সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মেঘলাআর্দ্রতা ৫৭%বাতাস ৪ কিমি/ঘ

কুড়িগ্রামের চরে পিলারের ওপর বন্যা সহনশীল ঘর, নতুন ঠিকানায় ১০ পরিবার

রাজিবপুরের কোদালকাঠি ও মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে উঁচু পিলারের ওপর ১২টি বন্যা সহনশীল ঘর বানিয়েছে সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট; ১০টিতে পরিবারগুলো উঠেছে, দুটির কাজ চলছে।

কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার চরাঞ্চলে বন্যা আর নদীভাঙনে বারবার ঘর হারানো পরিবারের জন্য উঁচু পিলারের ওপর বন্যা সহনশীল ঘর তৈরি করেছে সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্ট (সিজেডএম)। কোদালকাঠি ও মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে প্রথম পর্যায়ে ১২টি অতিদরিদ্র পরিবারকে এই ঘরের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি পরিবার নতুন ঘরে বসবাস শুরু করেছে, বাকি দুটি ঘর এখনও নির্মাণাধীন।

ঘরগুলো মাটির সঙ্গে লাগোয়া নয়। কংক্রিটের পিলারের ওপর দাঁড় করানো ঘরের নিচ দিয়ে বন্যার পানি অবাধে বয়ে যেতে পারে। দেয়াল ও চালে সবুজ রঙের ঢেউটিন, সামনে বারান্দা আর ওঠানামার জন্য কাঠের সিঁড়ি। প্রতিটি ঘরে ১২ ফুট বাই ১০ ফুটের দুটি কক্ষ, যেখানে অন্তত চারজনের একটি পরিবার থাকতে পারে। ছাদে বসানো হয়েছে সোলার প্যানেল।

উঁচু ঘরের নিচের ফাঁকা জায়গাটি পরিবারগুলোর কাজে লাগছে। সাধারণ বন্যায় ঘর নিরাপদ থাকার পাশাপাশি সেখানে গবাদিপশু রাখা, জ্বালানি কাঠ ও গৃহস্থালি জিনিসপত্র রাখা যাচ্ছে। চরের মাটি ও আবহাওয়া চেনেন এমন স্থানীয় মিস্ত্রিরাই ঘরগুলো বানিয়েছেন।

ঘরগুলো উপকারভোগী পরিবারের নিজের জমিতে তোলা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, যাদের নিজের ঘর নেই বা থাকলেও বাসযোগ্য নয়, অংশগ্রহণমূলক গ্রামীণ মূল্যায়ন (পিআরএ) পদ্ধতিতে স্থানীয় বাস্তবতা যাচাই করে এমন পরিবারগুলোকে বাছাই করা হয়েছে।

সিজেডএমের ইনসানিয়াত বিভাগের এজিএম মো. ইছমাইল হোসাইন বলেন, কুড়িগ্রামের চরে কাজ করতে গিয়ে তারা দেখেছেন প্রতিবছর বন্যায় মানুষের বসতঘর নষ্ট হয় বা ভেসে যায়। সেখান থেকেই বন্যা সহনশীল ঘরের পরিকল্পনা। একটি করপোরেট গ্রুপের আর্থিক সহায়তায় ঘরগুলো তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

নতুন ঘর পাওয়া মেহেরুন্নেসা বলেন, বছরের পর বছর বন্যায় ঘর ভেসে যাওয়ার পর নতুন করে চাল তোলা তাদের মতো মানুষের পক্ষে সম্ভব ছিল না; এই ঘর তাদের নিশ্চিন্তে ঘুমানোর ভরসা দিয়েছে।

উত্তরের নদীভাঙনপ্রবণ চরাঞ্চলে বর্ষায় ঘরের সঙ্গে গবাদিপশু আর ফসলের সঞ্চয়ও ঝুঁকিতে পড়ে। আয়োজকদের আশা, উঁচু ভিতের এই নকশা দেশের অন্য বন্যাপ্রবণ চরেও কাজে লাগানো যাবে। খবরটি প্রকাশ করেছে সমকালের চতুরঙ্গ পাতা।

সূত্র: সমকাল

সমকালসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহে ইউরোপের অর্ধেক মানুষ ক্ষতিকর ওজোনের মুখে: কোপারনিকাস

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বায়ুমণ্ডল পর্যবেক্ষণ সংস্থা বলছে, জুন থেকে আগস্টে ইউরোপের ৫০ শতাংশ মানুষ খারাপ বা তার চেয়েও খারাপ মাত্রার ভূপৃষ্ঠের ওজোনের মুখে পড়েছে; এই দূষক গ্রিনহাউস গ্যাসও, ফসলেরও ক্ষতি করে।

ইউরোনিউজ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

ওয়াসার কাজে ছাঁটা ডালে নতুন কুঁড়ি, আবার সবুজ হচ্ছে রাজশাহীর কৃষ্ণচূড়া সড়ক

গত ডিসেম্বরে পাইপলাইন বসাতে দায়রাপাক মোড় থেকে নাদের হাজীর মোড় পর্যন্ত প্রায় ১০০টি কৃষ্ণচূড়াগাছের ডাল কাটা হয়েছিল; কয়েক মাসে নতুন শাখা গজিয়েছে, তবে একটি গাছ মারা গেছে।

প্রথম আলো৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

দশ বছরের পানির সংকট কাটাতে ২২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বাঁধ চান হক'স বের চাষিরা

নিউজিল্যান্ডের এনগারুরোরো নদীর হোয়ানাহোয়ানায় ৫৮ মিটার উঁচু পাথরের বাঁধে শীতের ২ কোটি ৭০ লাখ ঘনমিটার পানি ধরে রাখার প্রস্তাব, যেখানে ১৮ হাজার হেক্টর সেচের আওতায় আর ২০১৬ থেকে পানি বরাদ্দ পুরোপুরি শেষ।

Farmers Weekly NZ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)