বিদেশে গিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা সফল হয়নি কুষ্টিয়ার মিরপুরের শিক্ষিত তরুণ আলামিনের। সেখানে থেমে না থেকে তিনি ফিরে গেছেন কৃষিতে। মালিহাদ ইউনিয়নের বাজিতপুরের শেষ প্রান্তে, আলমডাঙ্গার মাঠে তিনি গড়ে তুলেছেন মাল্টা ও কমলার বাগান; সেখানে এখন প্রায় ১৭০টি গাছ।
জীবনের শুরুতে কৃষিকাজেই ছিলেন আলামিন। পরে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু নানা প্রতিকূলতায় তা হয়ে ওঠেনি। ছোট পরিসরে শুরু করা বাগানটিকে ধীরে ধীরে বড় কৃষি খামারে রূপ দেওয়া, নতুন জাতের ফলগাছ লাগানো এবং বাগানের পরিধি বাড়ানো তাঁর পরিকল্পনা।
সম্প্রতি বাগানটি পরিদর্শন করেন মিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরু ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মতিয়র রহমান। সঙ্গে ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানীয় ইউপি সদস্যরা। তাঁরা গাছের পরিচর্যা, ফলনের সম্ভাবনা, রোগবালাই এবং মাটি ও পানি ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং আলামিনকে পরামর্শ দেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মতিয়র রহমান বলেন, নিয়মিত পরিচর্যা, সঠিক সার ব্যবস্থাপনা, রোগবালাই দমন এবং আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তি অনুসরণ করলে এ বাগান থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব; কৃষি বিভাগ থেকে আলামিনকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হবে। তাঁর মতে, শিক্ষিত তরুণেরা কৃষিতে এলে কৃষিতে নতুন পরিবর্তন আসবে, আর আলামিনের মতো তরুণদের উদ্যোগ অন্যদেরও আগ্রহী করবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃষি উদ্যোক্তার পথ সহজ নয়: আবহাওয়ার বিরূপতা, রোগবালাই, বাজারদরের ওঠানামা আর পুঁজির সংকট বড় বাধা। সেসব মেনেই এগোতে চান আলামিন।
প্রতিবেদনটি বার্তা২৪-এর কুষ্টিয়া স্টাফ করেসপন্ডেন্ট এসএম জামালের।
ছবি: Abu Sayeed / উইকিমিডিয়া কমন্স (CC BY-SA 4.0)
সূত্র: বার্তা২৪





মন্তব্য
(০)