জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার তারতাপাড়া গ্রামে জামালপুর-১ অনুসন্ধান কূপে গ্যাস পাওয়া গেছে, তবে পরিমাণ খুব বেশি নয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানির (বাপেক্স) ফিল্ড ইনচার্জ বাইজিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে ডেইলি বাংলাদেশ।
তিনি জানান, আরও দুটি স্থানে মাটি পরীক্ষা করে কূপ খননের জায়গা ঠিক করা হয়েছে, এখন শুধু অনুমোদনের অপেক্ষা। বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে, মাদারগঞ্জে তিনটি স্থানে অনুসন্ধানের পরিকল্পনা: প্রথমটি তারতাপাড়ার জামালপুর-১, দ্বিতীয়টি গুনারীতলা ইউনিয়নের সিংদহ এবং তৃতীয়টি চরপাকেরদহ ইউনিয়নের নব্যচর এলাকায়।
বাইজিদ হোসেনের দাবি, তিন কূপের অনুসন্ধান ও উন্নয়ন শেষ হলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। গ্যাস পাওয়া গেলে তা সরাসরি পাইপলাইনে সরিষাবাড়ির তারাকান্দিতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশের গ্যাস সংকট মোকাবিলায় ২০২৪-২০২৬ অর্থবছরে মোট ৫০টি অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভার কূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে বাপেক্সের এক্সপ্লোরেশন ব্লক-৮-এ ১৯৮০, ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ সালের সাইসমিক জরিপের তথ্যের ভিত্তিতে প্রায় ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে জামালপুর-১ কূপ খনন শুরু হয়। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি ড্রিলিং রিগ বসানো হয়, খননের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ২৪ জানুয়ারি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে ২০১৪ সালে একই এলাকায় গ্যাসের সন্ধান মিলেছিল; তখন প্রকল্প কর্মকর্তারা ২ হাজার ৬০০ মিটার খনন এবং ১ হাজার ৪৪৪ মিটার গভীরের স্তরে ৭ দশমিক ৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস পাওয়ার কথা বলেছিলেন।
যমুনা সার কারখানা গ্যাসের অভাবে চলতি বছর দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল। বাপেক্সের ফিল্ড ইনচার্জ বলেন, খনন শেষ হলে গ্যাসের পরিমাণ অনুযায়ী সরকার সরবরাহ করতে পারবে। প্রতিবেদনটি পাঠিয়েছেন জামালপুর প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন।
সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ

মন্তব্য
(০)