৪ জন সঙ্গী। এই সময়ের ছবিঘর আয়োজনে তাঁদের গল্প উঠে এসেছে।
হিমাঙ্কের নিচের তাপমাত্রায় পাথর সরিয়ে মাটি তৈরি করে বীজ পোঁতেন তাঁরা। সেই পরিশ্রমে ফুটেছে লাল, হলুদ, গোলাপি আর সাদা লিলি। দিনে ৯০০ টাকা মজুরিতে কাজ শুরু করা নারীরা দ্রুত শিখে নেন কখন ফুল কাটতে হয়, কীভাবে প্যাক করতে হয়।
ফলও এসেছে দ্রুত। লেহ বিমানবন্দর থেকে ১৫ হাজার লিলি গেছে দিল্লি, মুম্বই ও চণ্ডীগড়ে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাটার পরও এই লিলি এক সপ্তাহ তাজা থাকে। এক স্থানীয় উদ্ভিদবিদ ফুল সরাসরি বড় ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ায় মাঝখানে দালাল ছিল না, পুরো টাকা গেছে নারীদের হাতে।
প্রশাসনের উদ্যোগটি শুরু হয়েছিল সাধারণ লক্ষ্য নিয়ে: শীতে বরফের দেশে সব কাজ বন্ধ থাকে, তাই বাড়ির কাছেই মেয়েদের আয়ের পথ তৈরি করা। সেই চেষ্টায় সংসারে অভাব কমছে, বাগান দেখতে পর্যটকেরাও আসছেন।
এই সাফল্যের পর আগামী এক বছরে লাদাখে ২০০ একর জমিতে বাণিজ্যিক লিলি চাষ ছড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটি এই সময়ের ছবিঘর আয়োজন অবলম্বনে; প্রচ্ছদের ছবিটি লিলি ফুলের প্রতীকী ছবি।
ছবি: Orchi / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 3.0)
সূত্র: এই সময়





মন্তব্য
(০)